নিষ্পাপ ফুলের মতো নায়িকা নন্দিনী মালিয়া, ঝরে গেছিলেন অকালেই

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

‘আমার হাত ধরে তুমি নিয়ে চলো সখা, আমি যে পথ চিনি না ‘ …

‘ছুটি’ ছবির সেই নবাগতা নায়িকার অপাপবিদ্ধা মুখ আজও ভোলেনি বাঙালি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই নায়িকা বিস্মৃতির আড়ালে। তাঁর কোনও জীবনী লেখা হয়নি। বেঁচে থাকতেও পাননি তিনি প্রাপ্য সম্মান। তিনি নন্দিনী মালিয়া। প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই গান দিয়েই ওই সময়ের সব দর্শকের মনে রয়ে গেছেন নন্দিনী মালিয়া। কিন্তু ‘ছুটি’ ছবির নায়িকার জীবনের ছুটি বড় তাড়াতাড়ি হয়ে গেছিল, যা মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর ছিল। মাত্র সাতচল্লিশ বছরের জীবনে পঁয়ত্রিশ বছরই অভিনয় করেছেন। কিন্তু ছবির সংখ্যা একশোও পেরোয়নি তাঁর।

নিষ্পার ফুলের মতো মুখের প্রয়োজন ছিল অরুন্ধতী দেবীর

নন্দিনী মালিয়ার জন্ম ১৯৫২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায়। নন্দিনীর নাম যেমন সুন্দর তেমনি ছিল ফুলের মতো নিষ্পাপ মুখ। নন্দিনী মালিয়াকে আবিষ্কার করেন প্রতিভাময়ী নায়িকা-পরিচালিকা অরুন্ধতী দেবী। বিমল করের ‘খড়কুটো’ অবলম্বনে ‘ছুটি’ ছবি পরিচালনা করতে গিয়ে নতুন মুখ খুঁজছিলেন অরুন্ধতী দেবী। ইনোসেন্ট মুখের প্রয়োজন ছিল তাঁর। ‘ছুটি’ ছিল অরুন্ধতী দেবীর প্রথম পরিচালিত ছবি। তখন নন্দিনী কিশোরী। তাঁকে ‘ছুটি’ ছবির নায়িকা হিসেবে নির্বাচন করেন অরুন্ধতী। নন্দিনীকে কাস্ট করা হয় নায়ক মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের বিপরীতে, যিনি সঙ্গীতশিল্পী মিস জোজোর বাবা।
এক অসুস্থ মেয়ের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে সবার মন জিতে নেন নন্দিনী মালিয়া। নিখুঁত শিল্পসুষমামণ্ডিত ‘ছুটি’ (১৯৬৭) ছবিটি রাষ্ট্রপতি পুরস্কারও পেয়েছিল।

সঙ্গে এই ছবির অনবদ্য গান আজও ভুলতে পারেনি বাংলা ছবির দর্শক। প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিষ্পাপ কণ্ঠ যথার্থ রূপ পেয়েছিল নন্দিনীর মুখশ্রীতে, যে জন্য ‘ছুটি’ দুঃখের ছবি আজও মনকে নাড়িয়ে দেয় আমাদের।

কুড়ানিকে মাল্যদান

‘ছুটি’ ছবির পর আর নন্দিনী মালিয়াকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। অরুন্ধতী দেবীর হাত ধরে প্রথম সারির নায়িকার রোলে উঠে এলেন নন্দিনী মালিয়া। কিন্তু ‘ছুটি’র সেই অসুস্থার ভূমিকায় নন্দিনী যেন অসুস্থর রোলের ফাঁদেই পড়ে গেলেন টালিগঞ্জ পাড়ায়। অলিখিত নিয়মেই যাঁর যে রোলে হিট বেশি হয়, তাঁকে সেই রোলই টলিউডে দেওয়া হয়। এর থেকে নন্দিনীও বেরোতে পারলেন না।

কিন্তু নন্দিনী ছিলেন তখন বাংলা ছবিতে মুক্ত দখিনা হাওয়া। সুন্দর মুখ, সুন্দর হাসির জয় সর্বত্র। তাই নন্দিনী মালিয়ার স্নিগ্ধ রূপ ও অভিনয়ের প্রশংসা সবার মুখেমুখে ফিরতে লাগল। প্রচুর ছবিও আসতে থাকল নন্দিনীর হাতে। নন্দিনী কিন্তু আকাশবাণীর বহু নাটকে অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তর সঙ্গে কাজ করেছেন। আবার পেশাদার থিয়েটারেও অভিনয় করেছেন তিনি।

এর পরে তরুণ মজুমদারের ‘নিমন্ত্রণ’ ছবিতে অতিথি শিল্পীর চরিত্রে নন্দিনী মালিয়া সুযোগ পান। ছোট্ট রোল, কিন্তু ভোলা যায় না। মনে পড়ে সেই দৃশ্যটা, পিকনিক স্পটে উঁচু টিলায় বসে নন্দিনী মালিয়ার লিপে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবিস্মরণীয় গান, ‘দূরে কোথাও দূরে দূরে’। সন্ধ্যা রায় অভিনীত ছবিতে ছোট্ট উপস্থিতিতেই নন্দিনী যে কতটা জাত অভিনেত্রী, তা বোঝা যায়।

প্রথমদিকে নন্দিনীর কেরিয়ারে ভাল ভাল পরিচালকের ছবি আছে। এর পরে অজয় করের ‘মাল্যদান’ ছবিতে কুড়ানি নায়িকা চরিত্রে আইকনিক হয়ে আছেন নন্দিনী। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের পাশেও নন্দিনীর উপস্থিতি উজ্জ্বল। অজয় করের ‘মাল্যদান’ সেরা আঞ্চলিক বাংলা ছবির রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেয়েছিল এবং প্রশংসিত হয়েছিল নন্দিনীর অভিনয়।

তবে এখানেও রুগ্না চরিত্রে নন্দিনী। সত্যি সে কুড়ানি, মৃত্যুশয্যায় স্বামীর সিঁদুর পাচ্ছে। সৌমিত্র-নন্দিনী জুটি নিয়ে সেই বছরেই, ১৯৭১ সালে ‘সংসার’ ছবি বানালেন সলিল সেন। এর পর ‘বিসর্জন’ এবং ‘ছন্দপতন’ দুটি উল্লেখযোগ্য ছবিতে নন্দিনীই নায়িকা। দুটি ছবিই বেশ হিট করেছিল।

ভালবাসার সমর্পিতা নন্দিনী

নন্দিনীকে দুখিণীর রোল থেকে কিছু সময় হলেও মুক্তি দিয়েছিল ‘সমর্পিতা’ ছবিটি।

“এইদিন যেন প্রতিদিন
ফিরে ফিরে আসে বারেবার
এই ক্ষণ যেন চিরকাল ছুঁয়ে থাকে মনটা তোমার।”

অরুন্ধতী হোমচৌধুরীর কণ্ঠে প্রাণবন্ত নন্দিনীর লিপে এ গান যেন পাহাড়ের ঝরনাধারার মতো প্রাণোচ্ছল। সমর্পিতা ছবির নায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী জানাচ্ছেন, “সমর্পিতা আমার একটা অন্যধারার ছবি সেই সময়ে দাঁড়িয়ে। আমি, নন্দিনী, আলপনা (গোস্বামী), সঙ্ঘমিত্রা (ব্যানার্জী), রবিদা (ঘোষ) সবাই আউটডোরে গিয়ে চুটিয়ে মজা করে অভিনয় করেছিলাম। ছবিটা তখন সিনেমা হলে সেভাবে চলেনি। কিন্তু ছবিটা যখন রোববারের বাংলাছবিতে টিভিতে দিল, ভীষণ চলল। ‘সমর্পিতা’ টেলিভিশনে ব্যাপক হিট করে। আমার মারদাঙ্গার ছবির বাইরে অন্যরকম আলতো প্রেমের ছবি। কাজ করেও ভাল লেগেছিল। টিভিতে দেখে প্রচুর দর্শক ছবির, অভিনয়ের প্রশংসা করেছিল।”

আলপনা গোস্বামী, সঙ্ঘমিত্রা ব্যানার্জী এবং নন্দিনী মালিয়া এই ছবি থেকেই তিন জনে ভীষণ বন্ধু হয়ে ওঠেন। যে বন্ধুত্ব ওঁদের শেষ দিন অবধি ছিল। নন্দিনী, সঙ্ঘমিত্রা দুজনেই অকাল প্রয়াতা।

একটা সময়ের পরে নন্দিনীর হাতে কোনও ছবি ছিল না

এই সমস্ত ভাল ছবি পাচ্ছিলেন আশির দশকের মাঝামাঝি অবধি নন্দিনী। কিন্তু একটা সময় পরে নন্দিনীর হাতে কোনও ছবি ছিল না। যেসব পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে উঠেছিলেন নন্দিনী, তাঁদের কারও মৃত্যু হয়, কেউ কেউ ছবি করা ছেড়ে দেন। নতুন পরিচালকরাও নন্দিনীকে ভাবছিলেন না আর।

যেমন ওই সময় অঞ্জন চৌধুরী, বীরেশ চ্যাটার্জী বা প্রভাত রায়রা কেউই নেননি তাঁদের ছবিতে নন্দিনীকে। এইসময় ‘রঙ্গনা’, ‘রঙমহল’, ‘সারকারিনা’র হয়ে পেশাদার মঞ্চে থিয়েটার করেছেন নন্দিনী। কিন্তু ছবিতে নায়িকার রোলে তাঁকে আর কাস্ট করা হচ্ছিল না। কেবল অসুস্থার কোনও চরিত্র থাকলেই ওঁকে ডাকা হত তখনও, কিন্তু সেও বিরল। অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন নন্দিনী খানিকটা।

সংসার জীবনেও নন্দিনী একজন সিঙ্গেল মাদার। স্বামীর সঙ্গে একত্রে সংসার করা খুব বেশিদিন হয়নি। দক্ষিণ কলকাতার ফ্ল্যাটে মা নন্দিনী আর মেয়ে অনন্যা (ডাক নাম গুড়িয়া) থাকতেন। প্র্যাট মেমোরিয়াল স্কুলে মেয়ে অনন্যাকে পড়িয়েছিলেন নন্দিনী। নন্দিনী মালিয়ার আরও একটা নেশা ছিল ফোটোগ্রাফি। বড় চমৎকার ছবি তুলতেন। নিজের একটি স্টুডিও ছিল। আবার সেসময় সব ছবি তোলার স্টুডিওতে আলো করে থাকত নন্দিনীর ছবি। নন্দিনীর মুখশ্রীর একটা ভ্যালু চিরকাল ছিল।

নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন রূপে নন্দিনীকে নিয়ে এলেন স্বপন সাহা

কিন্তু নন্দিনীর জীবনে বদল আনলেন স্বপন সাহা। মায়ের রোলে নতুন রূপে বাংলা ছবিতে কামব্যাক করলেন নন্দিনী। ছবি না থাকলে টাকাও থাকে না। সেই দিকটারও সুরাহা হল এবং স্বপন সাহার পরপর সব সুপারহিট ছবিতে তখন প্রসেনজিৎ, অভিষেক চ্যাটার্জীর মায়ের রোল করছেন নন্দিনী। বাংলাদেশের রাজ্জাকের স্ত্রীয়ের রোলে ‘বাবা কেন চাকর’ সুপার ডুপার হিট স্বপন সাহার ছবিতে দাপিয়ে অভিনয় করেছেন নন্দিনী।

এর পর স্বপন সাহাই নন্দিনীর ভাগ্য ফিরিয়ে দিলেন এবং নতুন ঘরানার ছবিতে নতুন রূপে নন্দিনী মালিয়াকে নিয়ে এলেন স্বপন সাহা। ‘সন্তান যখন শত্রু’, ‘কমলার বনবাস’, ‘মধু মালতী’, ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘কাঞ্চনমালা’– পরপর ছবিতে নন্দিনী। সৌমিত্র-নন্দিনী জুটি এসব ছবিতেও কাজ করেছেন তখন।

তবে টাকা অনেক এলেও সেই আগেকার মানের ছবি কিন্তু নন্দিনী পেলেন না, যে সব ছবি ওঁর কেরিয়ারের শুরুতে করেছিলেন।

জননী বেণুদির সেজ বৌমা নন্দিনী

ইতিমধ্যে নন্দিনী মালিয়াকে মেগা সিরিয়ালে নিয়ে এলেন বিষ্ণু পালচৌধুরী। প্রথম মেগা ‘জননী’-তে সুপ্রিয়া দেবীর সেজো বৌমার চরিত্রে নন্দিনী মালিয়া। নন্দিনীর বিপরীতে ছিলেন শিলাদিত্য পত্রনবীশ। তিনিও অকালে প্রয়াত। ‘জননী’তেও নন্দিনী খুব নাম করেছিলেন। তবে ওই অসুস্থ রোগভোগের চরিত্র ওঁর পিছু ছাড়েনি। ‘জননী’তেও সেজো বৌমা নন্দিনীর ছেলের ব্লাড ক্যানসার। এক বিষণ্ণ চিন্তাগ্রস্ত মায়ের রোল অসম্ভব ভাল ফুটিয়ে তুলেছিলেন নন্দিনী। রূপা গাঙ্গুলি অভিনীত ‘দ্রৌপদী’ সিরিয়ালেও নন্দিনী মালিয়া কুন্তীর ভূমিকায় স্নিগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন।

অন্যদিকে স্বপন সাহার ছবিও চুটিয়ে করছেন নন্দিনী। কিন্তু এই নাম-যশ নতুনভাবে পাওয়া অধ্যায়টা নন্দিনী বেশি দিন যাপন করতে পারলেন না। ‘ছুটি’ হয়ে গেল নন্দিনীর জীবন থেকে।

তখন ‘জননী’ করে সবার ঘরেঘরে নন্দিনী বঙ্গজীবনে রোজকার চেনা মুখ। ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, আচমকা দুঃসংবাদ এল। নন্দিনী মালিয়া নেই।

“মিটিয়ে দেব সকল খোঁজা, সকল বোঝা,
ভোরবেলাকার একলা পথে চলব সোজা–
তোমার আলোয় ডুবিয়ে নেব সজাগ আঁখি॥
নাই নাই নাই যে বাকি, সময় আমার–
শেষের প্রহর পূর্ণ করে দেবে না কি॥”

পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন নন্দিনী মালিয়া। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভোরের দিকে মৃত্যু হয় তাঁর। অনেক কাজ করলেও অবসাদ যেন কোথাও ওঁর মনে ফুটে উঠত। অকালেই মাতৃহারা হল নন্দিনীর একমাত্র মেয়ে গুড়িয়া। নন্দিনীর শেষ ছবি স্বপন সাহার ‘গরীবের সম্মান’।

‘নন্দিনী মালিয়া জুন মালিয়ার মা!’

সে সময়ে জুন মালিয়া ছিলেন উঠতি অভিনেত্রী। বাঙালি দর্শক কেন যেন গুজব রটিয়েছিল, নন্দিনী মালিয়ার মেয়ে জুন মালিয়া। জুন যদিও মাল্য লেখেন। কিন্তু সে সময়ে বেশ জোর রটনা ছিল এটি। নন্দিনী মালিয়া মারা গিয়ে সেদিন এই রটনার নিষ্পত্তি করে গেলেন, জুন মালিয়া তাঁর মেয়ে নয়। কোনও যোগসূত্রই নেই।

টালিগঞ্জ পাড়ায় বহু অভিনেত্রী এসছিলেন, যাঁরা অভিনয় না পারলেও রূপের জোরে, প্রযোজকের জোরে জায়গা করে নেন। কিন্তু নন্দিনী স্নিগ্ধ রূপ আর অভিনয় দুটোর জোরেই টলিউডে আসেন। অথচ এমন একটি প্রতিভাময়ী ট্যালেন্ট উপযুক্ত ব্যবহার করেননি টলিউড পরিচালকরা। নন্দিনী মালিয়া মানেই যেন ছিল তখন শুধু অসুস্থ চরিত্র আর রোগভোগের দুঃখের কাহিনি। নন্দিনী নিজেও কিছুটা বেছে পরের দিকে ছবি করেননি। টাকাটাও বড় ব্যাপার, এক সিঙ্গল মায়ের লড়াই ছিল ওঁর জীবন। মাত্র সাতচল্লিশ বছর বয়সে বাংলাছবির হাসনুহানা ফুল নন্দিনী ঝরে গেল।

গীতা দে থেকে সঙ্ঘমিত্রা ব্যানার্জী, অর্পিতা বেকার, বাসবী নন্দী– অনেকেই উপস্থিত ছিলেন নন্দিনীর শেষযাত্রায়। তবে খুব বেশি স্টার কেউ আসেননি। নন্দিনী কিন্তু কাজ করতে করতেই মারা যান, ওঁর মৃত্যু ছিল আকস্মিক দুঃসবাদ। নন্দিনীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে এসে গীতা দে দূরদর্শনের সামনে বলেছিলেন, “নন্দিনী আমার মেয়ের মতো ছিল, আমি বেঁচে থাকতে ও কেন আগে চলে গেল!”

কুড়ি বছর পর এখনকার বাংলাছবির জগৎ আর মনে রাখেনি এই নন্দিনী মালিয়াকে। তবু দর্শক মহলে নন্দিনীর সেই নিষ্পাপ মুখ আজও জীবিত। নন্দিনী মালিয়া বকুল ফুলের মতো ঝরে গিয়ে যেন বলে গেলেন,

“আমার জীবন নদীর ওপারে, এসে দাঁড়ায়ো দাঁড়ায়ো বঁধু হে
আমি তরীটি বাহিয়া আসবো, তুমি চরণখানি বাড়ায়ো হে।
দিনের আলোটি নিভে যাবে, আঁধার আসিবে ঘিরে
তুমি নয়নের কোনে সোহাগের দীপ জ্বালিয়া রেখ হে ধীরে
আমি আপনা হারায়ে নিজে হারা, তুমি এতটুকু হারায়ো হারায়ো বঁধু হে।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More