দুর্ঘটনায় মৃত্যু, অবরোধে পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ রইল ট্রেন চলাচল

 দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেচেদায় ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যুর জেরে শুক্রবার সকাল থেকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ব্যাহত হয়  হাওড়া দক্ষিণ পূর্ব শাখার ট্রেন চলাচল। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হয় অবরোধ। ফলে বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে একাধিক লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন। অবশেষে মৃতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও একজনকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে বেলা বারোটার পরে অবরোধ ওঠে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় পরিষেবা।

এ দিন সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট থানার মেচেদা রেলস্টেশনে সাঁতরাগাছি- মেচেদা লোকালের ধাক্কায় গুরুতর জখম হন শেখ আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তি। তাঁর বাড়ি স্থানীয় পূর্ব বহলা গ্রামে। রেল যাত্রীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার এক ঘণ্টা পর পর্যন্তও বেঁচে ছিলেন তিনি। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কোনও ব্যবস্থা করেনি। একরকম বিনা চিকিৎসার তাঁর মৃত্যু হয়।

এরপরেই ওই যুবকের মৃতদেহ নিয়ে রেল অবরোধ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে অবরোধের জেরে বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ পূর্ব রেলের দশটি মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন। এর মধ্যে ছিল বেঙ্গালুরু-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস, টাটা-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, চেন্নাই-সাঁতরাগাছি এসি এক্সপ্রেস, হাওড়া -টাটা ইস্পাত এক্সপ্রেস, ফলকনামা এক্সপ্রেস,আরণ্যক এক্সপ্রেস-সহ বিভিন্ন ট্রেন। ১৯টি লোকাল ট্রেনকেও  বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে অবরোধের জেরে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে ওঠে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে তমলুকের মহকুমাশাসক শুভজিৎ প্রামাণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রতিনিধি মারফত  মৃতের পরিবারের একজনকে চাকরি ও অর্থ সাহায্যের আশ্বাস দেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আসেন রেলের আধিকারিকরাও।  মৃতের পরিবারের লোকজনদের নিয়ে আলোচনায় বসেন তাঁরা।  স্থির হয় চিকিৎসার গাফিলতি থাকলে রেল ক্ষতিপূরণ দেবে।এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেল।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More