মেয়ের মৃত্যুতে বাবার কান্না, সপাটে বুটের লাথি মারল পুলিশ, রইল সেই ভিডিও

এই ভিডিও ভাইরাল হতেই ওই কনস্টেবলের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন নেটিজেনরা। সাঙ্গারেড্ডির এসপি চন্দন দীপ্তি ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের কথা দিয়েছেন।

দ্য‌ ওয়াল ব্যুরো: আত্মঘাতী হয়েছে বছর ১৬ কিশোরী মেয়ে। কলেজের শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়ে। পুলিশের থেকে সেই খবর পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে স্কুলে আসেন বাবা-মা। মেয়ের নিথর শরীর যখন ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের দিকে রওনা হচ্ছে তখনই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা। আর ঠিক সেই সময়েই পুলিশের লাথি। যে ভিডিও দেখে হতবাক নেটিজেনরা। ভারইল হয়েছে সেই অমানবিক ঘটনার ভিডিও।

ক্রন্দনরত বাবার পিঠে সজোরে লাথি কর্তব্যরত পুলিশ কনস্টেবলের। বুট পায়ে শুধু লাথিই নয়, প্রায় টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মে হারানোর শোক আকুল বাবাকে। মৃতার মা কোনওরকমে পুলিশের এমন আক্রমণ থেকে স্বামীকে এসে রক্ষা করেন। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা তেলেঙ্গানার। সাঙ্গারেড্ডির ভেলিমালা এলাকার নারায়ণ রেসিডেন্সিয়াল কলেজের ছাত্রীই আত্মহত্যা করে।

এই ভিডিও ভাইরাল হতেই ওই কনস্টেবলের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন নেটিজেনরা। সাঙ্গারেড্ডির এসপি চন্দন দীপ্তি ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের কথা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ দেখানোয় পুলিশ কাজ করতে পারছিল না। বিক্ষোভ সামাল দিতে গিয়েই এমন ঘটনা ঘটে গিয়েছে।

গত মঙ্গলবার তেলঙ্গানার ভেলিমালা এলাকার নারায়ণ রেসিডেন্সিয়াল কলেজের শৌচাগারে ১৬ বছরের এক কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছে মেয়েটি। কিন্তু তার পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের মেয়েকে খুন করে আত্মহত্যার গল্প সাজিয়েছে। মৃতার মায়ের অভিযোগ, দু’দিন ধরে খুব জ্বর ছিল মেয়ের। অসুস্থতা সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করেননি কলেজ কর্তৃপক্ষ। বাড়িতে খবরও দেওয়া হয়নি। এর পরেই হঠাৎ শৌচাগার থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। পরিবারের দাবি, অসুস্থ শরীরে ওইভাবে আত্মহত্যা করতেই পারে না তাঁদের মেয়ে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More