ভারতের তুলো, চিনি কিনবে কি পাকিস্তান? সে গুড়ে বালি! ফের সামনে এল ইমরান সরকারের জেদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক আগেই ভারতে তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের কয়েক লক্ষ ডোজ পাঠানো হয়েছিল পাকিস্তানে। করোনা আক্রান্ত পাক প্রধানমন্ত্রীর আরোগ্য কামনাও করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু আর যাই হয়ে যাক না কেন, ভারত পাকিস্তানের বন্ধুত্ব যেন কিছুতেই হওয়ার নয়। আর এদিন আরও এক ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেল সেই কথাই।

ভারতের কাছ থেকে চিনি আর তুলো আমদানি করবে পাকিস্তান, গতকালই সে দেশের ইকোনমিক কো-অর্ডিনেশন কমিটির (ইসিসি) তরফ থেকে এই প্রস্তাবে সায় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। ইসিসি-র সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিল পাক মন্ত্রীসভা। যার ফলে ভারত-পাক বাণিজ্য সম্পর্ক এখন ফের গিয়ে পড়ল বিশ বাঁও জলে।

এদিন পাক সংবাদমাধ্যমে ভারত থেকে তুলো আর চিনি আমদানির প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার খবরটি প্রকাশিত হয়েছে। বস্তুত, এর আগে ভারত থেকে এই আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ইসলামাবাদ। ২০১৯ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের মাধ্যমে কাশ্মীরের বিশেষাধিকার বাতিল করা হয়েছিল। ভারত সরকারের ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তুলো আর চিনি আমদানি নিষিদ্ধ করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু বুধবার ফের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বলেন পাকিস্তানের নতুন অর্থমন্ত্রী হাম্মাদ আজহার।

গতকাল পাক অর্থমন্ত্রী এক বিবৃতি দিয়ে বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী ভারতে চিনির দাম বেশ কম। তাই পাকিস্তানের জনগণের স্বার্থে আমরা আবার ভারতের সঙ্গে চিনির ব্যবসা চালু করার কথা ভেবেছি।” ভারত থেকে ৫ লক্ষ টন সাদা চিনি আমদানি করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। পাকিস্তানের চেয়ে ভারতে এর দাম প্রায় ১৫-২০% কম।

তুলো আমদানিও আগামী জুন মাস থেকেই চালু করার কথা বলা হয়েছিল পাক অর্থ মন্ত্রকের তরফে। প্রস্তাবটি কার্যকরী হলে ভারত-পাক বাণিজ্য সম্পর্কের পক্ষে সেটা যে লাভদায়ক হত, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু আপাতত ‘পাকিস্তানের জনগণের স্বার্থের’ পথে রাজনীতি ঢুকে পড়েছে বলেই মনে হয়। ইমরান খান পরিচালিত পাক ক্যাবিনেট বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কে এর যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More