চোখের জলে শেষ বিদায় প্রশান্ত ডোরাকে, শোকে ভাঙল পাড়া-প্রথম ক্লাব

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বৈদ্যবাটি: প্রজাতন্ত্র দিবসের দুপুরেই শোকের খবরটা নাড়িয়ে দিয়েছিল ময়দানকে। তিন প্রধানের জার্সি গায়ে ও ভারতীয় দলের হয়ে খেলা গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরার মৃত্যুর খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে জীবনের মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়া প্রশান্ত ডোরার শেষ যাত্রায় শোকে ভেঙে পড়ল তাঁর পাড়া, প্রথম ক্লাব।

 

এদিন প্রশান্তর মৃত্যুর খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান সন্দীপ নন্দী, সংগ্রাম মুখোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চক্রবর্তীর মতো প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও আইএফএ-এর তরফে। সন্ধের পর রাজারহাটের টাটা ক্যানসার হাসপাতাল থেকে প্রশান্তর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দমদম নাগের বাজারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কর্মী আবাসনে। এখন সেখানেই থাকতেন তিনি।

নাগেরবাজার থেকে রাত সওয়া ১০টা নাগাদ প্রশান্তর শববাহী শকট আসে হুগলির বৈদ্যবাটি বিএস পার্ক ক্লাবের মাঠে। গোল পোস্টের নীচে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রথম ক্লাবের কর্তারা। এই মাঠ থেকেই প্রশান্ত ও তাঁর দাদা হেমন্ত ডোরা ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন।

তারপর প্রশান্তর দেহ নিয়ে আসা হয় বৈদ্যবাটি সরকারি আবাসনে। এখানেই তাঁর বড় হওয়া। পাড়ার লালবুড়োর মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়ে এলাকা। প্রবল শীতের রাতেও কয়েকশ মানুষ জড়ো হন প্রশান্তকে শেষ দেখা দেখতে। তারপর বৈদ্যবাটি হাতিশালা ঘাটে প্রশান্তর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

দুরারোগ্য হেমোফাগোসিটিসি লিম্ফহিস্টিওসাইটোসিসে (এইচএলএইচ) আক্রান্ত ছিলেন প্রশান্ত। তাঁর শারীরিক অবস্থা অতি সঙ্কটজনক ছিল গত এক মাস ধরে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৪। তিনি রেখে গেলেন স্ত্রী সৌমি ও এক পুত্রকে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More