লিঙ্গ ও বৈষম্য

পিয়ালী দত্ত চক্রবর্তী

লিঙ্গ অতি বিষম বস্তু… তাই তা নিয়ে বৈষম্য তো থাকবেই। আরে… না! না! ছিঃ ছিঃ… আমি লিঙ্গ বৈষম্য, মানে ‘Gender Bias’ এর কথা বলছি। যদিও বিষয়টা বহু চর্চিত, তবে কথাখানা ভালোভাবে বুঝতে গেলে কিন্তু নারী হয়ে জন্মানোর প্রয়োজন। ভালো করে জ্ঞান হবার আগে থেকেই “এটা করতে নেই… সেটা করতে নেই… তুমি তো আসলে মেয়ে” – কী জ্বালা মাইরি! জামা কাপড়ের বাইরে তো সেই দুটো হাত, দুটো পা আর একটা মাথাই দেখা যায়। পুরুষ মানুষেরও তাই। তফাৎ টা কোথায় রে ভাই! না… না… তফাৎ তো একটা আছে বটে… মানে ওই যে প্রথমে কে আপেলটা কুড়িয়েছিল, আর কে প্রথম খেতে insist করেছিলো… সেই নিয়ে আপেল বাগানের বাগবিতণ্ডা তো আজও অব্যাহত।

আমি বাপু কিছুতেই চুপ করে বসে থাকতে পারি না। ছোটবেলায় এই নিয়ে কম বকুনি খাইনি। বিশেষ করে আমার দিদার কাছে। “মেয়েদের সবসময় ওভাবে পা নাড়াতে নেই।” অবশ্যম্ভাবী প্রশ্ন “কেন নেই? ছেলেরা নাড়ালে তো কোনো দোষ হয়না।” দিদার বিরক্তিভরা উত্তর “অত শত জানিনা… মেয়েদের এসব করতে নেই, ব্যাস্!” এ তো মহা জ্বালা! ইচ্ছে করলে সামান্য পা-টাও নাড়াতে পারবো না। আমাদের সময়ে অবশ্য co-education স্কুলে টুলে পড়ার চল বেশ কমই ছিল, তাই স্কুলে ওই বৈষম্য টৈষম্য অত মাথায় ছিল না। কিন্তু বাড়িতে বিশ্বকর্মাপুজো আর ১৫ অগষ্টের দিন বেশ ঝামেলা হত আমার ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে। দোষটা সম্পূর্ণ আমার বাবার। নিজে খুব ভালো ঘুড়ি ওড়াতে পারত বলে ওই বিষয়টা আমাকেও শিখিয়েছিল। ব্যাস… আমিও loop এ পড়ে গেলাম। বাবা বাড়িতে না থাকাকালীন ছাদে ঘুড়ি ওড়াতে উঠলে, এক অদ্ভুত হৈ হৈ, চিৎকার আশেপাশের ছাদ থেকে শোনা যেত। ঐ অন্যান্য বাড়ির ছেলেদের আওয়াজ আর কি..!” কী রে ধোলাই-টা দিতে যাবো না কি রে…” ইত্যাদি ইত্যাদি। উত্তরও রেডি থাকতো। “না রে দরকার নেই… নিজেরটা তে ভালো করে দে!”

এদিকে আকাশের ওপরেও ঘুড়ির লড়াইয়ে অদ্ভুত বৈষম্য। নিজেরা নিজেদের মধ্যে কাটাকুটি খেল না ভাই, আমাকে আমার মতো উড়তে দে! তা নয়… সব কটা ঘুড়ি নিয়ে ফরফর করে তেড়ে এলো, কি না… “তোর এতো ওড়া কীসের র‌্যা?” মেয়েছেলের ঘুড়ি যত বেশিক্ষণ আকাশে থাকবে ততো তাদের কী যেন একটা জ্বলবে। এদিকে এইসব ঝামেলার চোটে আমার ছায়াসঙ্গী আমার বোনের লড়াইয়ের ময়দান থেকে হঠাৎ হঠাৎ পলায়নের চোটে, আমার লাটাইটা একেবারে অনাথ হয়ে ছাদে গড়াগড়ি খাওয়ার জন্য বেশিরভাগ সময়েই আমার ঘুড়ি কেটে গিয়ে লাট খেতে খেতে নিরুদ্দেশের পথে পাড়ি দিত। অথবা কখনো অতগুলোর মধ্যে কোনও এক পুরুষ ঘুড়ি লুটে নিয়ে চলে যেত। বলাই বাহুল্য খুব খারাপই লাগত তখন। মনে হতো “আমার হয়ে শালা শুধু আমি একাই গলা ফাটাচ্ছি.. আর ওদের কত্তো জোর..!” একটু যদি কয়েকটা মেয়ে-ছেলে’কে পাশে পেতাম… শালাদের দেখিয়ে দিতাম। ‘মেয়ে-ছেলে’ বলতে মেয়ে এবং ছেলে আর কি, দুর্ভাগ্যবশতঃ শব্দ দুটো জুড়ে ব্যবহার করতেই লোকজন বেশি আমোদ পায়।

যাইহোক, কলেজের দিনগুলোতে ৭১ নম্বর বাসে প্রতিদিন যাতায়াত করতে করতে বিশ্বাস করুন… ঐ বৈষম্যের বাপ-মা, কাকা-জ্যাঠা, দাদা-দিদি, মোটামুটি গুষ্টিকে চেনা হয়ে গিয়েছিল। ইদানীং বেশ কিছু মানুষের মুখে শুনি “নারীপুরুষ যদি সমান সমানই হবে, তাহলে বাসে উঠে প্রগতিশীল নারীরা কেন লেডিস সীটের দিকে ছোটে?” তাদের জ্ঞাতার্থে বলি, কদিন অফিস টাইমে একটু ওই বাসগুলোতে যাতায়াত করবেন। আর ওই যে সারা বাসে অনেক জায়গা থাকা সত্ত্বেও প্রতিবন্ধী অথবা ‘লেডিস সীট তাক করে উদাসীন আকাশকুসুম’ কাকু জ্যেঠুদের দল, তাঁদের বৈষম্য, সাম্য আর সৌজন্যের ক্লাসটা নিয়মিত করার অনুরোধ করলাম না আর… কিন্তু কনুইকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার mechanism টা অবশ্যই শেখাবেন please. এক্ষেত্রে সরকারের পরিবহণ ও নারীসুরক্ষা দপ্তর যৌথভাবে একটি ‘কনুই নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ’ ও খুলতে পারে।

এমনই অবস্থা হত যে আমরা অনেক সময়ই কাঁধে ভারী ব্যাগ নিয়ে স্কুল ফেরত বাচ্চা মেয়েটিকে বসার জন্য লেডিস সীট ছেড়ে দিতাম। কোনও কোনও দিন বয়স্ক মেসোমশাই এর হাতে বাজারের ভারী ব্যাগ দেখে লেডিস সীট ছেড়ে দিতেন অনেক ladies-ই। আবার মায়ের বয়সী বয়স্কা বাতের ব্যথায় কাতর মহিলাকে দেখেও গ্যাঁট হয়ে লেডিস সীট দখল করে বসে থাকার মহিলার সংখ্যাও কিছু কম নয়।

আমার কিছু বন্ধু (মহিলা), যারা সেসময় নামী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়তো তাদের কাছে শুনেছি, সংখ্যালঘু হবার সুবাদে সাধারণত তারা ক্লাস এর সামনের সারিতেই বসত। ক্লাস চলাকালীন মাঝে মধ্যেই নাকি তাদের পিছন থেকে সহপাঠীদের ছোঁড়া চক এর ঘা খেতে হত। এটা আমরা যারা জেনারেল stream এ পড়াশোনা করেছি তাদের কাছে একটু অবাক করার মতোই অভিযোগ। কারণ আমাদের কলেজে অনেক বৈষম্য থাকলেও ছেলে মেয়েদের মধ্যে নিপাট বন্ধুত্বটা কিন্তু তৈরী হত। তার সম্ভাব্য কারণ অবশ্য আমাদের কলেজগুলোতে ছেলে মেয়ের ratio প্রায় সমান সমান ছিলো। তাই অতি উৎসাহে কেউ কেউ চক টক ছুঁড়লেও আমাদের বন্ধুরাই তাকে মোটামুটি সেঁকে দিতো। এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বন্ধুদের (পুরুষ) স্বীকারোক্তি ছিলো যে… একে তো মেয়েরা ratio তেই আসে না, তারপর একটু অবহেলা ভরে হলেও যে সামান্য দৃষ্টিপাত করবে… সেটাও করেনা। তাই অভিমান করে… পুরুষ চক ছোঁড়ে। অনেকে আবার খুব আহ্লাদ করে বলত, আরে না না… ওগুলো নিছকই ইয়ার্কি।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখি বন্ধুদের বৈষম্য বোঝাতে বন্ধনী ব্যবহার করার কারণ হল, ‘পুরুষবন্ধু’ আর ‘মেয়েবন্ধু’ র সংজ্ঞাটা আমাদের সমাজে একটু আলাদা। আমি যতোই ‘বন্ধুর’ লিঙ্গ বৈষম্য না করতে চাই, সমাজ করেই ছাড়বে। যদিও বলে রাখা ভালো কলেজ ইউনিভার্সিটিতে আমরা বন্ধুরা (ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে) একসাথে বসে মেয়ে দেখতাম। আরে আরে খারাপ ভাবে নেবেন না। ‘মেয়ে দেখা’ কথাটা শুনতে খারাপ হলেও বিষয়টা সবসময় অতো খারাপ কিছু নয়, যতক্ষণ না আপনার চোখ খারাপ কিছু দেখছে। কলেজ ইউনিভার্সিটিতে কিছু কিছু মেয়েরা খুব সুন্দর করে সেজেগুজে আসত। আর সত্যিই খুব ভালো লাগত তাদের দেখতে। কোনও কোনও সময় তাদের দেখে সামান্য জ্বলন যে হত না, সেটা অস্বীকার করতে পারিনা। তবে আমরা সবাই মিলে কিছু কিছু মেয়েদের nick name-ও দিয়েছিলাম.. যেমন ‘chemical skin’. যাদের দেখে স্পষ্টই বোঝা যেত যে এই skin tone কখনোই natural নয়। তাই কখনও কখনও তারা সামনে দিয়ে গেলে আমরা সমস্বরে গেয়ে উঠতাম- “ত্বকের যত্ন নিন…!” আরে বাবা তাদের ভালোর জন্যই বলতাম… না কি! আওয়াজ দেওয়ার অনেক ভালো দিক ও আছে। আমাদের কলেজ canteen টা ছিলো এককথায় নৈরাজ্যের জায়গা। ক্লাসের পর একসঙ্গে সবাই মিলে বসে মিলনদার স্পেশাল চা সহযোগে ধোঁয়া টানার মজাটাই ছিলো পুরো আলাদা। এক অদ্ভুত স্বর্গীয় সুখ পাওয়া যেত! আরে ঘাবড়াবেন না! মেয়েরা কমই টানতাম… ওই counter আর কি..! সেসব দিন আজ বড়ো মিস করি!

এরপর এলো সেই commitment রাখার প্রশ্ন, সংসার জীবনে প্রবেশ। না না… শ্বশুরবাড়িতে ভাতের থালায় মাছের পিসের বৈষম্য নিয়ে আজ আর ঘ্যান ঘ্যান করতে ভালো লাগছে না। তাই ওসব কূটকচালি না করে জানিয়ে রাখা ভালো আমি আর আমার বর কিন্তু প্রাত্যহিক জীবনে এই বৈষম্য টৈষম্যের ধার ধারি না। ঝগড়ার সময় দুজনের মধ্যে উদুম গালাগালি চলতেই থাকে। মাঝে মধ্যে আমি আবার খোঁচা দিতেও ছাড়ি না, “তোমার কি গালাগালি কম পড়িয়াছে” বলে। আসলে ছোটোবেলার বন্ধু’কে বিয়ে করার এই এক মুশকিল জানেন। ওই ‘পতি পরম ড্যাশ’ ব্যাপারটা কিছুতেই আসে না। এদিকে আমার teenager পুত্রের হয় মহা মুশকিল। মাঝে মধ্যেই খুব বিরক্ত হয়ে আমাদের ঝগড়ার মাঝে এসে হাজির হয়.. বিবেকের ভূমিকায়। “আমার কোনও বন্ধুর মায়েরা কিন্তু এতো গালাগাল দেয় না”.. অবশ্যম্ভাবী উত্তর “কটা বন্ধুর মায়ের গালাগাল শুনেছিস রে?” পুত্র ততোধিক বিরক্তমুখে ময়দান ছাড়ে। কিন্তু ঐ বন্ধুদের বাবারা গালাগাল করেন কি না সে প্রশ্ন অবশ্য করে ওঠা হয়নি।

আমার স্বামী আর পুত্র কিন্তু আমার অফিসের দিনগুলোতে সকালে আমাকে রণসজ্জায় সজ্জিত করতে… মানে ওই টিফিন, জল, মোবাইল, চার্জার এটা ওটা গুছিয়ে নিয়ে বেরোতে প্রচুর সাহায্য করে, কোনও বৈষম্য টৈষম্য মাথায় না রেখেই। যাইহোক, বেশ কিছু অফিসে কিন্তু এখনো পর্যন্ত অদ্ভুত biasness লক্ষ্য করা যায়। “মেয়েরা অভাবে নয়, স্বভাবে” আরে… অন্য কিছু নয়… চাকরি করতে আসে। এমনই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিশেষ করে বাৎসরিক performance মূল্যায়নের সময়ে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া মেয়েদের বেশি বুদ্ধি! উঁ..হুঁ. নৈব.. নৈব চ। আর এই বেশি বুদ্ধির কনসেপ্ট সঠিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে খুব বড়ো কাঁটা। এক্ষেত্রে আরো একটা factor বিশেষভাবে কাজ করে.. ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলতে পারার ক্ষমতা। এই গুণটির অবশ্য কোনো gender bias নেই। এই গুণ থাকলে নারী পুরুষ নির্বিশেষে লিফ্টে করে ওপরতলায় পৌঁছনো আটকানো মুশকিল। এছাড়া মহিলাদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই ধরনের কর্তৃপক্ষ বা কর্ত্তাপক্ষ আরো কিছু বিষয়ও বিবেচনা করেন। এই যেমন.. মহিলার স্বামী কতো ভালো চাকরি করেন.. কিংবা মেয়েটির বাবার বাৎসরিক আয়.. অথবা কটা গাড়ি বাড়ি.. তাছাড়া সাংসারিক প্রয়োজনে তাকে বছরে কটা ছুটি নিতে হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর তখনই সেই চাপাচাপির খেলা চলতে থাকে। আরে এ তো মহা সমস্যা.. “বাবা কি আমার হয়ে পড়াশোনা করে দিয়েছিলো.. নাকি বর আমার হয়ে চাকরিটা করে দেয়?.. নাকি আপনি আমার হয়ে বাড়িতে রান্নাটা করে দিয়ে আসবেন? “..ওসব বললে হবে না তো বাপু। চাকরি করতে এসেছো.. তাও আবার Double Engine এ গাড়ি চলবে.. এসব speed breaker তো একটু আধটু সহ্য করতেই হবে গুরু! এতে তোমার আত্মমর্যাদার অবমাননা হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। ওদিকে আবার এখন এই বৈষম্য নিয়ে আরেক গেরোও আছে। আন্তর্জাতিক কর্পোরেট সেক্টর গুলোর লম্বা চওড়া policy র মধ্যে অন্যতম হলো গিয়ে Women’s empowerment. এ তো ভারী অদ্ভুত জিনিস.. এ খায় না মাথায় দেয় বুঝতে গিয়ে আমার প্রবাসী এক বোনকে ফোনটা করেই ফেললাম। ওর সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি, সেই অমুকের যেমন এপিঠ আর ওপিঠ থাকে.. এও তেমনই এক কল। সেই সব দেশের উন্নততর বহুজাতিক কর্পোরেট সংস্থায় আবার মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণও আছে.. মানে.. যোগ্যতর পুরুষ প্রার্থী থাকলেও সংরক্ষণের গেরোয় তার চাকরি পাওয়া এবং ওপরে ওঠার ব্যাপারে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। অনেকে আবার বলতে পারেন.. এটা তো ভাই প্রায়শ্চিত্তি..মন্দ কী..! কিন্তু প্রগতিশীল নারীরা এসব মানতে নারাজ। আরে টক্কর হবে তো সমানে সমানে.. লড়াইয়ের ময়দানে.. যোগ্যতার বিচারে। না হলে এও তো সেই ঘুরিয়ে নাক দেখানো.. যে ভাই তোমার empowerment এর দরকার আছে। খুবই জটিল ব্যাপার স্যাপার বুঝলেন.. এর মধ্যে বেশি না ঢোকাই মঙ্গল। মোদ্দা কথা হলো লিঙ্গ যখন আছে তার বৈষম্যও থাকবেই। তবে কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ হলে দু তরফই মান সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারে.. এই আর কি। এই বিতর্কের সৃষ্টি ওই আপেলবাগান থেকে আর কোনোদিন হয়তো শেষও হবে ওই বাগানেই.. ঐ যে কথায় আছে না আশায় বাঁচে চাষা!

লেখিকা পেশায় একজন বিজ্ঞানী যিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল বায়োলজি (সি. এস. আই. আর, ইন্ডিয়া), যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রি ও ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সে পি. এইচ. ডি। কলকাতার এক ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থায় (অ্যালবার্ট ডেভিড লিমিটেড) রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট উইং এ গবেষক বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত। এর বাইরেও সমকালীন সমাজ থেকে তুলে আনা বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে সরস ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখালেখির অভ্যাস। তাঁর বেশ কিছু লেখা আন্তর্জাতিক ওয়েবম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More