জাল প্রেসক্রিপশনে নিষিদ্ধ ওষুধ! সুশান্তের বোনের বিরুদ্ধে রিয়ার এফআইআর খারিজ করল না সুপ্রিম কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুশান্ত সিং রাজপুতের দুই বোন প্রিয়ঙ্কা ও মিতু সিংয়ের বিরুদ্ধে তাঁকে জাল প্রেসক্রিপশনের সাহায্যে মানসিক উদ্বেগ কাটানোর নিষিদ্ধ ওষুধের ব্যবস্থা করে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছিলেন তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। গত মাসে বম্বে হাইকোর্ট প্রিয়ঙ্কার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাটি বহাল রাখে, যদিও মিতুর বিরুদ্ধে মামলাটি খারিজ করে । দুটি মামলাই হয় রিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে । প্রিয়ঙ্কা প্রেসক্রিপশন জাল করার অভিযোগে  তাঁর বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশের করা এফআইআরটি বাতিলের আবেদন করলেও তা আজ খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

সুশান্তের  দুই বোনের বিরুদ্ধেই রিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে নার্কোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস (এনডিপিএস) আইন লঙ্ঘন ও জালিয়াতের মামলা হয়েছে । সুশান্তের পরিবার আবার গত জুনে তাঁর মৃত্যুর ব্যাপারে রিয়ার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ তোলার পর একাধিক এজেন্সি প্রিয়ঙ্কা, মিতুর বিরুদ্ধে রুজু হওয়া মামলারও তদন্ত করছে।

প্রিয়ঙ্কার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছে হাইকোর্ট । বিচারপতিরা বলেছেন, প্রিয়ঙ্কার সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার মতো প্রাথমিক কারণ, ভিত্তি রয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে কোনও বাধা হওয়া উচিত নয়।

মাত্র ৩৪ বছরেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা সুশান্তকে গত বছরের ১৪ জুন তাঁর মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার  ৬ দিন আগেই, ৮ জুন সুশান্তের সঙ্গে বোনেদের হোয়াটসঅ্যাপে চালাচালি হওয়া বার্তার ভিত্তিতে প্রিয়ঙ্কা, মিতুর নামে মামলা করেন রিয়া । হোয়াটসঅ্যাপে আদানপ্রদান হওয়া সেই বার্তায় প্রকাশ, প্রিয়ঙ্কা তাঁর ভাইকে মানসিক অবসাদ, উদ্বেগে কাটাতে লিব্রিয়াম, মেক্সিটো, লোনাজেপ—এই তিনটে ওষুধ খেতে  বলেন। এগুলি ওষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি হয় না । রিয়ার অভিযোগ, প্রিয়ঙ্কা হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর ভাইকে জাল করা প্রেসক্রিপশন পাঠিয়েছিলেন, যাতে সুশান্তের এনডিপিএস আইনে নিষিদ্ধ ওষুধ কিনতে সুবিধা হয়। রিয়ার দাবি, হোয়টসঅ্যাপে চালাচালি হওয়া বার্তায় স্পষ্ট, সুশান্তের পরিবার অস্বীকার করলেও তাঁর মানসিক সমস্যার ব্যাপারে সচেতন ছিল ।

সুশান্তকে ওই ওষুধের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অভিযোগে গত সেপ্টেম্বরে ২৮ দিন গরাদের ওপারে কাটাতে হয় রিয়াকে।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More