‘এক অসহায় মানুষের বিনীত আবেদন’, হঠাৎ এমন পোস্ট কেন শ্রীলেখার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টলিপাড়াতে ঠোঁটকাটা বলেই তাঁর সুখ্যাতি রয়েছে। আবার তিনি রাজনৈতিক মতার্দশের জায়গা থেকেও ভীষণ স্পষ্ট। বামঘনিষ্ঠ বলেই সকলে জানেন তাঁকে, আর এইদিনের বামজোটের ডাকা মানুষের ব্রিগেডে তাঁর উপস্থিতি সেই বক্তব্যকে আরও প্রকট করে তোলে।

তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন টাকা দিয়ে আদর্শ, ভালবাসা, বিশ্বাস বিক্রি হয় না। তিনি শ্রীলেখা মিত্র। প্রায় গোটা টলিপাড়া যখন সবুজ-গেরুয়াতে ভাগ হয়ে গেছে, তখনও তিনি নিজের আদর্শে দৃঢ় থেকেছেন। ভরসা রাখছেন কাস্তে-হাতুড়িতে।

সম্প্রতি তিনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন। আর সেই ছবির ক্যাপশনই নজর কাড়ে নেটিজেনদের। এমনিতেই নেটপাড়াতে তাঁকে নিয়ে চর্চা কম হয় না! তারওপর এই ক্যাপশন যেন একটু বেশি পারদ চড়াচ্ছে। নিজেকে হঠাৎই ‘অসহায়’ মানুষ বলে লেখেন শ্রীলেখা, তার পাশাপাশি একটি আবেদনও রাখেন সকলের কাছে।

মূলত রাজ্যে যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে, সেই নির্বাচনকে ঘিরে নানারকমের রঙ্গ দেখতে পাচ্ছেন জনগণ। ‘মানুষের জন্য কাজ করতে চাই’ বলে, ‘মানুষ’-এর দোহাই দিয়ে অনেকেই ফুল বদল করছেন আর না হলে পাল্লাভারী রাজনৈতিক দলে যোগদান করছেন। আর তাঁদেরই নিজের কথার যাদু দিয়ে ভার্চুয়ালি ঠুকলেন বলে মনে করছেন নেটিজেনদের একাংশ। যাঁরা এমন বলছেন তাঁদের কাছে ‘বিনীত আবেদন’ জানিয়ে শ্রীলেখা বলেছেন মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।

শ্রীলেখা মিত্র ব্রিগেড থেকে সকলের উদ্দেশে বলেন, “আজ এখানে যে এত মানুষ এসেছেন, এত মানুষের ভিড়, মনে রাখবেন ব্যালট পেপারে যেন ভোটটা ঠিক জায়গায় পড়ে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। বিকল্প একটাই।”

ব্রিগেড থেকে ফিরে তিনি তাঁর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ভাগ করে নেন নিজের কিছু ছবি। সেই ছবি ও ক্যাপশন জিতে নিয়েছে বহু মানুষের মন। তিনি লেখেন, “এটা প্রথম, তবে শেষ দেখেই ছাড়বো।” তাঁর ছবির ক্যাপশন দেখে সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারছেন তিনি যে লড়াই শুরু করেছেন, সেটা চালিয়ে যাবেন।

ব্রিগেডের পথ ধরার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। ব্রিগেডের পথ ধরার জন্য নখে বিশেষ নেল পেন্টিংও করেছেন তিনি। সেখানে কাস্তে-হাতুড়ি এঁকে লাল-শিবিরের প্রতি তাঁর আনুগত্য বুঝিয়েছেন শ্রীলেখা। অন্য একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাতে লাল-ঝান্ডা ধরে রেখেছেন তিনি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More