ফের সংক্রমণের রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ লক্ষের বেশি, মৃত প্রায় ১২০০

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বহু রাজ্যেই করোনা রোগীদের জন্য নেই হাসপাতালের বেড, অক্সিজেন, ওষুধ ও ভ্যাকসিন। এরই মধ্যে জানা গেল, কোভিড সংক্রমণে ফের রেকর্ড করেছে এই দেশ। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৫৩ জন। দেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ দেখা দেওয়ার পরে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৪২ লক্ষ মানুষ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ১১৮৫ জন। অতিমহামারী শুরু হওয়ার পরে এই নিয়ে দেশে মারা গেলেন ১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৮ জন। এই নিয়ে পরপর দু’দিন দেশে দু’লক্ষের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হলেন। পরপর ছ’দিন আক্রান্ত হলেন দেড় লক্ষের বেশি।

দেশে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ হাজার ৬৯৫ জন। অতিমহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে ওই রাজ্যে আক্রান্ত হলেন মোট ৩৬ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৫৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৩৪৯ জন। এই নিয়ে মহারাষ্ট্রে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯ হাজার ১৫৩। এপ্রিলের শেষ অবধি রাজ্যে জারি হয়েছে কার্ফু। মহারাষ্ট্র বাদে কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশেও বিপুল সংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

কেরল সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অতিমহামারী ঠেকাতে মাস টেস্টিং করা হবে। শুক্র ও শনিবারের মধ্যে সরকার দুই থেকে আড়াই লক্ষ মানুষের করোনা পরীক্ষা করাতে চায়। কর্নাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৭৩৮ জন। শুধু বেঙ্গালুরু শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৪৯৭। মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা শুক্রবার জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন। তবে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ফের লকডাউনের সম্ভাবনা নেই।

দিল্লি সরকার নির্দেশ দিয়েছে, শহরের প্রতিটি শপিং মল, জিম ও স্পা শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে। বুধবার শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৯৯।

রাজস্থান সরকার ঘোষণা করেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ছ’টা থেকে সোমবার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত কার্ফু জারি থাকবে। ওই রাজ্যে বৃহস্পতিবার কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬৫৮ জন। মারা গিয়েছেন ৩৩ জন।

চলতি সপ্তাহে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে গিয়েছে ভারত। আমেরিকার পর ভারতেই এখন কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More