আঘাত সে যে পরশ তব

অংশুমান কর
বুড়ো বয়সে আমি আবার প্রেমে পড়েছি। আমার গ্রামের প্রেমে। গ্রাম থেকে আমি দূরে থাকি প্রায় সারা বছর, কিন্তু প্রেমে থাকি। মজে থাকি। প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে অপেক্ষা করি কখন আসবে পুজো আর তিরতিরে শালি নদী পেরিয়ে আমি চলে যাব গ্রামের বাড়ি। পুজো আসলে আমার গ্রামের সঙ্গে আমার মিলনের সময়। প্রলম্বিত বিরহের পর বড় আকুতিময় সে মিলন। আর সে মিলনের অনুঘটক (যেন অনেকটা রাইকিশোরীর সখী) হল আমাদের পাড়ার পুজোটি, যার পোশাকি নাম বেলিয়াতোড় সার্বজনীন দুর্গ্যোৎসব।

আমার কাছে এখন পুজো মানেই যেমন আমার গ্রামের সঙ্গে মিলন, পুজো মানেই তেমনই হাঁসের পালকের মতো অমলিন সব স্মৃতি। ছেলেবেলায় আমাদের পুজো অবশ্য শুরু হয়ে যেত পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ার অনেক আগেই।কোনওবার কোনও একদিন জেঠু রাত্রিবেলা ঘুমোতে যাওয়ার আগে বলতেন একটা সাদা পাতার ওপর পা রেখে দাঁড়াতে। পায়ের মাপ নিতেন। পরেরদিন ভোরবেলা যাবেন বাঁকুড়া, আমাদের পুজোর জুতো কিনতে। বেশ হইহই রইরই করে এইসব কর্মকাণ্ড যখন শুরু হয়ে যেত আমাদের বাড়িতে, পুজো আসতে তখনও ঢের দেরি। কোনও কোনওবার দুপুরবেলা স্কুল থেকে ফিরেই জেঠু বলতেন, চল্‌, অসীম-স্বপনদের দোকানে যাব আজ। অসীম-স্বপনকাকুদের দোকান মানে ‘মনোরঞ্জন টেক্সটাইলস’। শুনে আনন্দে নেচে উঠত আমাদের মন। শুরু হত আমাদের পুজোর বাজার। তবে শুরু হত বলা বোধহয় ভুল হল। একদিনেই বাজার শুরু হত, শেষও হত। চারটে নাগাদ মনোরঞ্জন টেক্সটাইলসে ঢুকে, জামাকাপড় কিনে আমরা বাড়ি ফিরতাম আটটা-ন’টায়। সকলের একই ছিটের জামা। মজা করে কেউ কেউ তখন আমাদের বলত জেলের কয়েদি। আমরা গায়ে মাখতুম না।

আমাদের পুজোর বাজার যখন সারা হত তখন ভরা বর্ষা। অন্যরা কেউ তখন পুজোর বাজার শুরুই করেনি! ওই বর্ষাকালেই আরও একটা কাজ শুরু হয়ে যেত। ঠাকুর গড়া। মাঝে মাঝে আমাদের পাড়ার সার্বজনীন পুজোর ঠাকুর গড়ার বরাত পেত শিবুকাকু। আমাদের বাড়ির সরস্বতী ঠাকুর ফি-বছর গড়ত শিবুকাকু। তাই যেবার দুগ্‌গা ঠাকুর গড়ার বরাত পেত শিবুকাকু, সেবার ওই ঠাকুরের ওপর কেমন যেন একটা অধিকার বোধ জন্মে যেত আমাদের। খড় বাঁধার দিন থেকে আমি, কখনও সখনও আমার ভাই টিক্লাও, হাজির হয়ে যেতাম শিবুকাকুর বাড়ি। দেখতাম কী ভাবে একমেঠো হচ্ছে ঠাকুর, দু’মেঠো হচ্ছে। নির্মাণ হচ্ছে গ্রীবা, জঙ্ঘা, পায়ের পাতা। তারপর শুরু হত রঙ করা। একেবারে শেষে পোশাক পরানো, গয়না পরানো আর অস্ত্র তুলে দেওয়া প্রতিমাদের হাতে। বহুদিন পর্যন্ত সত্যিই বিশ্বাস করতাম প্রাণ আছে ওই সব মাটির প্রতিমায়। বিসর্জনের আগে ভক্তি ভরে অসুর-সহ সমস্ত ঠাকুরদের প্রণাম তো করতামই, বাদ যেত না এমনকী বাহনগুলিও। বেশ ঘটা করে প্রণাম করতাম সরস্বতীর হাঁসটিকে। তখন, আসলে পুজোর ছুটি শেষ হলেই বেজে যেত অ্যানুয়াল পরীক্ষার ঘণ্টা। আমরা বলতাম, ‘অ্যানুয়ালি’ পরীক্ষা। সে পরীক্ষা যাতে ভাল ভাবে উতরে যাই সেজন্য সরস্বতীকে সন্তুষ্ট করার দিকে বিশেষ নজর থাকত আমাদের। পরে, বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যখন জড়িয়ে যেতে থাকলাম, যখন যুক্তি আমাকে বোঝাতে থাকল যে, মাটির প্রতিমা আসলে মাটিরই, তখন বেশ কিছুদিন যুক্তির সঙ্গে আবেগ ও অভ্যাসের লড়াই হয়েছে। শেষমেশ যুক্তি জিতেছে ঠিক, কিন্তু অভ্যেস এক বেয়াদপ ছাত্র, তাকে বাগে আনতে যুক্তি মাস্টারমশাইকে বেশ খানিকটা বেগই পেতে হয়েছে। আসলে দুর্গাপুজোর মতো একটি উৎসবকে নিছকই ধর্মীয় উৎসব হিসেবে দেখা মুশকিলের। বাঙালির এ এক সাংস্কৃতিক যাপন, সৌন্দর্যের উপাসনা। সামাজিক মেলামেশার এত বড় ক্ষেত্রও আর আছে কি? সমস্ত বাঙালি বামপন্থীরা এই সত্য জানলেও, মানেন না। যাঁরা মেনেছেন, তাঁরাও একটু দেরিতেই মেনেছেন।

এ সত্য আমি অবশ্য স্বীকার করি। করি, কারণ খুব কাছ থেকে পুজোকে আমি দেখেছি। ছেলেবেলায় পুজোর কিছু কিছু কাজের সঙ্গে আমি খুব নিবিড় ভাবেই জড়িয়ে ছিলাম। সে জড়ানো এমনই ছিল যে, আজও যখন পেছন ফিরে তাকাই সেইসব স্মৃতি গ্রীষ্ম-বিকেলে হঠাৎ বয়ে আসা জুঁই ফুলের সুবাসের মতো শুধু মাধুর্যই বয়ে আনে। যেমন, আমাদের পুজোতে বেশ কয়েকবার আমি দোলা নিয়ে গেছি। খুব ভোরে উঠে যখন স্নান সেরে ধুতি আর নতুন গেঞ্জি পরে কাঁধে লাল গামছা নিয়ে দোলা নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতাম, তখন মন শিউলি ফুলের মতো স্নিগ্ধ হয়ে থাকত। তারপর যখন দোলা নিয়ে বের হতাম রাস্তায়, আর রাস্তার দু’পাশের লোকজন ঘুরে ঘুরে দেখত আমাদের, তখন কী ভালোই যে লাগত! মনে হত আমাদের জন্যই তো এত আয়োজন, এত উপাচার, এমনকি আমাদের জন্যই বুঝি শরৎও দিচ্ছে তার অরুণ আলোর অঞ্জলি। খুব ভালো লাগত পুজোর ফল কাটতেও। সক্কাল সক্কাল আমার নিজের দিদি আর পাড়ার দিদিরা সকলে মিলে ফল কাটতে বসে যেত। আমিও জুটে যেতাম ওদের সঙ্গে। কলা ছাড়িয়ে দিতাম। আপেলকে দু’ফালা করতাম। মুসাম্বি লেবুর খোসা ছাড়াতাম। পাড়ার কোনও কাকুর একটা ঘরের দখল নিয়ে ফল কাটা হত। মিষ্টি একটা সুবাসে যেন ভরে থাকত সেই ঘরটা। আজ মনে হয় ওই সুবাস ঠিক ফলের ছিল না; ওটা ছিল একসঙ্গে সকলে মিলে ফল কাটার গন্ধ, যৌথযাপনের সুঘ্রাণ। একইভাবে বেশ কয়েকবার দশমীর দিন প্রায় ঘণ্টা তিনেক ধরে নানা রকমের ফল দিয়ে মাখা চিড়ের প্রসাদ ছোট ছোট পলিথিনের প্যাকেটে পুরতাম আর তারপর পৌঁছে দিতাম পাড়ার ঘরে ঘরে। মা-কাকিমাদের হাতে যখন সেই প্যাকেট পৌঁছে যেত তখন ওঁদের মুখে যে অলৌকিক আলোর বিভা দেখা দিত তা ছিল আলোক সরকারের কবিতার মতোই পবিত্র। দশমীর কথা বললে বলতেই হবে পাড়া ঘুরে-ঘুরে আমাদের বিজয়া দশমী করার কথা। নারকেল নাড়ু, বুটের নাড়ু, খাজা আর ঘুগনি খেয়ে খেয়ে এক-একবার এমনই অবস্থা হত আমাদের যে মনে হত পেট বোধহয় সত্যি সত্যি ফেটেই যাবে। বেশ মনে আছে একবার ওই বিপুল ভোজনের ভার সহ্য না করতে পেরে খালি মেঝেতে বেশ খানিকক্ষণ গড়াগড়ি খেয়েছিলাম ভার লাঘব হওয়ার আশায়। ভারমুক্ত হইনি, তবে অম্বলও করেনি। ওই গড়াগড়ির জেরেই কিনা কে জানে, দিব্যি হজম হয়ে গিয়েছিল মাংসের চর্বির ঘুগনি আর বুটের নাড়ু। পরের দিন আবার বাকি রয়ে যাওয়া বাড়িগুলোয় হানা দিতে পেরেছিলাম।

আমাদের পাড়ার পুজোর কথা বললে আর একটা কথাও বলতেই হবে। তা হল, এই পুজোকে ঘিরে নানা রকমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম, তখন মাঝে মাঝে পুজোর সময় বিশাল পর্দা টাঙিয়ে সিনেমা দেখানো হত। আমার মতো সে সিনেমা যাঁরা দেখেছেন, তাঁরা আজও বোধহয়, সেই মাটিতে ত্রিপলের ওপর বসে, মাথায় পড়তে থাকা হিমের আদর মাখতে মাখতে সিনেমা দেখার স্বাদটি খুঁজে বেড়ান। মাল্টিপ্লেক্স আরাম দেয়, আদর দিতে জানে না। যখন কৈশোরে পৌঁছলাম, তখন আমাদের পাড়ার এই সার্বজনীন পুজোটির সঙ্গে জড়িত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অনেকখানি দায় এসে পড়েছিল আমার ঘাড়েই। যত্ন করে অনুষ্ঠান সাজাবার চেষ্টা করতাম। তখন আমি নিয়মিত আবৃত্তি করি। রীতিমতো পয়সা নিয়ে অনুষ্ঠান করতাম এখানে-ওখানে। সেই সূত্রে তৈরি হয়েছিল গানবাজনার একটি দলও। যার সদস্য ছিল অতনু, অরিন্দমদা, বিপুল—এই রকম সব আমার চেয়ে একটু বড় বা সমবয়স্ক বন্ধুবান্ধবরা। এঁদের নিয়ে এসে ওই আমাদের পুজোতে অনুষ্ঠানও করিয়েছি। পরে, যখন যুক্ত হয়ে গেছি অধ্যাপনায়, তখনও যুক্ত থেকেছি এইসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে। বেশ কয়েক বছর আমি পুজোর সময় এক বা দু’দিন পরিচালনা করতাম স্পট ক্যুইজ। সে ক্যুইজে একটি পুরস্কার পাওয়ার জন্য কচিকাঁচা থেকে বয়জ্যেষ্ঠদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হত। সঞ্চালক হিসেবে বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতাম সেই প্রতিযোগিতা। এখনও আমাদের ‘বেলিয়াতোড় সার্বজনীন দুর্গ্যোৎসবে’ বেশ কয়েকদিন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয়। বুড্‌ঢাদা বড় যত্নে পাড়ার ছেলেপুলেদের নিয়ে পরিবেশন করে চমৎকার সব ছোট নাটক আর মূকাভিনয়।

মাঝে মাঝে ভাবি, পুজোর এই যে এত এত ছোট ছোট আয়োজনের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলাম, এর মূল্য কী? এই উন্মাদনা লাগল কি কোনও কাজে? মাটির একটি প্রতিমাকে ঘিরে এত আয়োজনকে বিজ্ঞানও তো সমর্থন করে না। কী ভাবে ঈশ্বরকে নির্মাণ করা হয়, তাত্ত্বিকেরা তো তা নিয়ে বিস্তর নায্য কথা বলেছেন। তাহলে, এইসব আয়োজন কি একেবারেই মূল্যহীন? উত্তর একটা পেয়েছি এই প্রশ্নের। আজ আমার মনে হয় যে, এই পুজো তৈরি করে দিয়েছে আমার মনকে, ‘এক’ থেকে সে হয়ে উঠতে শিখেছে ‘অনেক’, সার্বজনীন। যে শিক্ষা আমাকে দিয়েছে আমার রাজনৈতিক জীবন, একদিক থেকে দেখলে, সেই শিক্ষা আমাদের পাড়ার ওই ছোট্ট পুজোটির কাছেও পেয়েছি বই কি!

একটিবার পুজো অবশ্য আঘাত দিয়েছিল আমায়। সেটা দু’হাজার বারো সাল। অষ্টমীর দিন সকালবেলা আসানসোল থেকে আমার শ্যালিকা ফোন করে দিল দুঃসবাদটা। খুললাম টিভি, সুনীলদা নেই। মুষ্টিমেয় যে ক’জন মানুষ জানতেন সুনীলদা দুরারোগ্য ক্যানসারে ভুগছেন, আমি ছিলাম সেই মুষ্টিমেয়ের একজন। বুঝতে পারছিলাম, আর বেশিদিন আমাদের মধ্যে হয়তো থাকবেন না সুনীলদা। কিন্তু, সত্যি বলতে কি উনি যে চলে যাবেন এত দ্রুত, তাও পুজোর মধ্যে, তা আমি ভাবিনি। ঠিক একদিন আগেই আমি ফোনে কথা বলেছিলাম। জানিয়েছিলেন, খেতে খুবই অসুবিধে হচ্ছে, কিন্তু কথা তো বলেছিলেন, সেদিনও ভাবিনি যে, এত দ্রুত শেষ হয়ে যাবে সব কিছু। খবরটা পেয়েই কলকাতা গিয়ে পৌঁছেছিলাম আমি আর সোমা। বেলিয়াতোড় থেকে কলকাতার পথকে এত দীর্ঘ আর কোনওদিন লাগেনি। আসলে পুজোয় গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বছরের পর বছর শুধু পেয়েই গেছি, হারাইনি কিছুই। মনে হত পুজো বোধহয় আমাকে দু’হাত ভরে শুধু দেবে, নেবে না কিছুই। কিন্তু সেবার পুজো তো কেড়েই নিয়েছিল সুনীলদাকে। আমি যেন নতুন করে বুঝেছিলাম, আবাহনে যে পুজো শুরু হয়, তা তো শেষ হয় বিসর্জনেই। অষ্টমীর সকালে সুনীলদার প্রয়াণের খবর এমনই এক ধাক্কা ছিলাম আমার কাছে যে, এখন প্রতিবছর পুজো এলেই কেমন যেন একটা ভয় ভয়ও করে আমার। মনে হয়, আমার মাথার ওপর ছাতার মতো রয়েছেন যেসব মানুষগুলি, তাঁদের অনেকেরই তো বয়েস হয়েছে, তাঁরা যেন সুস্থ থাকেন। আরও অনেকগুলি পুজোর বিজয়া দশমীর দিনে যেন তাদের পায়ের কাছে নত হতে পারি। সত্যি বলতে কি সুনীলদার প্রয়াণের পর পুজোর সময়ে এ-ই এখন আমার একমাত্র প্রার্থনা।

আঘাতের কথা যখন উঠেই এল, তখন আরও এক ধরনের আঘাতের কথা বলতেই হবে। এখন প্রায় প্রতিবছরই পুজোর সময় বাড়ি ফিরে ক্রিকেট আর ফুটবল খেলি। ফুটবলটা আমি তেমন খেলতে পারতাম না কোনওদিনই। তবে চেষ্টার কসুর ছিল না। ক্রিকেটটা মোটামুটি খেলতাম। সেই পুরনো অভ্যাসেই বন্ধু-বান্ধবদের ডাকে মাঠে নেমে পড়ি আর আহত হই। দু’বছর আগেই ক্রিকেট খেলতে গিয়ে ডান হাতের বুড়ো আঙুলে এমন আঘাত পেলাম যে সেরে উঠতে লাগল চারমাস। আগেও এমন আঘাত পেয়েছি। ভাগ্নে আর তার বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে নেমে পড়েছি ফুটবল খেলতে। ব্যালেন্স রাখতে না পেরে উলটে পড়ে পা মচকে বিছানাবন্দি থেকেছি বেশ কয়েকদিন। খরচ হয়েছে অর্থ, নষ্ট হয়েছে সময়। তবুও, এবারও পুজোতে বাড়িতে গিয়ে সময় পেলেই আমি খেলায় মাতব। তাতে যদি ফুলে ঢোল হয় আঙুল বা মচকে যায় পা, তো ক্ষতি কি! শেষমেশ সেরে উঠলেই হল। কী? মনে হচ্ছে বাড়াবাড়ি করছি? আবেগে বলে ফেলছি এইসব কথা? হয়তো তাই। সত্যিই তো, কেউ তো আর নিজের থেকে আঘাত যাঞ্চা করে না। কিন্তু, ওই যে বলেছি না, আমি আমার গ্রামের প্রেমে ডুবে আছি এখন! যত বয়েস বাড়ছে, এই প্রেমও ততই বাড়ছে। আর, আঘাত ছাড়া প্রেম তো অসম্পূর্ণ। ওই আঘাতেই তো মিশে থাকে পরশ, ওই আঘাতই তো পুরস্কার।

অঙ্কন - দেবাশীষ সাহা
শেয়ার করুন: