ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেই অন্ধকারে ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এখনও দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তিতে সই হয়নি। এই বিষয়টি ঝুলে রয়েছে গত বছর থেকেই। ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বিষয়ে টানাপোড়েন চলছে ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের কর্তাব্যক্তিদের। ক্লাব কর্তারা মনে করছেন, চুক্তিতে যে শর্ত রয়েছে, সেটিতে যদি সই করে দিই, তা হলে কোনও অধিকার থাকবে না প্রশাসনিক বিষয়ে।

এই নিয়ে দুই পক্ষের তিক্ততা এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে সেই নিয়ে বারবার মুখ খুলতে হয়েছে শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার দুবাইবাসী হরিমোহন বাঙ্গুরকেও। রবিবার তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘‘ইস্টবেঙ্গলের এই যে অবস্থা হয়েছে, তার দায়ভার নিতে হবে কর্তাদের। কারণ একটা কাগজে সই করতে যেখানে এক মিনিটও লাগে না, সেটি দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখার কী মানে আমি বুঝতে পারছি না।’’

তিনি নিজেও জানেন না এই বিষয়টি থেকে কিভাবে বেরনো সম্ভব। ‘‘আমি জানি না ক্লাবের ভবিষ্যৎ কী হবে, কর্তারা কী চান, আমি জানি না। তবে বেশিদিন এটা চলতে পারে না।’’ হুমকিই দিয়ে রাখলেন বিনিয়োগকারী সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর।

হরিমোহন বাঙ্গুর বলেছেন, ‘‘আমরা সমর্থকদের কেন মিথ্যে আশ্বাস দেখাব, আমি তো নিজেই জানি না কী হবে ক্লাবের ভবিষ্যৎ। কর্তাদের এমন গাফিলতি মানা যায় না।’’ কোম্পানির তরফ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হবে কিনা, সেই নিয়ে শীর্ষ আধিকারিক বলেন, ‘‘এখনই তার সময় আসেনি, আমরা অপেক্ষা করছি, তারপর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’’

এই দুই পক্ষের ঝামেলার কারণে দলের দুই বিদেশী আসন্ন মরসুমে অন্য ক্লাবে খেলবেন জানিয়ে দিয়েছেন। দলের মিডফিল্ডার মাট্টি স্টেইনম্যান ও স্ট্রাইকার ব্রাইট এনোবাখারে ইস্টবেঙ্গল থেকে রিলিজ চেয়েছেন। এমনকি দলের স্থানীয় ফুটবলাররাও উপায়ন্তর না দেখে বিনিয়োগকারী সংস্থার কর্তাদের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এটিকে-মোহনবাগানসহ বাকি দল যখন দলগঠনের জন্য ভাবনা শুরু করেছে, সেইসময় লাল হলুদ দলে সেই নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য নেই। কারণ ইনভেস্টর কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তিতে সই না হওয়া পর্যন্ত আরও কোনও অর্থ ক্লাবকে দেওয়া হবে না।

 

 

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More