আমার সেজকাকু (সপ্তদশ পর্ব)

সুদেব দে

সেজকাকুকে নিয়ে কলম ধরে বেশ কিছু নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি আমি। লেখা প্রকাশের পর অনেকে যেমন ভালোবাসা আর অভিনন্দন জানিয়েছেন, তেমনই দোষত্রুটিও ধরেছেন অনেকে। এইসব সমালোচনাকে মাথা পেতে গ্রহণ করেছি আমি। করেছি নিজের ভালোর জন্যই। আজকের পর্বটির বিষয়ভাবনা একটু অন্যরকম। ছোটবেলা থেকে যখন স্কুলে পড়তাম, বিভিন্ন বন্ধুবান্ধব আর গার্জেনদের সংস্পর্শে আসতাম, তখন থেকে এই আজ পর্যন্ত গানকে প্রফেশন করে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে দেশে বিদেশের বহু মানুষের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে। দেশে বিদেশে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন মানুষের, বিশেষত সেজকাকুর ভক্তদের তাঁকে নিয়ে যে স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ দেখেছি, তারই কিছু দিক আজ তুলে ধরব এই লেখায়। সেজকাকুর দৈনন্দিন জীবনের কথা আগেও বলেছি। আজ বলব কাকার ব্যস্ততা আর তাঁর ডিসিপ্লিন নিয়ে- যা আমাকেও প্রভাবিত করেছিল। সেজকাকুর কলকাতার জীবনটাই বেশি দেখেছি আমি। বম্বের জীবন সেভাবে দেখিনি। কারণ আমার বেড়ে ওঠা কলকাতায়, আর আমার জন্মের অনেক আগে থেকেই সেজকাকু বম্বেতে প্রতিষ্ঠিত। তবে বহু জন্মের সাধনায় সেজকাকুর ঘনিষ্ঠতা আর অকুণ্ঠ ভালোবাসা পেয়েছি আমি, সে আমার এক পরম প্রাপ্তি।
সেজকাকুর ভক্ত-শ্রোতাদের জিজ্ঞাসা বা প্রশ্নগুলো নিয়ে আলাদা করে আলোচনা না করে সবটা মিলিয়েই বলার চেষ্টা করছি এই পর্বে। সেজকাকুর যেদিন স্টেজ প্রোগ্রাম মানে অনুষ্ঠান থাকত, সেই দিন… আর যেদিন রেকর্ডিং আর অনুষ্ঠান দুইই থাকত- সে দিন, এই দুটো ভাগে মোটামুটি ভাগ করে নিচ্ছি অভিজ্ঞতাগুলোকে। সেজকাকুর রোজকার রুটিন ছিল কমবেশি বাঁধা গতের৷ খুব ভোরে না হলেও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতেন। ঘুম ভেঙে মুখচোখ ধুয়ে তারপর রেওয়াজে বসতেন। এই রেওয়াজটা হত সম্পূর্ণ তানপুরোতে৷ আগেও হয়তো এই কথাগুলো বলেছি, কিন্তু সেজকাকুর সামগ্রিক জীবনযাত্রার ছবিটা তুলে ধরতে কথাগুলো রিপিট করতে হচ্ছে। যেদিন রেকর্ডিং আর অনুষ্ঠান দুইই থাকত সেদিন সকালের রেওয়ারটা হত বিভিন্ন ঠাটে। আমাদের বিভিন্ন ঠাটের অন্তর্গত যেসব রাগরাগিণী আছে সেসব নিয়ে সকালের রেওয়াজটা করতেন সেজকাকু৷ তারপর সামান্য জলখাবার খেয়ে রেডি হয়ে বেরিয়ে যেতেন কলকাতায়, রেকর্ডিংয়ের কাজে। একটা, দুটো বা তিনটে গান, যেরকম রেকর্ডিং থাকত সেই অনুপাতে সময় যেত। বেশি গান থাকলে রেকর্ডিংয়ের সময়টাও বেশি লাগত। তবে সেজকাকু সবসময় চেষ্টা করতেন রেকর্ডিংয়ের কাজকর্ম সেরে সন্ধের মধ্যে আমাদের সিমলেপাড়ার ৯ নম্বর মদন ঘোষ লেনের বাড়িতে ফিরে আসতে। বাড়ি ফিরে ফ্রেস হয়ে প্রস্তুতি নিয়ে তারপরে অনুষ্ঠানে বেরোতেন সেজকাকু। তার ফাঁকে অল্প সময় বের করতে পারলে বিকেলের দিকে হারমোনিয়াম নিয়ে বসে পড়তেন রেওয়াজে। এবারের রেওয়াজটা হত হারমোনিয়ামে। তাঁর নিজের অজস্র গানের যে ভাণ্ডার, ডায়েরি খুলে সেখান থেকে অল্প অল্প করে বেছে কিছু গান গাইতেন। বা কখনও একটু সরগম সাধনা করতেন। কিন্তু স্পেশিফিক্যালি মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে বসে কোনও সুনির্দিষ্ট গান রিহার্সাল করা- তেমনটা কিন্তু করতেন না তিনি। আসলে সেজকাকু এমনই এক কৃতি শিল্পী যাঁর নিজের এত হিট গান আছে যে ১০০ টা মঞ্চানুষ্ঠান করলেও তা শেষ করা যাবে না। সেজকাকুর মতো ক্ষণজন্মা শিল্পীদের ক্ষেত্রেই হয় এরকম। তারপর রেওয়াজ সেরে তিনি প্রোগ্রামে বেরিয়ে যেতেন। আমি সেজকাকুকে সামনে থেকে যেটুকু দেখেছি তার ভিত্তিতেই বলছি কথাগুলো। পাঠকেরা যাঁরা তাঁর অনুষ্ঠান দেখেছেন, বা নিজে চোখে না দেখলেও অন্য কারও মুখে শুনেছেন, তাঁরা সকলেই জানেন সেজকাকু একমাত্র শিল্পী যিনি মঞ্চে বসলে অন্তত টানা দুঘণ্টা গান গাইবেনই। এখান থেকেই বোঝা যায় শ্রোতাদের গান শোনাতে কতটা ভালোবাসতেন তিনি! উনি আমায় ব্যক্তিগতভাবে বারবার বলতেন, ‘যদি হাজার হাজার মানুষ তোমার গান শুনতে ছুটে আসেন, তুমি জানবে ঈশ্বরের বিরাট আশীর্বাদ তোমার উপর রয়েছে। কী আর, একটু গানই তো গাইতে পারি। তার জন্যই কত মানুষ কত আশা আকাঙ্ক্ষা, কত আবদার, কত অনুরোধ নিয়ে ছুটে আসেন, যাতে আমরা সেটুকু রক্ষা করতে পারি।’
এ প্রসঙ্গে আরেকটা কথা মনে পড়ল, শ্রদ্ধেয় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যখন আমার আলাপ হয়েছিল, উনি আমায় বলেছিলেন, ‘তোমার কাকা একটানা এতক্ষণ মঞ্চে গান করেন! বাপরে বাপ! ভেবে অবাক হই এত এনার্জি উনি কোথা থেকে পান !’ হেমন্তকাকুর বলা সেই কথা আমি যখন বাড়িতে গিয়ে সেজকাকুকে বলি, উনি সব শুনে অল্প হেসেছিলেন।

কখনও এমন যেত যখন সকালে রেকর্ডিং নেই, কিন্তু সন্ধেবেলা অনুষ্ঠান আছে। বা দূরে অনুষ্ঠান আছে, দুপুরের মধ্যে বেরোতে হবে। সেসময় দেখতাম সকালবেলা অন্যান্য দিনের মতোই তানপুরা নিয়ে রেওয়াজ করতে বসেছেন সেজকাকু। রেওয়াজে বসে বিভিন্ন রাগের উপর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ধরে গলা সাধতেন এবং খাদের সা থেকে চড়ার পঞ্চম পর্যন্ত, মানে বাংলায় যাকে বলি উদারা মুদারা তারা, সেই লোয়ার অক্টেভ থেকে আপার অক্টেভ পর্যন্ত নানান পারমুটেশন কম্বিনেশন করে রেওয়াজ করতেন। এই ব্যাপারটা যাঁরা সঙ্গীতের ছাত্র তাঁরা ভালো বুঝবেন। উনি আমাকেও যখন শিখিয়েছেন এইভাবেই শিখিয়েছেন। আমিও যখন আমার ছাত্রদের শেখাই তখন আমার গুরুর কাছে, আমার বাবা-কাকার কাছে, আমার শিক্ষক বেনারস ঘরানার পণ্ডিত মহেশ প্রসাদ মিশ্রজির কাছে শেখা সেই পথেই তাঁদেরও শিক্ষাদান করার চেষ্টা করি। অবশ্য বাবা-কাকার কাছে যা শিখেছি সেইরকম জিনিস আমি পণ্ডিতজির কাছে শিখিনি। উনি আমায় খেয়াল শিখিয়েছেন, বিভিন্নরকম গায়কি শিখিয়েছেন। কিন্তু আমাদের দে ঘরানার যে রেওয়াজ, যেটা আমি সেজকাকুকে দেখতাম নানান পারমুটেশন- কম্বিনেশনে রেওয়াজটা করতেন। তার একটাই উদ্দেশ্য, গলাটাকে নিখাদ সুরে রাখা। আমার সেজকাকু বলতেন, “গান গাওয়ার প্রথম শর্তই হল, তোমার গলাটা যাতে একশোভাগ সুরে থাকে। সুরে থাকাটাই তোমার আধার। ওই আধারের উপরেই তুমি গানটা করছ।” এডভান্স সিঙ্গিংয়ের এই আইডিয়াটাই অভিনব। আমার অশেষ সৌভাগ্য যে এমন কাকার ভাইপো হিসাবে জন্মাতে পেরেছি।সেজকাকু যখন কলকাতা আসতেন তখন বিভিন্ন মানুষ ওঁর সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। তাঁদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়া থাকত। কিন্তু যেদিন অনুষ্ঠান থাকত সেদিন সেজকাকু চাইতেন না বেশি মানুষের সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু তারপরও কখনও কখনও এমন হত কোনও মন্ত্রী, আমলা, সাংবাদিক, বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও মানুষকে কথা দেওয়া আছে, তখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেই দেখাসাক্ষাৎগুলো মিটিয়ে নিতেন উনি। যদি দূরে কোথাও অনুষ্ঠান থাকত, ধরুন মালদা যাবেন, মানে ৭-৮ ঘণ্টার জার্নি। সেক্ষেত্রে দুপুর দুপুর বেরিয়ে পড়তে হবে। তাহলে ওই সকালবেলার রেওয়াজের পর আর রেওয়াজ হত না। কিন্তু যদি কলকাতা বা তার আশেপাশে প্রোগ্রাম থাকত,সেক্ষেত্রে দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর খানিক রেস্ট নিয়ে বিকেলে আবার হারমোনিয়াম নিয়ে রেওয়াজে বসে যেতেন সেজকাকু। হারমোনিয়ামে বসে সে বিভিন্ন গান, কী বাংলা কী হিন্দি, একটু একটু করে গেয়ে যেতেন, যাতে গলাটা গরম থাকে। আবার অনেক পুরোনো গান, যেটা হয়তো অনেকদিন গাওয়া হয়নি, তাই মাথা থেকে বেরিয়ে গেছে, সেসব গানও চর্চা করতেন এসময়। এ প্রসঙ্গে একটা কথা বলি এটা সেজকাকুর একটা ব্যক্তিগত গোপন দিক, যেটা অনেকসময় মানুষ জানতে চান, বিশেষকরে তাঁর ভক্তেরা… সেজকাকুর গাওয়া অজস্র হাজার হাজার গান। নিজের গাওয়া হলেও অতরকম গানের সুর তাঁর পক্ষেও মনে রাখা সম্ভব ছিল না। এ ব্যাপারে সেজকাকু একটা কাজ করতেন। আগেই বলেছি একবার শুনেই গানের নোটেশন করতে পারতেন উনি। তাঁর গানের খাতার উপর তাঁর নিজেরই গাওয়া প্রত্যেকটা গানের নোটেশন করে রাখতেন সেজকাকু। এই নোটেশন করা না থাকলে এমনও হতে পারে, হয়তো খুব জনপ্রিয় গান, শ্রোতাদের মুখস্ত তার সুরটা। কিন্তু কাকাকে যখন গাইতে বলা হল নোটেশন মনে না থাকলে উনি সেটা নিজের মতো সুর করে গেয়ে দিতে পারেন। মানে যে জনপ্রিয় সুরে গানটা বিখ্যাত হয়েছে, সেই সুরে নাও গাইতে পারেন। এই হচ্ছে আমার সেজকাকু মান্না দে।
আমাদের প্রত্যেকড়া গানের কাঠামোটা দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন স্বরের উপর। এই স্বরগুলোরই একটা শর্টহ্যান্ড নোটেশন করে রাখতেন উনি প্রত্যেকটা গানের উপর। খাতাটা খুলে একঝলক দেখে নিলেই আবার মনে পড়ে যেত সুরটা। এইভাবে বাড়িতে বসে টানা দু-আড়াই ঘণ্টা গান প্র‍্যাকটিস করতেন। তারপর ফ্রেস হয়ে বেরিয়ে যেতেন অনুষ্ঠানে। একটা মানুষ, যিনি গানবাজনাকে প্রায় গুলে খেয়েছিলেন। যখন তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে তখনও তিনি সকালবেলা নিয়ম করে দুঘণ্টা রেওয়াজ করতেন। অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগেও সময় করে দেড়-দুঘণ্টা রেওয়াজ করতেন। আবার মঞ্চে উঠেও দু থেকে তিনঘণ্টা টানা গান গাইছেন। সঙ্গীতের জন্য নিবেদিন প্রাণ এক মানুষ ছিলেন আমার সেজকাকু। ভাবতেও আশ্চর্য লাগে, গানকে কী পরিমাণ ভালোবাসলে এমন রুটিন ফলো করা যায়!

মঞ্চে সেজকাকুর সঙ্গে তবলা-সঙ্গতে বিখ্যাত রাধাকান্ত নন্দী, অ্যাকোয়ারিয়ানে প্রখ্যাত ওয়াই এস মুলকি আর পারকারশনে অমর দত্ত ( টোপাদা) । ছবি সৌজন্য- সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য

কোনও মানুষের যখন নামডাক হয়ে যায় তখন তাঁর কনফিডেন্স লেভেলটাও বেড়ে যায়। আমি তো বিখ্যাত। আমার নাম অমুক, আমি যা গাইব শ্রোতা তাই শুনবে। না, এই এটিটিউড কিন্তু কোনওদিন দেখিনি সেজকাকুর মধ্যে। বৃদ্ধবয়স পর্যন্ত, তাঁর ৯০ বছর বয়সেও দেখেছি কোথাও অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে বাড়িতে অন্তত দু-আড়াই ঘণ্টা হারমোনিয়াম বাজিতে রেওয়াজ করে তারপরে গান গাইতে গেছেন। যে গানগুলো বাড়িতে রেওয়াজ করলেন, এমনও দেখেছি মঞ্চে উঠে তার মধ্যে কোনওটাই গাইলেন না।
সেসময় প্রখ্যাত মিউজিশিয়ানরা বাজাতেন কাকার সঙ্গে। এই মিউজিশিয়ান্দের নিয়েও আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাব। পরবর্তী কোনও পর্বে লিখব সেসব। প্রখ্যাত তবলাবাদক রাধাকান্ত নন্দী, প্রখ্যাত অ্যাকোরিয়ানবাদক ওয়াই এস মুলকি, স্প্যানিশ গিটার বাদক খোকন মুখার্জি, পারকারশন বাজাতেন টোপাদা ভ্যাকাদা এঁরা বাজাতেন সেজকাকুর সঙ্গে। তাঁর পর পরিবারের মধ্যে যেহেতু আমিই গানবাজনা করি, তাই মিউজিশানরা আমাকেই বলতেন নানা কথা। তাঁদের মুখেই শুনেছি, কাকা যে গানগুলো রিহার্সাল করে গেলেন, মঞ্চে উঠে সে গানগুলো গাইলেন না। এমনই গানপাগল মানুষ, আর তিনি কখন যে কী করবেন সেকথা আগে থেকে অনুমান করা মুশকিল ছিল।

মঞ্চে সেজকাকুর সঙ্গে তবলা-সঙ্গতে বিখ্যাত রাধাকান্ত নন্দী, অ্যাকোয়ারিয়ানে প্রখ্যাত ওয়াই এস মুলকি। ছবি সৌজন্যে সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য

আরেকটা কথাও জানাব কাকার প্রিয় শ্রোতাদের। আগে যেসব গান রেকর্ড হত তাদের একটা লিমিটেশন থাকত। মোটামুটি তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিটের মধ্যেই গানগুলোর লেন্থ সীমাবদ্ধ থাকত। অথচ সেই গানটাই যখন উনি মঞ্চে গাইছেন হয়তো ১০ মিনিট ধরে গাইছেন। একটা গানকে বিস্তার করে কীভাবে বিভিন্ন সুরের মধ্যে দিকে তাকে গাওয়া যায়, সেটা গানকে যাঁরা ভালোবাসেন, বা গানের ছাত্র যাঁরা, তাঁরা বুঝবেন। যেমন বাংলা গজলাঙ্গে সেজকাকুর বিখ্যাত একটা গান ছিল ‘কথা দাও আবার আসবে’… এই গানটার রেকর্ড শুনে একসময় অভিভূত হয়ে গেছিলাম আমরা। এই গানটাই যখন উনি লাইভ অনুষ্ঠানে গাইতেন, দেখেছি দশ-বারো মিনিট ধরে ঐ গানটাই গেয়ে যেতেন। একটা লাইনকেই কতরকম সুরে কতভাবে গাওয়া যায় তা শিখেছি আমার সেজকাকুকে দেখেই।

আমার সেজকাকুকে নিয়ে লিখতে বসে সত্যিই কথা ফুরোতে চায় না। যেমন ফুরোতে চায় না তাঁকে নিয়ে তাঁর ভক্ত-পাঠকদের জিজ্ঞাসা। নানা অনুষ্ঠানে তাঁকে যেভাবে দেখেছি, তারই কিছু অংশ আজ শেয়ার করলাম আপনাদের সঙ্গে।

ক্রমশ…

মেল যোগাযোগ – [email protected]

আমার সেজকাকু (ষোড়শ পর্ব)

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More