বার্সার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুত্র থিয়াগোকে নিয়ে ভোট দিলেন মেসি, কার পক্ষে ভোট, সেই নিয়েই জল্পনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগের রাতেই তিনি ওসাসুনার বিপক্ষে দুরন্ত দুটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন গোলের। তাঁর ঠিকানা লেখা পাস থেকেই গোল করেছেন দুই তারকা।

সেই লিওনেল মেসি বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিতে আসবেন, সেই নিয়ে হইচই হবে না, তা কী হয়? হয়ওনি। মেসি বড় ছেলে থিয়াগোকে নিয়ে ভোট দিতে আসতেই প্রচারমাধ্যমের কৌতূহল বেড়ে যায়, তিনি কাকে ভোট দিলেন, এই নিয়ে শুরু হয়ে যায় জল্পনা।

অনেকেই মনে করছেন, মেসির সমর্থনের ওপর নির্ভর করছে কে বার্সার প্রেসিডেন্টের সিংহাসনে বসবেন। কেননা মেসি পুরো দলকে নিয়ন্ত্রন করেন, তাঁর কথা মতোই চলে বাকি সতীর্থরাও।

গতবার প্রেসিডেন্ট পদে থাকা জোসেফ মারিয়া বার্তোমিউর সঙ্গে দারুণ লেগে গিয়েছিল মেসির। শেষমেশ মেসি বার্সা ছাড়তে পারেননি তাঁর জন্যই। সেই রাগটা রয়েছে বার্সা রাজপুত্রের।

এ জন্য লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা, নতুন দুই প্রার্থী ভিক্তর ফন্ত ও টনি ফ্রেইক্সা। মেসি কার দিকে ঢলে, সেই নিয়েও সমান আলোচনা চলছে। মেসি অবশ্য এদিন পুত্রকে নিয়ে এসে তাঁকে সবটা দেখান কেমন করে ভোট গ্রহণ চলে।

কাঁচে ঢাকা জায়গায় রাখা ব্যালটে নিজের ভোট দিয়েছেন লিও। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কার্লেস তুসকেতস, সভাপতি পদপ্রার্থী হোয়ান লাপোর্তা ও ফন্ত, বার্সেলোনার মিডফিল্ডার রিকি পুচ, সার্জিও বুসকেতস, সের্হি রবার্তো, লেফটব্যাক জর্ডি আলবাসহ অনেকেই।

মেসি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর কি ভাবনা হয়, অথবা ক্লাব তাঁর বিষয়ে কী ভাবছে, সেগুলি নিয়ে আলোচনা করেই বার্সেলোনা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেবেন বিশ্বের এই মুহূর্তে অন্যতম সেরা মহাতারকা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More