ম্যাচ জিতল ধোনির চেন্নাই, হৃদয় জয় নাইটদের, দর্শকহীন ওয়াংখেড়ে মাতল কামিন্সের ব্যাটেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিকেটে কিছু কিছু ম্যাচ রয়েছে, যে ম্যাচগুলিতে হারা-জেতার কোনও ব্যাপার থাকে না। বড় বিষয় হয়ে যায় ক্রিকেটীয় দৃষ্টিকোন। আর সেই কাজে একশোভাগ সফল কেকেআর।

বুধবার তারা হয়তো জেতেনি, কিন্তু হেরেও জিতেছে। আরও ভাল করে বললে সমর্থকদের হৃদয় জিতে নিয়েছেন নাইটরা। চেন্নাইয়ের পাহাড়প্রমাণ ২২০/৩-র জবাবে নাইটরা লড়েই করেছে ২০২।

আহা! কী ক্রিকেট! কী সুন্দর অথচ ভয়ঙ্কর ব্যাটিং রাসেল, কামিন্সদের। এমন ব্যাটিং দেখার জন্য মুম্বইয়ের জহু থেকে বান্দ্রা দিনে ২০ বার আসা-যাওয়া করা যায়। কোনও ক্লান্তিই ক্লান্তি মনে হবে না!

চেন্নাই সুপার কিংস ১৮ রানে হারাল কেকেআর-কে। টানা তিনটি ম্যাচে হার মরগ্যানদের, এটাই হয়তো লেখা থাকবে স্কোরবোর্ডে, কিন্তু এই লেখাই যে সব নয়, তা ম্যাচ শেষে প্যাট কামিন্সের ফিরে আসা দেখলেই পরিষ্কার। হেরেও তিনি বীরের মর্যাদা পেলেন। ৩৪ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিয়েছেন। ইনিংসে রয়েছে ছয়টি ওভার বাউন্ডারি ও চারটি বাউন্ডারি। তিনি অপরাজিত ছিলেন, রানআউট হয়ে যান প্রসিদ্ধ, না হলে শেষ পাঁচ বলে কী হতো বলা মুশকিল। কামিন্সই ট্র্যাজিক নায়ক।

তার আগে দীনেশ কার্তিকও ২৪ বলে ৪০ রান ও আন্দ্রে রাসেলের ২২ বলে ৫৪ রান (ছয়টি ছয় ও তিনটি চার মেরেছেন) কেকেআরকে লড়াইয়ের মঞ্চে অবতির্ণ করেছিল। কিন্তু দীপক চাহার (৪/২৯) ও এনগিডির (৩/২৮) বোলিং পার্থক্য গড়ে দিল দুই দলের মধ্যে। একটা সময় কেকেআরের ৩১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে রাসেল, কার্তিকরাই লড়াইয়ের রসদ দিয়েছেন।

এদিকে তার মধ্যেই চেন্নাই ব্যাটিং ইনিংসে মঈন আলি আউট হওয়ার পর এ দিন চারে ব্যাট করতে নামেন সিএসকে অধিনায়ক এম এস ধোনি। নেমেই সুনীল নারিনের বলে চার মারেন। আইপিএলে নারিনের বলে প্রথম বাউন্ডারি হাঁকালেন মাহি।

এর আগে নারিনের ৬৩ বল খেলেছেন। কিন্তু কখনও বাউন্ডারি মারতে পারেননি। বুধবার নারিনের ৬৪ নম্বর বলে বাউন্ডারি হাঁকালেন তিনি।

শুধু তাই নয়, ফার্স্টবোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে অবলীলায় ছক্কা হাঁকালেন। কলকাতার বিরুদ্ধে ধোনিকে বেশ আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। অল্প সময়ে ক্রিজে থাকলেও ৮ বলে ১৭ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে একটি ছক্কা এবং দু’টি বাউন্ডারি রয়েছে।

যদিও চেন্নাইয়ের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রাজা দলের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড (৪২ বলে ৬৪) ও ফাফ ডু প্লেসি (৬০ বলে ৯৫) করার পরে মঈন ও ধোনি মিলে বাকিটা সারেন। তবে ধোনির চারে ব্যাট করতে নামা দেখে বিশেষজ্ঞরা খুবই খুশি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More