শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৬

গোলাপে ভর করেই অর্থনীতিতে জোয়ার প্রেমের সপ্তাহে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোলাপকে যে নামেই ডাকো, তার থেকে উপার্জন হতে পারে ৩০ কোটি টাকা। তা-ও আবার শুধু দেশের এক জায়গা থেকেই!

সপ্তাহব্যাপী ভালোবাসা প্রকাশের মাস ফেব্রুয়ারির সূচনাই হয় গোলাপ দিয়ে।  আজ বৃহস্পতিবার, ‘রোজ় ডে’।  ভালোবাসার মানুষকে লাল গোলাপ দেওয়ার দিন।  ভালোবাসার পরিণতি নিয়ে জেন ওয়াই আর ভাবছে না।  তবে পকেট নিয়ে তো ভাবতে হবে। মার্কেট বলছে এবার গোলাপ এক একটা ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে অনেক জায়গায়!

একটি ইংরেজি দৈনিকের সমীক্ষায় উঠে আসছে এই তথ্য।  পুণের মালাভ সহ চারপাশের এলাকায় যে গোলাপ এবার চাষ হয়েছে তা থেকে ৩০ কোটি টাকা বাজারে উঠে আসতে পারে।  ২০১৮ সালে এই গোলাপের থেকেই এসেছিল ২৩ কোটি টাকা। এবার তা থেকে আরও বেশি লাভ গোলাপ চাষিদের। অর্থাৎ লাভের অঙ্ক প্রায় ২০-৩০ শতাংশ বেশি।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাষ হয় গোলাপ। বাংলা থেকে বেঙ্গালুরু জুড়ে এই ফুলের রানির চাষ। তবে পুণেতে যে পরিমাণ গোলাপ চাষ হচ্ছে তা ভারতবর্ষে তো বটেই পশ্চিমী দুনিয়াতেও পৌঁছে যাচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। এখানে এই বিপুল পরিমাণে চাষ করা হচ্ছে কারণ এখানকার আবহাওয়া। সঙ্গে সস্তায় শ্রমিক। তাই সহজেই লাল, সাদা, গোলাপি বাহারি রঙের ফুল ফুটছে একের পর এক ক্ষেত জুড়ে।  লাল গোলাপের বাহারে যেখানে ভালোবাসা ছড়াচ্ছে, সেখানে সাদা গোলাপে বনেদি বাড়ির বিয়ের আভিজাত্য বাড়ছে।

আবার গোলাপি গোলাপের রোম্যান্টিসিজ়মে মজে যান ভাবুক স্বভাবের লোকজন।  বন্ধুত্বের দাবিতে হলুদ গোলাপের বাজার আজও রয়েছে চড়া। কালো, কমলা, বেগুনি এমনকি সবুজ গোলাপও পাওয়া যায় এখন।  তবে জনপ্রিয়তায় লাল গোলাপকে কেউ ছুঁতে পারেনি এখনও। এমনিতেই ফুলের গন্ধে মন ভালো হয়, প্রেম গভীর হয়।  যে কোনও অনুষ্ঠান বাড়িতে ফুলের শুভেচ্ছাও আপনার ভিন্ন রুচির পরিচয় দেয়।  তাই ফুলের বাজারে যতই আগুন লাগুক আজকের এই স্পেশাল দিনে গোলাপ কিনে ভালোবাসার মানুষের আরেকটু কাছে যেতেই মরিয়া বারো থেকে বাহাত্তর।  শুধু উত্তরে “কাঁটার আঘাত দাও গো যারে, ফুলের আঘাত আর সয় না” র বদলে, “ওই লাল গোলাপটা দাও না আমায় দাও না” হলেই বাকি দিনগুলো মসৃণ কাটতে পারে।

Shares

Comments are closed.