‘আমরা বধির, অন্ধ, বোবা’, বাংলার নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ ঋদ্ধির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বঙ্গে ভোটের দামামা বেজে গেছে। ভরা বসন্তে কিন্তু গরমের পারদ বেড়ে চলেছে চড়চড় করে, তেমনই ভোটের উত্তেজনার পারদও রয়েছে শীর্ষে। দল-বদল, ফুল বদল আর একই পরিবারে থেকেও রঙবদলকে নিয়ে কটাক্ষ করছেন সাধারণ মানুষ থেকে সেলেব কমবেশি সকলেই।

এবার নাম না করেই এ নিয়ে ফেসবুকে কটাক্ষ করলেন ঋদ্ধি সেন, উগরে দিলেন ক্ষোভ। টলিপাড়ার শিল্পীরা যে রঙ বদল, বা সুবিধার লোভে ফুল হাতে তুলে নিয়ে ‘খেলা হবে’ বলছেন, তাঁদেরই যে ঋদ্ধি নিশানা করেছেন, তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি নেটিজেনদের। সোশ্যাল মিডিয়াতেই তিনি বলেন ২০২১-এর নির্বাচন ঘিরে চলছে সার্কাস। আর এতেই অংশ নিয়েছে বহু শিল্পীরাও।

ঋদ্ধি লেখেন, “গোটা এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির লজ্জা হওয়া উচিত এমন স্বার্থপর, লোভী, ভীতু, সুবিধেবাদী চেহারাটা প্রকাশ্যে তুলে ধরার জন্য। রাজনীতিকে পারিবারিক রোজগারের পথ বানিয়ে ফেললো এরা।” এরই পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছেন আদর্শের কথা। সেই কথা বলতে গিয়েই বলেন, “বিজেপি, তৃণমূল, সিপিআইএম, কংগ্রেস করার জন্যও একটা দর্শন লাগে, রাজনৈতিক অমিল থাকতে পারে কিন্তু তার আগে দরকার সামাজিক আর রাজনৈতিক সচেতনতা, যা এদের কারুর নেই।”

নিজের বক্তব্যের পেছনে উদাহরণও দিয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা। লিখেছেন, “একই পরিবারের দুই সদস্য টিকিট কাটছে দুটো আলাদা ট্রেনের, আর হাস্যকর হল এদের ডেকে এনে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের কর্মঠ আর নিষ্ঠাবান সদস্যদের মুখ পোড়াচ্ছে, যারা সত্যিকারের ফিল্ড ওয়ার্ক করে, এদের মতো গিরগিটি নয় যে যে বেশি টাকা আর সুবিধা দেবে তার কাছে চলে যাবে। ছিঃ, লজ্জা লাগছে, এদের না আছে রাজনৈতিক শিক্ষা না সামাজিক সচেতনতা, হয় এদের মগজ বলে কিছু নেই না হলে এরা জনগনকে মগজহীন একটা জড়পদার্থ ভাবে। এত দর্শনহীন সময় খুব কম আসে।”

তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে নানা জল্পনা ও কথা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। তিনি কাকে কাকে ইঙ্গিত করছেন সেটাও খানিকটা আন্দাজ করার চেষ্টা করছেন জনগণ। অনেকেই মনে করছেন নুসরত-যশ, কৌশানী-বনিকেই নাকি বলেছেন! যদিও অভিনেতা কারও নাম উল্লেখ করেননি পোস্ট।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More