নন্দীগ্রাম বারোমাস! ৮৬টি সরস্বতী পুজোর কমিটিতে, দিনভর মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরলেন শুভেন্দু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাতায় কলমে তিনি এখন আর নন্দীগ্রামের বিধায়ক নন। বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু বালুমাটির নন্দীগ্রামের সঙ্গে শিকড়ে বাকড়ে লতায় পাতায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়েই থাকলেন শুভেন্দু অধিকারী।

মঙ্গলবার, মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমীতে নন্দীগ্রামে গুনে গুনে প্রায় ৮৬টি পুজো মণ্ডপে ঘুরলেন শুভেন্দু। কোথাও সকালে অঞ্জলি দিলেন, কোথাও হাজির থাকলেন আরতির সময়ে, কোথাও বা শীতবস্ত্র, গৃহস্থালির জিনিসপত্র দান ধ্যানে মঞ্চে উজ্জ্বল থাকলেন সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক।

শারদ উৎসবে পুজো উদ্বোধনে হাইকোর্টের বারণ ছিল। তখন মণ্ডপে গেলেও ফিতে কাটেননি। যে যে কমিটি তাঁকে ডেকেছিল সব মণ্ডপের সামনে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন। কালীপুজোতেও তাই করেছেন। তমলুক, কাঁথি, পাণ্ডুয়া থেকে কলকাতার বাগুইআটি পর্যন্ত তিনি ছুটছেন। তখনও তিনি ছিলেন শাসক দলে।

https://www.facebook.com/SuvenduWB/videos/134506311867971

কিন্তু সেই সময় আর আজ শুক্লা পঞ্চমীর মাঝে ফারাক বিস্তর। তিনি এখন রাজ্য বিজেপির অন্যতম নেতা। তাঁর পরিচয় দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলছেন, তিনি দলে আসায় উদ্দীপনা বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ!

এ বার বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে শুভেন্দুকেই চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন তিনি। তবে মঙ্গলবার যে ছবি দেখা গেল, তাতে আরও একবার যেন সেই কথাটাই ঘুরে ফিরে এলো—শুভেন্দুর তো নন্দীগ্রাম বারোমাস!

নন্দীগ্রামের সঙ্গে শুভেন্দুর সারা বছর যোগাযোগ রয়েছে। শহিদ পরিবারের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া, পোশাক বিতরণ, বিয়ে দেওয়া, সেলাই মেশিন কিনে দেওয়া– এসব সারা বছরের রুটিন। দেখা গিয়েছে বেশির ভাগ শহিদ পরিবার শুভেন্দুর মঞ্চে ছিলেন ১৯ জানুয়ারি।

অনেকে বলছেন, নন্দীগ্রামই এবার বিধানসভার ব্যাটল গ্রাউন্ড। যা না তৃণমূল-বিজেপি লড়াই তার চেয়ে বেশি মমতা-শুভেন্দুর।

বলাবাহুল্য সরস্বতী পুজোয় নন্দীগ্রামে ফাঁকা মাঠ ছিল শুভেন্দুর সামনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাননি। সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এমনকি অখিল গিরিকেও দেখা যায়নি না সেখানে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More