কারও প্রথম সোনাগাছিতে পা, কারও বা আজীবনের আফশোস! বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর স্মৃতিচারণায় চার নায়িকা

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত শুধু একজন পরিচালক নন, তিনি ছিলেন কবিও। তাই হয়তো কবির চোখ দিয়েই সিনেমা বানাতেন তিনি। তাঁর ছবিগুলোও তাই কবিতার মতো।

সেই কবি পরিচালক একদিন ঢুকছেন তাঁর নিজের বাড়িতে, দরজা খুলতেই ঘরের ভিতরটা অন্ধকার থেকে আলোয় ভরা খেলার মাঠ হয়ে গেল, সেখানে সবুজ ঘাসের উপর দাঁড়িয়ে আছে তাঁর ছেলেবেলার বন্ধুরা। ঘাসের ভিতর থেকে লাল পোকা বার করে তাঁরা খেলতে শুরু করলেন।

আবার লাইট জ্বলতেই বাস্তব ফিরে এল ঘরে। এমন ছকভাঙা ভাবনায় তিনি হেঁটেছেন বারবার। তাঁর ছেলেবেলা কেটেছিল পুরুলিয়ায়, তাই ছবির শ্যুট করতে বারবার ফিরে গেছেন পুরুলিয়ার মাঠে-প্রান্তরে। সিনেমার ব্যাকরণগত ভাষা তিনি মানতে চাননি। এভাবেই যেন তাঁর ছবিতে ম্যাজিক রিয়্যালিজম এসেছে বারবার। তেমনি তাঁর ছবিতে অভিনেত্রীদের নবকলেবরে মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ীতে রূপান্তরিত করেছেন তিনি।

দীর্ঘ রোগভোগের পর ‘উড়োজাহাজে’ চড়ে অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। চিরদিনের জন্য। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের স্মৃতিতর্পণে তাঁর ছবির চার শ্রেষ্ঠ নায়িকা।

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর প্রথম ফিচার ফিল্মের নায়িকা আমি: মমতা শংকর

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর প্রথম ফিচার ফিল্ম ‘দূরত্ব’র মেন লিডে আমি ছিলাম। বলা ভাল, আমার সৌভাগ্য হয়েছিল থাকার। তার আগে আমি একটাই ছবি করেছিলাম, মৃণাল সেনের সঙ্গে। ‘মৃগয়া’। মৃণালদার ‘মৃগয়া’ দেখেই আমাকে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত ‘দূরত্ব’তে কাস্ট করেন। তার পরের ছবি ‘গৃহযুদ্ধ’তেও উনি আমায় নিলেন। আমার অভিনীত প্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে  ‘গৃহযুদ্ধ’ অবশ্যই একটি।

আজ ওঁর চলে যাওয়ার খবর শুনে এত খারাপ লাগছে। এতদিনকার একটা জানাশোনা। এই গত দুবছরে যে কত প্রিয়জনকে হারালাম। আমার মা-ও চলে গেলেন। মনে হচ্ছে কার দিকে তাকাব! মাথার ওপরটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।

‘দূরত্ব’ ওই সময়ের খুব সাহসী একটা ছবি। সেই সাহসটা উনি প্রথম ফিচার ফিল্মেই দেখাতে পেরেছিলেন। ‘গৃহযুদ্ধ’তেও কাজ করে খুব ভাল লেগেছিল। আমি তো বলব আমি ভাগ্যবতী, দুটো এত শক্তিশালী চরিত্র করার আমি সুযোগ পেয়েছি। চরিত্রদুটোর সঙ্গে আমি নিজেকে ভীষণ রিলেট করতে পারতাম। যখন একা বসে থাকি আজকাল, তখনও মনে পড়ে এই চরিত্র দুটো।

তখন আমার কতই বা বয়স, একুশ কি বাইশ! অথচ ওমন দুটি কঠিন চরিত্র করছি। এটা তো বলব ওঁর কৃতিত্ব, উনি আমাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নিয়েছিলেন। ‘মৃগয়া’, ‘দূরত্ব’, ‘গৃহযুদ্ধ’ পরপর করেছিলাম। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত– তিনজনের ছবিতেই কাজ করেছি। কিন্তু তিনজনের পরিচালনার স্টাইল আলাদা। তিনজন তিনভাবে আমার সেরাটা বার করে নিয়েছেন।

আমার সারাজীবনের আফশোস ‘উত্তরা’ না হতে পারা: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

“বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত মানে আন্তর্জাতিক ভাবে সিনেমার পরিচয় পাওয়া। আমার কাকু ডাক্তার। আমি যখন খুব ছোট ছিলাম তখন আমার কাকু আমায় ‘গৃহযুদ্ধ’ ছবির সঙ্গে পরিচয় করিয়েছিলেন। ‘গৃহযুদ্ধ’ আমার কাছে একটা বিস্ময় ছিল। তখন আমি খুব ছোট ছিলাম তাই ছবির অর্থ সব হয়তো বুঝতে পারিনি, কিন্তু ভাল ছবির সঙ্গে পরিচয় ‘গৃহযুদ্ধ’ দিয়েই। কে জানত সেই পরিচালকের সঙ্গেই কাজ করার সৌভাগ্য হবে আমার! পরে আবার ‘গৃহযুদ্ধ’  দেখে মূল্যায়ন করতে পারি। মমতা শংকর, অঞ্জন দত্ত এবং গৌতম ঘোষের অভিনয় দেখে অবাক হয়েছিলাম।

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ছবিগুলি ফিল্ম স্টাডিজে টেক্সট বুকের মতো। আমার নিজের পছন্দের বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ছবি হল ‘বাঘ বাহাদুর’, ‘চরাচর’, ‘গৃহযুদ্ধ’, ‘তাহাদের কথা’।

তারপর আমায় বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর মতো আন্তর্জাতিক মানের পরিচালক ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ ছবিটা অফার করেছিলেন। সেটা আমি কতটা পেরেছি জানি না। কিন্তু উনি আমার উপর আস্থা রেখেছিলেন। স্মরণীয় হয়ে থাকবে আমার কাছে। উনি বলেছিলেন, এই চরিত্রটা আমিই করতে পারব। একজন পতিতা এবং মা– এমন একটা বলিষ্ঠ চরিত্র করার বয়স বা বোধ কোনওটাই আমার ছিল না। তবু উনি আমায় বিশ্বাস করেছিলেন। কঠিন নিয়মে আমাদের গড়ে তোলেন উনি। মনে আছে, ভোরবেলা শ্যুট থাকত। কিন্তু ম্যাজিক লাইটটা না পেলে উনি শ্যুট অফ করে দিতেন। তখন আমরা হতাশ হয়ে পড়তাম। পরে বুঝেছি, উনি কী সুন্দর প্রকৃতি ও আলোর রূপের খেলা আঁকতেন ক্যামেরা দিয়ে।

‘মন্দমেয়ের উপাখ্যান’ সেরা ছবির জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল।

আমার দুর্ভাগ্য যে উনি আমাকে ‘উত্তরা’ র চরিত্রে ভেবেছিলেন, কিন্তু আমি কাজটা করতে পারিনি। বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আমার বাবাকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন আমি যেন ‘উত্তরা’ ছবিটা করি। কিন্তু তখন আমার এতগুলো ছবির কাজ চলছিল, যে আমি ‘উত্তরা’ করতে পারিনি। এজন্য আমার বাবাও আমার উপর খুব অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন।

ওঁনার মেয়ে আমার স্কুলের সহপাঠী ছিল। উনি আমার পুরো নাম ঋতুপর্ণা ধরে ডাকতেন সেটা খুব মনে থাকবে। আসলে সব পরিচালকরা আমায় ঋতু বলে ডাকলেও দুই সিনিয়র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর তরুণ মজুমদার আমায় ঋতুপর্ণা বলে ডাকেন, আর আপনি করে বলেন। বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত বলেছিলেন ‘ঋতুপর্ণা আপনার সঙ্গে আবার একটা ছবি করতে চাই।”

আমার ইন্ট্রোডাকশান ‘উত্তরা’ হয়েই: জয়া শীল ঘোষ

“বুদ্ধদেব দাশগুপ্তকে আমি কাকু বলে ডাকি। কাকুর ছবি ‘উত্তরা’র নামভূমিকায় অভিনয় করেই আমার লাইম লাইটে আসা। কিন্তু তখন আমি সদ্য ফিল্মজগতে এসেছি, কাকুর সঙ্গেই ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভাল  গেছি, কত বড় বড় মঞ্চে দাঁড়িয়েছি। সে যে কত বড় মানুষদের সংসর্গ ছিল, সেটা পরে বুঝেছি। আমার বাবা প্রফুল্ল শীল ছিলেন চণ্ডীমাতা ফিল্মসের ডিস্ট্রিবিউটর। ডিস্ট্রিবিউশানের কাজেই বাবা গৌহাটি গেছিলেন। আমি আদতে গৌহাটির মেয়ে। অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছে ছিল ছোট থেকে, তাই ‘ন্যাশানাল স্কুল অফ ড্রামা’ থেকে পড়াশোনা করে মুম্বইয়ে কাজ করছিলাম।

সেখানেই অনিন্দিতা সর্বাধিকারীর ‘বরখা’ শর্ট ফিল্মে আমি আর আদিল হুসেন অভিনয় করেছিলাম। ছবিটা অস্কারের জন্য গেছিল শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে। ‘বরখা’তেই আমাকে দেখেন কাকু (বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত) এবং আমাকে কলকাতায় ডেকে পাঠান। আমাকে দেখে কাকু বললেন, ‘তুই আমার উত্তরা’। আমি তো শুনে মন্ত্রমুগ্ধ!

ইভনিং ফ্লাইটে বম্বে ফিরে গেলাম। শুটিং শিডিউল পড়লে আবার এলাম। ৩৫ দিন ধরে পুরুলিয়াতে ‘উত্তরা’র শ্যুট করেছিলাম আমরা। আমার মনে আছে, আমি প্রথম দিন থেকেই সবসময়ই হাফ শাড়ি পরে থাকতাম। যেমন ছোট শাড়ি পরত উত্তরা। সেটাতে অভ্যস্ত হবার জন্য পরে থাকতাম। আমার ডেডিকেশানে মুগ্ধ হয়েছিলেন কাকু। আমার না ছিল না কোনও জিনিসে। ঝুড়িতে কাঠ নিয়ে মাথায় করে খালি পায়ে গরম পাথরের উপর দিয়ে হেঁটেছিলাম, পুরুলিয়ার ওই তাতাপোড়া গরমে। শুনেছি অন্যদের কাছ থেকে, কাকু বলতেন যে ‘জয়ার মতো ডেডিকেশান দেখাবে।’ কখনও কোনও জিনিসে ওর অভিযোগ নেই। কাকু বলতেন, ‘জয়া কখনও অভিনয় করে না, ও বিহেভ করে।’

আসলে প্যারালাল ছবিই বেশি টানত আমায়। মৃণাল সেন, শ্যাম বেনেগালদের ছবি। কাকুর সঙ্গে প্রথমেই কাজ করে সেই ধারার ছবির জগতে ঢোকার সুযোগ পেলাম। আমি পরে কিছু কমার্শিয়াল ছবি করেছি, কিন্তু আর্ট ফিল্ম করাতেই আমার আগ্রহ চিরকালই বেশি।

উত্তরায় আমার মেক আপ করেছিলেন বিখ্যাত মেক-আপ আর্টিস্ট দেবী হালদার। তাপসদা (পাল) এবং শঙ্করদা (চক্রবর্তী) দুজনের সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলাম। অসীম দাস অসাধারণ ক্যামেরা করেছিলেন। উত্তরার চরিত্রে ডায়লগ কম, কিন্তু এক্সপ্রেশন বেশি ছিল।

কাকিমা (বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর স্ত্রী) আমাকে বাংলাটা শেখাতেন। কারণ আসামে আমার বড় হওয়া, তারপর মুম্বই। কাকিমা, বুদ্ধদেব কাকুর দুই মেয়ে বাবলি আর শিউলির সঙ্গে আমার খুব সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শিউলি ওরফে অলকানন্দা দাশগুপ্ত এখন বড় মিউজিক ডিরেক্টর।

কাকু পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নিয়ে ‘বাঁশিওয়ালা’ আর ‘হঠাৎ দেখা’ ছোট ছবি করলেন, তাতেও কাজ করতে আমাকে ডাকলেন। ‘আনোয়ার কা আজিব কিসসা’তেও একটা স্পেশাল অ্যাপিয়ারেন্স করি। তখন আমি পাঁচ মাসের প্রেগনেন্ট। তবু কাকুর ছবি বলে করি। আমায় কী ভাবে ব্যবহার করলে সেরাটা বার করা যায়, সেটা একমাত্র কাকুই পারতেন। আমি বিয়ের পর কাজ কম করছি দেখে কাকু খুব রেগে যেতেন। আসলে বিশ্বাস করতেন, জয়া ভাল কাজ করতে পারে। কাল রাতেই আমি ভেনিস ফেস্টিভালে কাকুর সঙ্গে আমার ছবিগুলো দেখছিলাম। কী সমাপতন, আজ সকালেই কাকু চলে গেলেন!

আমার প্রথম সোনাগাছিতে পা মন্দমেয়ের উপাখ্যানের জন্য: সুদীপ্তা চক্রবর্তী

বুদ্ধবাবু অন্য পরিচালকদের মতো অভিনয় করে দেখাতেন না। কী করতে হবে অভিনেতা অভিনেত্রীদের, সেটা উনি কখনওই নিজে করে দেখাতেন না। ছবির দৃশ্যায়নকে উনি বেশি গুরুত্ব দিতেন। হৃধরা যাক আকাশ ওঁর নীল চাই, কিন্তু সেদিন যদি আকাশ ধূসর থাকে তবে উনি শ্যুট করবেন না। সে ক্যামেরার সামনে মিঠুন চক্রবর্তী থাক বা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত থাক। শট নেওয়ার ক্ষেত্রে কখনও ওঁকে কম্প্রোমাইজ করতে দেখিনি।

আমি প্রথম সোনাগাছিতে পা দিয়েছি বুদ্ধবাবুর ‘মন্দমেয়ের উপাখ্যান’ ছবির জন্য। ছবির ওয়ার্কশপ করাতে ঋতুদি, শ্রীলেখা, জুন, আমি– সবাইকে সোনাগাছি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ছবির গল্পটা তো এক পতিতা-কন্যাকে কেন্দ্র করে, যে রোলটা সমতা দাস করে। আর আমরা যারা ওই ছবিতে পেশাদার দেহব্যবসায়ীর রোল করি, আমাদের বাস্তবটা চেনাতে সোনাগাছি নিয়ে যাওয়া হয়। আমাদের এক এক অভিনেত্রীকে এক এক মহিলার ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আমাদের সঙ্গে সহযোগী পরিচালকরা ছিলেন। ছিলেন দুর্বার গোষ্ঠীর সুদীপ্তাদি আর শিখাদি। ওঁরাও একসময় ওখানকারই ব্যবসায়ী ছিলেন, পরে ওখানেই রয়ে গেছেন এবং ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করানো, বাকি মহিলাদের স্বাস্থ্য-কল্যাণ এসব নিয়ে কাজ করেছেন। ওঁদের গাইডেন্সে আমরা সব মহিলাদের ঘরে-ঘরে ঘুরে ওঁদের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ, রিয়্যাকশান এসব অবজার্ভ করতাম। শ্যুটিং হয়েছিল পুরুলিয়াতে। সার্কিট হাউসের মাঠে পুরো সেটটা তৈরি করা হয়।

আমি বুদ্ধবাবুকে ভীষণ ভয় পেতাম। এখন সেটা স্বীকার করতে কোন অসুবিধে নেই। আজ থেকে কুড়ি বছর আগের কথা বলছি, তখন অনেক বয়স কম আমার। এত উচ্চমানের মানুষ বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, আমি যে তাঁর আশপাশে দাঁড়িয়ে আছি, এটাই অনেক আর কী। আমি মুখে রা কাটতাম না।

‘কালপুরুষ’ ছবিতে মিঠুনদার সঙ্গে আমার একটা ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল, আর জানলা দিয়ে লাবণীদি (সরকার) দেখবেন। আমি ভীষণ ঘাবড়ে ছিলাম, কারণ জীবনে প্রথম মিঠুন চক্রবর্তীকে সামনে থেকে দেখছি। তার ওপর অত সাহসী দৃশ্য এবং সেটা বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ছবিতে। সব মিলিয়ে আমি ঘাবড়ে ছিলাম। কিন্তু বুদ্ধবাবু খুব শান্ত হয়ে আমায় দিয়ে কাজটা করিয়ে নেন। উনি আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। কিন্তু আমি ভয় পেতাম ওঁর ব্যক্তিত্ব ও গাম্ভীর্যকে। কারণ ওই সময়ে ভারতবর্ষের সবথেকে বেশি স্বর্ণ কমল যাঁর কাছে ছিল, তিনি বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More