সিবিএসই-র বোর্ডের পরীক্ষা বাতিলের দাবি, বুধবার বৈঠকে বসছেন মোদী

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী মে মাসে সিবিএসই-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা হওয়ার কথা আছে। কিন্তু দেশে কোভিডের সেকেন্ড ওয়েভের প্রেক্ষিতে নানা মহল থেকে দাবি উঠেছে, পরীক্ষা স্থগিত রাখা হোক। এই পরিস্থিতিতে বুধবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক ও শিক্ষামন্ত্রকের শীর্ষ অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

গত ফেব্রুয়ারিতে সিবিএসই বোর্ড জানিয়ে দেয়, ক্লাস টেন ও টুয়েলভের পরীক্ষা শুরু হবে ৪ মে থেকে। পরীক্ষা হবে অফলাইনে। সেই সময় দৈনিক কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা কমে হয়েছিল ১৫ হাজারের কম। বুধবার সকালে জানা যায়, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন। মারা গিয়েছেন ১০২৭ জন। সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যার বিচারে এদিন রেকর্ড করেছে ভারত।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী সহ বিরোধী নেতানেত্রীদের অনেকে দাবি করেছিলেন, সিবিএসই-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা যেন এখন না হয়। কারণ তাহলে লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ের সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার কেজরিওয়াল বলেন, “দিল্লিতে ছ’লক্ষ ছাত্রছাত্রী বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য থাকবেন এক লক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা। বোর্ডের পরীক্ষা নিতে গেলে ব্যাপক হারে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকছে। পরীক্ষা নেওয়ার বিকল্প পদ্ধতি ভেবে দেখা উচিত।”

রাহুল গান্ধী বলেন, “দেশে এখন করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় সিবিএসই-র পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি নতুন করে ভেবে দেখা উচিত। তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।”

দেশে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র। বুধবার থেকে সেখানে ১৫ দিনের কার্ফু চালু হচ্ছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া রাজ্যের জায়গায় জায়গায় জারি থাকবে ১৪৪ ধারা। ১৮৯৭ সালের মহামারী আইন ও ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের উল্লেখ করে রাজ্য জুড়ে যে কার্ফু জারি করা হয়েছে তার নাম ‘ব্রেক দ্য চেন’। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ১৪ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে ১ মে সকাল ৭টা অবধি রাজ্য জুড়ে কার্ফু বহাল থাকবে।

এর মধ্যেই মহাকুম্ভের ত্রয়োদশ দিন উপলক্ষে হরিদ্বারে উপস্থিত হয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। সোমবার শাহী স্নান উপলক্ষে প্রায় এক লক্ষ মানুষ গঙ্গায় পুণ্যস্নান করেন। কোভিড বিধি সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে ওই বিপুল সংখ্যক মানুষের জমায়েত হয়। পুণ্যার্থীরা প্রায় কেউই মাস্ক পরেননি। সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখেননি। পুণ্যার্থীদের মধ্যে ছিলেন কয়েক হাজার সাধু। তাঁরা ১৩ টি আখড়ার প্রতিনিধিত্ব করছিলেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More