আইএসএলে কারা হতে পারেন কোচেদের তুরুপের তাস, আলোচনায় বিদেশী থেকে ঘরের ছেলেও

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  ভারতের সব ফুটবলপ্রেমীদের চোখ গোয়ায়। আরব সাগরের তীরে সমুদ্রতটে এতদিন পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যেত। এবার সেই সম্ভাবনা থাকলেও তা হচ্ছে না, কারণ ফাঁকা মাঠে খেলা হবে। থাকবে না কোনও দর্শক। তাই টিভিতেই পিপাসা মেটাতে হবে দেশের ফুটবল জনতাকে।

মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল যোগ দেওয়ায় এবারের আইএসএলের আকর্ষণ শত গুন বেড়েছে। অনেকেই রয়েছেন উঠতি, তাঁরা ভাল খেলা মানে তাঁদের বাজারদরও অনেকটা উপরে উঠবে। আবার যাঁরা ইতিমধ্যেই তারকা, তাঁদের মনে কোনও দলকে নিয়ে রাগ বা অভিমান আছে বলে তাঁরাও ভাল খেলার চেষ্টা করবেন।

মোট ১১টি দল খেলছে, অনেক নামীদামি তারকা, কিছু আবার বাংলার তারকাও রয়েছেন, যাঁদের ভাল খেলার দিকে তাকিয়ে রয়েছে অনেকেই। অনেকে আবার আই লিগে ভাল খেলে এসে এখানেও আলো কাড়বেন, বলাই যায়।

শঙ্কর রায় (এসসি ইস্টবেঙ্গল): ময়দানের প্রতিশ্রুতিমান তারকা। মোহনবাগানে দারুণ খেলেছিলেন, ধারাবাহিকতার সঙ্গে পারফরম্যান্স করেছিলেন। সবুজ মেরুনের আই লিগ জয়ের অন্যতম নায়ক। সেই শঙ্কর রায়কে নিয়েছে লাল হলুদ দল। দলে সেরা গোলকিপার রয়েছেন দেবজিৎ মজুমদার, কিন্তু ব্রিটিশ কোচের ভাবনায় প্রথম নাম শঙ্করের।

তাঁর কিপিংয়ের প্রধান গুণ হল আউটিং, দারুণভাবে বক্সের বাইরে এসে বল বিপদমুক্ত করতে পারেন, শঙ্করের গ্রিপও খুব ভাল।

ফ্রান গঞ্জালেস (বেঙ্গালুরু এফসি): গত মরসুমে ভাল খেলা সত্ত্বেও তাঁকে এবার মোহনবাগান দলে রাখেনি। সেই কারণে সবুজ মেরুনের প্রতি তাঁর রাগ ও অভিমান দুটিই রয়েছে। সেই নিয়ে তিনি জানিয়েছেনও।

স্প্যানিশ ডিফেন্সিভ এই মিডমিল্ডার আই লিগ জয়ী মোহনবাগান দলের অন্যতম প্রাণশক্তি ছিলেন। মাঝমাঠে তো বটেই, পাশে ডিফেন্সেও সমান ভরসা দিতেন দলকে। আই লিগে ১৬ ম্যাচে ১০ গোল ছিল তাঁর। তিনি এবার বেঙ্গালুরু দলের ভরসা। সুনীল ছেত্রীর দলের হয়ে চমক দিতে সদাজাগ্রত।

লালরামচুলোভা (এসসি ইস্টবেঙ্গল): ইস্টবেঙ্গলে এটি চুলোভার দ্বিতীয় ইনিংস। ২০১৮-১৯ আইলিগে লাল-হলুদ জার্সিতে দুরন্ত পারফর্ম করা এই মিজো ফুটবলার গত মরশুমে ছিলেন মোহনবাগানের আইলিগ জয়ী দলের সদস্য। চলতি মরশুমের শুরুতে ফের পুরনো দলে ফিরে আসেন।

তিনি যদিও চোটের আওতায় রয়েছেন, তবে সুস্থ হয়ে গেলে কোচ ফাউলার তাঁকে নামাবেন। চুলোভা মানেই প্রাণবন্ত দৌড়, আর নিখুঁত পাস বাড়ানো। তিনি উইংব্যাক হিসেবে খেলতে ভালবাসেন।

রাহুল কেপি (কেরালা ব্লাস্টার্স): রাহুল কানোলি কেরালা দলের অন্যতম নামী তারকা, তিনি মূলত পরিবর্ত হিসেবে নেমে চমক দেখাতে সিদ্ধহস্ত। আটটি ম্যাচও খেলেছেন গত মরশুমে। বছর কুড়ির এই উইঙ্গারের পারফরম্যান্সে আশ্বস্ত হয়ে তাঁর সঙ্গে ২০২৪ অবধি চুক্তি পুনর্নবীকরণ করেছে তারা। কিবু ভিকুনার দলের এই তরুণ তুর্কি এবারও তুরুপের তাস হতেই পারেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More