প্রেস কনফারেন্সেই নাক দিয়ে রক্ত বের হল বার্সা কোচের, মেসিদের শিবিরে চিন্তার মেঘ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি কি প্রেস কনফারেন্স চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন? তা হলে তাঁর নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল কেন? এই নিয়ে রীতিমতো গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে বার্সেলোনা শিবিরে।

শনিবার সেভিয়ার মাঠে খেলতে নামছে বার্সেলোনা। পয়েন্ট তালিকায় তিনে আছে বার্সেলোনা। ওদিকে চারে থাকলেও দুই পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা সেভিয়ার হাতে বাড়তি একটি ম্যাচ রয়েছে।

এমন অবস্থায় কালকের ম্যাচটি মহাগুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বার্সার জন্য। এ মরসুমে এর আগেই সেভিয়ার সঙ্গে দুবার দেখা হয়েছে তাদের। বার্সেলোনার মাঠে লিগ ম্যাচে ড্র করে এসেছে সেভিয়া। আর কোপা দেল রের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে সেভিয়ার মাঠে ২-০ গোলে হেরে গিয়েছিলেন মেসিরা। সপ্তাহের শুরুতে কাল সেভিয়ার মাঠে খেলে বুধবার ঘরের মাঠে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই কোপা দেল রের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ খেলবে বার্সা।

তার মধ্যেই শুক্রবার খেলার আগেরদিন প্রেস কনফারেন্সে আচমকা বার্সা কোচ রোনাল্ড কোম্যানের নাক দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। সেইসময় হাজির থাকা সাংবাদিকরা অবাক হয়ে যান। বহু সাংবাদিক তাঁকে উঠে যেতে বললেও তিনি ‘ঠিক আছে, নো প্রবলেম-’ জানিয়ে ফের কথা বলতে শুরু করে দেন।

পরে জানা যায়, মেসিদের কোচের এর আগে দুবার হৃদরোগ হয়েছিল। তিনি সেরেও উঠেছিলেন। তাঁকে মাঝেমধ্যেই রক্ত তরল রাখার মেডিসিন খেতে হয়। তা থেকেই এমন বিপত্তি ঘটেছে, জানালেও মিডিয়া প্রতিনিধিদের চিন্তা ছিলই। কারণ এর আগেও এমন ঘটনা কোম্যানের ক্ষেত্রে দুইবারই ঘটেছে।

সামনের দুটি ম্যাচের জন্য কোচ হিসেবে কী ভাবছেন, সেই নিয়ে জবাবে কোম্যান অবশ্য বলেন,‘‘দুটি ভিন্ন খেলা। কাল লিগের খেলা, বুধবার কাপের খেলা। আমাদের দুটি জেতার চেষ্টা করতে হবে। আমরা কাপের খেলার প্রথম লেগের ফলাফল জানি। লিগে বরং আমাদের বর্তমান জয়ের ধারা চালিয়ে যাওয়ারই ইচ্ছা। আমাদের পয়েন্ট জোগাড় করতে হবে এবং শীর্ষে থাকা দলগুলো ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।’’

দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম সপ্তাহেই ছাঁটাইয়ের হুমকি পেয়েছিলেন মেসিদের কোচ। ক্লাবের সভাপতি পদপ্রার্থী ভিক্তর ফন্ত বলেছিলেন, যত ভালই কাজ করুন না কেন কোম্যান, বিজয়ী হলে জাভিকেই কোচ বানাবেন তিনি। এ মরসুমে বার্সেলোনা শিরোপাহীন থাকলে শুধু ফন্ত নয়, অন্য যে–ই সভাপতি হন না কেন, একই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

কোম্যান আপাতত সে চিন্তা ভুলে শনিবারের ম্যাচ নিয়েই চিন্তা করছেন, ‘‘আমি জানি, বার্সেলোনা কোচ হওয়া মানেই সব সময় চাপে থাকা। ম্যাচ না জিতলে কোচের দায় থাকবেই। আমি জানি না কালকের জন্য আমার কী অপেক্ষা করছে, তবে আমি ইতিবাচক ভাবনার মানুষ, সেই পথেই সাফল্যের চেষ্টা করব।’’

 

 

 

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More