২৩ বেসরকারি সংস্থা ট্রেন চালাতে আগ্রহী, ৩০ হাজার কোটি বিনিয়োগের আশা রেলের

প্রথমবারের বৈঠকে আগ্রহ দেখিয়েছিল মোট ১৬টি সংস্থা। আর বুধবার রেলের দ্বিতীয় প্রি-অ্যাপ্লিকেশন কনফারেন্সে যোগ দেয় ২৩টি সংস্থা।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আবহে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল বন্ধ। কিন্তু বন্ধ নেই রেলের বেসরকারি উদ্যোগে ট্রেন পরিষেবা চালুর উদ্যোগ। গত ২১ জুলাই এনিয়ে প্রথম বৈঠক হয়। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈঠক হল বুধবার, ১২ অগস্ট। প্রথমবারের বৈঠকে আগ্রহ দেখিয়েছিল মোট ১৬টি সংস্থা। আর বুধবার রেলের দ্বিতীয় প্রি-অ্যাপ্লিকেশন কনফারেন্সে যোগ দেয় ২৩টি সংস্থা। এর মধ্যে আইআরসিটিসি ছাড়াও সিমেন্স, আলস্টম, জিএমআর, বিইএমএল, বিএইচইএল, সিএএফ, মেধা গ্রুপ, স্টারলাইট, ভারত ফোর্জ, জেকেবি ইনফ্রাস্ট্রাকচার, টিটাগড় ওয়াগনস লিমিটেডের মতো সংস্থা ছিল বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন

৩০ হাজার সেনা মোতায়েন পূর্ব লাদাখে, শীতের আগে বড় পদক্ষেপ নয়াদিল্লির

রেল চায় চলতি অর্থবর্ষের শেষের দিকে হবে নিলাম প্রক্রিয়া। আর ২০২২-২৩ সালে ১২টি ট্রেন চালানো হবে বেসরকারি উদ্যোগে। পরের ধাপে ২০২৩-২৪ সালে ৪৫টি ও ২০২৬-২৭ সালে বাকি ৪৪টি ট্রেন চালানো হবে। রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোট ১০৯টি রুটে ১৫১টি ট্রেন চালানোর দায়িত্ব বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। বেসরকারি হাতে ট্রেন চালানোর দায়িত্ব দেওয়ার জন্য হাওড়া, পাটনা, সেকেন্দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু, জয়পুর, প্রয়াগরাজ, চেন্নাই, চণ্ডীগড়, দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো শহরকে ভিত্তি করে ১২টি ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে ট্রেনের রুট। রেলের আশা এর মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে। রেলের পরিকাঠামো ব্যবহার করে ট্রেন চালানোর জন্য বেসরকারি সংস্থাকে কিলোমিটার প্রতি দিতে হবে ৫১২.১৩ টাকার শুল্ক।

বেসরকারি সংস্থাকে অনেক শর্তও মানতে হবে ট্রেন পরিষেবায় যুক্ত হলে। পরিষেবার মান ভাল না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সংস্থানও থাকবে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে সময়ে ট্রেন চালানোয়। ৯৫ শতাংশ সময়ানুবর্তিতা দেখাতে না প‌ারলে দিতে হবে জরিমানা। ট্রেন লেটে চললে যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি রেলকেও জরিমানা বাবদ অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More