ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর! ৪০ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ে লাগবে না জিএসটি, ভোটের আগেই ঘোষণা কেন্দ্রের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা ভোটের আগেই ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর দিল কেন্দ্র। ঘোষণা করল, বছরে ৪০ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত তাঁদের কোনও জিএসটি দিতে হবে না। উত্তর-পূর্ব ও পাহাড়ি রাজ্যগুলির জন্য এই বার্ষিক আয়ের সর্বোচ্চ সীমা ২০ লক্ষ টাকা।

এখন সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য ২০ লক্ষ টাকা ও পাহাড়ি রাজ্যের ব্যবসায়ীদের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ে জিএসটি নথিভুক্তিকরণ করতে হয় না। এই অঙ্কটাই এবার দ্বিগুণ বেড়ে পৌঁছে গেল ৪০ লাখে। অর্থাৎ ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা এক ধাক্কায় দ্বিগুণ করা হল। জিএসটি ছাড়ের ক্ষেত্রে ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের সীমা দ্বিগুণ করার পাশাপাশি, জিএসটি-র ‘কম্পোজিশন স্কিম’-এর সুবিধা লাভের ক্ষেত্রেও বার্ষিক লেনদেনের সীমা ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১.৫ কোটি টাকা করা হল। এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে আগামী ১ এপ্রিল থেকে।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কয়েকটি রাজ্য জানিয়েছে, জিএসটি ছাড়ের ক্ষেত্রে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের সীমা করা হলে তাদের করদাতার সংখ্যা বিপুল কমবে। তারা সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে এক সপ্তাহের মধ্যে সচিবালয়কে জানালে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি ৪০ লক্ষের বদলে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের সীমা রাখতে পারবে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির মন্তব্য, “এসএমই সংস্থাগুলিকে সহায়তা দিতেই আজ এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে।” এই বিষয়টি টুইট করেও জানান তিনি।

এত দিন পর্যন্ত যেসব ব্যবসায়ীদের বার্ষিক লেনদেন ১ কোটি টাকা এবং যাঁরা ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিটের আওতায় পড়েন না, তাঁরাই কেবল ‘কম্পোজিশন স্কিম’-এর সুবিধা পেতেন। এবার, সেই বার্ষিক লেনদেনের সীমা বাড়িয়ে ১.৫ কোটি টাকা করে দেওয়ায় দেশের একটা বড় অংশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লাববান হবেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

দিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জেটলি আরও জানান, “যাঁরা কম্পোজিশন স্কিম-এর আওতায় পড়েন, তাঁরা প্রতি তিন মাসে কর জমা দেবেন। কিন্তু রিটার্ন জমা দেবেন বছরে এক বারই। এ দিনের বৈঠকে কেরালাকে আন্তঃরাজ্য পণ্য ও পরিষেবা ক্ষেত্রে আগামী ২ বছরের জন্য ১ শতাংশ বিপর্যয় শুল্ক নেওয়ার অধিকারও দেওয়া হয়েছে।রিয়েল এস্টেট এবং লটারি-কে পণ্য ও পরিষেবা করের মধ্যে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বৈঠকে মতভেদ প্রকট হয়েছে। সে জন্য এ বিষয়ে বিবেচনার জন্য সাত মন্ত্রীর দল গঠন করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More