সৌমিত্রর ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, ডায়ালিসিসের পরেও সংকট কাটেনি এতটুকু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম দফার ডায়ালিসিস সফল হওয়ার পরে নিয়ন্ত্রণে এসেছে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা। কিন্তু তা হলেও শারীরিক সংকট যে কেটেছে, তা বলা যাচ্ছে না মোটেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পুরোপুরি ভেন্টিলেশন সাপোর্টেই আছেন প্রবীণ অভিনেতা। সামান্য বাড়ানো হয়েছে ভেন্টিলেশন নির্ভরতা। স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই নীচে রয়েছে তাঁর তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব।

রেনাল ফাংশানের উন্নতির জন্য গতকাল ডায়ালিসিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। প্রথম দফায় ২-৩টি এপিসোডের ডায়ালিসিস করা হবে বলে বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। প্রথমটি সফল হয়েছে। রক্তচাপে কোনও সমস্যা হয়নি। বেশিরভাগ প্যারামিটারই স্বাভাবিক রয়েছে।

আজ, বৃহস্পতিবার সকালে জানা গেছে, সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী ডায়ালিসিস হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা। গত কয়েক দিন ধরেই কাজ করছে না অভিনেতার কিডনি। কিন্তু ডায়ালিসিসের ধকল তিনি কতটা নিতে পারবেন, তা বুঝতে কথা বলা হবে কিডনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও।

কিডনির পাশাপাশি সৌমিত্রর মস্তিষ্কের বৈকল্যও এখই রয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় তিনি কোনও রকম সাড়া দেননি চিকিৎসায়। তবে নতুন করে বড় কোনও অবনতিও হয়নি বৃদ্ধ অভিনেতার। হার্ট স্বাভাবিক রাখার ওষুধ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া এখনও একই সমস্যায় আছে ফুসফুসের বেড়ে চলা সংক্রমণ। তা নতুন করে আরও কতটা বেড়েছে, শরীরের অন্য কোথাও কোনও নতুন সংক্রমণ দেখা দিয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছেন চিকিৎসকরা।

বেলভিউর তরফে চিকিত্‍সক অরিন্দম কর বলেছেন, সৌমিত্রবাবুকে যে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছিল তার মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। তাঁর কথায় কঠিন লড়াই করছেন সৌমিত্রবাবু। চিকিত্‍সকরাও তাঁদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

করোনামুক্ত হওয়ার পর বেশ খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন সৌমিত্রবাবু। তাঁকে হাঁটানোর চেষ্টাও করা হয়েছিল। কিন্তু স্নায়ুর সমস্যা থেকে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল দিকে চলে যায়।

চিকিৎসকদের কথায়, সবরকম উৎকৃষ্ট মানের চিকিৎসা চলছে অভিনেতার। কিন্তু অবস্থার উন্নতি যে হয়েছে, এখনই তা বলা যাচ্ছে না। আশাহত হওয়ারও কোনও জায়গা নেই।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More