আইসিসি-র ক্যাপ্টেন টুইটার পোলে বিরাটকে টপকে সেরা ইমরান, আনন্দের বাঁধ ভেঙেছে পাকিস্তানে!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইসিসি (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) প্রথম যখন ভিডিওটি পোস্ট করেছিল, সেইসময় তারাও ভাবতে পারেনি এই ঘটনাটি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে। তারা সাধারণভাবেই একটি টুইটার পোল পোস্ট করেছিল। সেখানে বিচার্য হয়, চার নেতার মধ্যে কাদের খেলা অধিনায়ক পরে আরও ভাল হয়েছিল। সেই তালিকায় বাছাই হন চার ক্রিকেটার, তার মধ্যে ইমরান খানসহ ছিলেন বিরাট কোহলি, এবি ডি’ভিলিয়ার্স ও মেগ ল্যানিং।

সেই নিয়ে সেরা নেতার দৌড়ে বিরাট কোহলিকে টেক্কা দিয়ে সেরা ক্যাপ্টেন হয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী দলনেতা ইমরান খান। সব থেকে বড় বিষয়, কোহলিকে হারানোর পরে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর এই গৌরবগাথাকে বড় করে দেখানো হয়েছে। এটি একেবারেই সামান্য একটি টুইটার পোল, যেখানে আইসিসি দেখতে চেয়েছিল কত মানুষ ওই পোলে তাদের মতামত জানাচ্ছেন, বা কত মানুষের কাছে তাদের এই পোস্ট পৌচ্ছেছে।

কিন্তু তাতে ইমরান সামান্য ভোটে জিততেই পাকিস্তানের একটা অংশ ‘পাকিস্তান শকস ইন্ডিয়া’… হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ইমরানের ছবি দিয়ে উল্লাসপ্রকাশ করেছে। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘‘বিরাট কোহলি সেরা ক্রিকেটার হতে পারেন, কিন্তু কিংবদন্তি ইমরান খানের ক্যারিশমাকে স্পর্শ করতে গেলে তাঁকে আরও একবার জন্ম নিতে হবে!’’

অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর দুজনের পারফরম্যান্সের তুলনা করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, কোহলির অধিনায়ক হওয়ার আগে ব্যাট হাতে রান করেছেন ৫১.২৯ গড়ে, অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর তাঁর ৭৩.৮৮ গড় হয়েছে।

ইমরানের অধিনায়কত্ব পাওয়ার আগে ব্যাট হাতে তাঁর গড় ছিল ২৫.৪৩, বল হাতে ২৫.৫৩। অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর পাকিস্তান কিংবদন্তির দুই দিকেই উন্নতি—ব্যাট হাতে গড় বেড়ে হয়েছে ৫২.৩৪, বল হাতে কমে হয়েছে ২০.২৬।

ইমরান ও কোহলির বাইরে অন্য দুজন হলেন অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দলের বর্তমান অধিনায়ক মেগ ল্যানিং ও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান এবি ডি‘ভিলিয়ার্স।

ভোট দিয়েছেন বিশেষত টুইটার ব্যবহারকারীরাই। তাতে কোহলিকে হারিয়ে দিয়েছেন ইমরান। কোহলি ভোট পেয়েছেন ৪৬.২ শতাংশ, আর ইমরান পেয়েছেন ৪৭.৩ শতাংশ। ডি ভিলিয়ার্সের ভোট ৬ শতাংশ আর ল্যানিং পেয়েছেন ০.৫ শতাংশ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More