মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন কীভাবে? স্ট্র্যাটেজি মিটিং-এ সনিয়া-শরদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার দিল্লিতে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর ১০ জনপথ রোডের বাড়িতে গেলেন এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার। মহারাষ্ট্রে কীভাবে সরকার গড়া যায়, তা নিয়েই প্রায় ৫০ মিনিট আলোচনা করেন দু’জন। গত সপ্তাহেই পওয়ার বলেছিলেন, শীঘ্রই মহারাষ্ট্রে সরকার গড়বে নতুন জোট। বিজেপির আশা সফল হবে না। জোট সরকার পুরো মেয়াদ ক্ষমতায় থাকবে।

এর মধ্যে প্রস্তাবিত অযোধ্যা সফর বাতিল করেছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। তাঁর দলের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তার জন্যই উদ্ধব অযোধ্যায় যাচ্ছেন না। উদ্ধব অযোধ্যায় যাবেন শুনেই অস্বস্তিতে পড়েছিল কংগ্রেস ও এনসিপি। সনিয়া প্রথমদিকে শিবসেনার সঙ্গে জোট বাঁধতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। কারণ দুই দলের মতাদর্শ পরস্পরের বিপরীত। কংগ্রেস সভানেত্রীকে শিবসেনার সঙ্গে জোট বাঁধতে রাজি করানোর ব্যাপারে ‘মারাঠা স্ট্রংম্যান’ শরদ পওয়ার বড় ভূমিকা নিয়েছেন বলে জানা যায়।

সনিয়ার সঙ্গে বৈঠকের আগে পওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, বিজেপি-শিবসেনা একসঙ্গে ভোটে লড়েছে। আমরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে লড়েছি। তারা তাদের পথ বেছে নিয়েছে। আমরাও নিজেদের পথ বেছে নিয়েছি।

গত ১২ নভেম্বর মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। কারণ কোনও দল বা জোটই সরকার গড়ার দাবি জানায়নি। রবিবার পুনেয় এনসিপি-র কোর কমিটির বৈঠক বসে। সেখানে স্থির হয়, রাজ্যে বেশিদিন রাষ্ট্রপতি শাসন চলা ঠিক নয়। দ্রুত সরকার গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে।

বিজেপি ও শিবসেনা জোট মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ার মতো গরিষ্ঠতা পেয়েছিল। কিন্তু শিবসেনা দাবি করে, ৫০-৫০ ফরমুলায় সরকার গঠন করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী পদটি তাদের ছেড়ে দিতে হবে আড়াই বছরের জন্য। বিজেপি তাতে রাজি হয়নি। এরপরে দুই দলের জোট ভেঙে যায়।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More