ফাইনালের পথ কঠিন হল রয় কৃষ্ণদের, শেষ সময়ে গোল দিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরাল খালিদের দল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথায় বলে, তীরে এসে তরী ডোবা, একপ্রকার সেটা ঘটল এটিকে-মোহনবাগানের ক্ষেত্রে।

চলতি লেগের প্রথম শেষ চারের সাক্ষাতে খালিদ জামিলের দল একেবারে অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরায়। তাতে স্বপ্ন ভঙ্গ, কারণ এ ম্যাচ জিততে পারলে হাবাসের দলের অনেক ভাল হত। তা হল না, খালিদ জামিলের দল ম্যাচে ১-১ করে দিল বলে।

অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটে মাচাডোর পাস থেকে দারুণ গোল করে সিলা সমতা ফেরানোর গোল করলেন। তাতে মঙ্গলবার এটিকে-মোহনবাগানের পথ কঠিন হল। সে ম্যাচে জিততে হবে হাবাসের দলকে, আর কোনও পথ খোলা থাকল না।

শেষ মুহূর্তে রক্ষণে জোর বাড়ানোর জন্য ব্রাজিলীয় মার্সেলিনহোর পরিবর্তে মাঠে এলেন প্রণয় হালদার।

অপরদিকে, খালিদও এ বার ভিপি সুহেরকে তুলে নিয়ে আর এক ভারতীয় স্ট্রাইকার ব্রিটো পিএমকে মাঠে নামিয়ে দিলেন খালিদ।

গোলের খোঁজে জোড়া বদলও করেন খালিদ জামিল। বেঞ্জামিন ল্যাম্বটের বদলে মাঠে এলেন স্ট্রাইকার ইদ্রিসা সিলা। নিম দর্জির পরিবর্তে নামলেন ডিফেন্ডার মাশুর শারিফ। সিলা গোল করে নায়ক বনে গেলেন শেষে।

এটিকে-মোহনবাগানের শুরুটা দারুণ করে। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে গোল করলেন ডেভিড উইলিয়ামস। রয় কৃষ্ণের সঙ্গে জুটিতে গোল করে গেলেন। কৃষ্ণের পাস থেকে সোনার গোল ডেভিডের।

ডেভিড প্রথমে গোল করলে এটিকে-মোহনবাগান হারে না, এমন এক তথ্য সামনে এল। কিন্তু শেষে এ তথ্য মিললেও সবুজ মেরুন সমর্থকদের জন্য এ ড্র হারের সামিল।

শুরু থেকে হাবাসের দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। কৌশল দেখে বোঝা যায়, তারা শুরুতে গোল পেতে মরিয়া।

এটিকে-মোহনবাগান প্রথম একাদশে তিনটি বদল আনে। জাভিকে ফেরানো হয়, প্রবীরকে বসিয়ে শুভাশিসকে আনা হয়।

খালিদের দলও খারাপ খেলেনি, তাদের একটি শট একেবারে বিরতির বাঁশি বাজার আগে পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত খালিদ জামিল। গত ৯ ম্যাচে ৬টি জিতেছে নর্থ-ইস্ট। ড্র করে চারটি ম্যাচে। এ ম্যাচেও অপরাজিত থেকে তারা খেতাবের দিকে পা দিল।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More