নাইট শিবিরে অশান্তি, দুই মেরুতে কোচ ও অধিনায়ক, মরগ্যানকে সরানোর দাবি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরপর দুই ম্যাচ হেরে কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে অশান্তির কালো মেঘ। সব থেকে বড় বিষয় হল, দলের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যানের সঙ্গে কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের মতান্তর লেগে গিয়েছে। মরগ্যান বাঁদিকে যেতে চাইলে, কোচ বলছেন, ডানদিকে যেতে হবে!

সমস্যা তীব্র হয়েছে গত ম্যাচে বরুণ চক্রবর্তীকে খেলায় ব্যবহার নিয়ে। বরুণ গত ম্যাচে এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের রং বদলে দিয়েছিলেন, কিন্তু তৃতীয় ওভারে তাঁকে আর আনা হয়নি। যে ছন্দে চলছিল, তাতে ব্যাহত হয়েছে। এই নিয়ে বিতর্ক শিবিরে।

অধিনায়ক মরগ্যান বলছেন, বরুণকে আমি পরের দিকের ওভারগুলির জন্য রেখে দিতে চেয়েছিলাম। কারণ শুধু ম্যাক্সওয়েল নয়, আমাকে এবি ডি’ভিলিয়ার্স নিয়ে ভাবতে হচ্ছিল।

কোচ ম্যাককুলাম আবার বলছেন, ওই ওভারে বরুণ যদি আরও উইকেট নিয়ে চলে আসত, তা হলে ডি’ভিলিয়ার্স এসেও সুবিধে করতে পারত না। তাই বরুণকে সরিয়ে অন্যকে বল দেওয়া ভুল ছিল।

আরসিবি ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বিরাট কোহলি এবং রজত পতিদারকে আউট করে দেন বরুণ। কিন্তু তার পরের ওভারে তাঁকে না এনে শাকিবকে নিয়ে আসেন কেকেআর দলনায়ক। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় চলছে। কারণ তার পর আরসিবি তোলে ২০৪, এবং হারতে হয় কেকেআরকে।

ম্যাচ শেষে এই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নাইট অধিনায়ক বলেন, ‘‘আমি যা করেছি ঠিকই, কারণ এবি পরের দিকে এসে আরও মারাত্মক হতে পারত, তাই আমি বরুণকে রেখে দিয়েছিলাম। তারপর সেই কৌশল কাজে আসেনি, সেটা নিয়ে কিছু বলার নেই!’’

কেকেআর হেডস্যার ম্যাককুলাম আবার বলেছেন, আমাদের এই নিয়ে সিদ্ধান্ত পুরোটাই বুমেরাং হয়ে গিয়েছে। কী ভাবল, আর কী হল! তিনি যে দলের নেতাকেই এ ক্ষেত্রে দোষারোপ করেছেন, কারোর বুঝতে অসুবিধে হয়নি।

এদিকে, তার মধ্যেই কেকেআর অধিনায়ক পদ থেকে মরগ্যানকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। গৌতম গম্ভীরের মতো প্রাক্তন নাইট নেতা তো বলেই দিয়েছেন, এত বাজে অধিনায়ক আমি জীবনে দেখিনি। ইনি তো ম্যাচের কৌশলই বোঝে না। মরগ্যানকে সরানো না হলে নাইটদের অবস্থা আরও করুণ হবে।

এমনকি এও শোনা যাচ্ছে কেকেআর শিবিরে আন্দ্রে রাসেলকে ম্যানেজ করতে  ব্যর্থ মরগ্যান। তিনি অধিনায়কের ওপর তুষ্ট নন, অনেকেই চান দীনেশ কার্তিককে ফের দলের নেতা করা হোক।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More