আইএসএল ২০২০: প্রথম ম্যাচের আগে বিস্তর চাপে মোহনবাগান কোচ হাবাস

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতে আর সময় নেই বেশি। এবার এক নতুন অভিজ্ঞতা হবে কলকাতার দুই প্রধানের। আইএসএলের সংসারে প্রবেশ ঘটছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের। ঢাকে কাঠি আগেই পড়ে গিয়েছে।

শুক্রবার মারগাওয়ের ফতোরদা স্টেডিয়ামে মোহনবাগান প্রথম মাঠে নামছে, সামনে কিবু ভিকুনার কেরালা ব্লাস্টার্স। একমাস ব্যাপী দেশের একনম্বর লিগ ঘিরে উন্মাদনা থাকবে। কারণ এর আগে কলকাতার দুই প্রধান দল খেলেনি, স্বাভাবিকভাবেই সকলের আগ্রহ ছিল আই লিগ নিয়ে।

সেই প্রেক্ষাপট বদলে যাচ্ছে। এফএসডিএল-র (ফুটবল স্পোর্টস ডেভলপমেন্ট লিমিটেড) দুই সোনার হাঁস হল কলকাতার দুটি নামী দল। টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তা বাড়াতে, আরও আকর্ষণীয় করতে দুটি দলকে নিতেই হতো। আর সেটাই ঘটেছে। ফ্রাঞ্চাইজি দলগুলিকে নিয়ে ব্যবসা জমবে না, সেটি জানতেন রিলায়েন্স কর্তারা। তাই সমর্থকদের আবেগকে কাজে লাগাতে দুটি দলকে নেওয়া মাস্টারস্ট্রোক।

মোহনবাগান আগে এই টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিলেও লাল হলুদ শিবির অবশ্য পরে বাজারে নেমেছে। তারপরেও সবুজ মেরুনের হেডস্যার স্প্যানিশ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস চিন্তায় রয়েছেন দুটি কারণে।

এক, এই অল্প সময়ে দলের মধ্যে সমঝোতা গড়ে ওঠেনি। তিনি চেয়েছিলেন প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলে দলের কম্বিনেশন দেখে নেবেন, তা হয়নি। দ্বিতীয়ত, দলের চোট সমস্যা রয়েছে। কারা চোটের তালিকায় রয়েছেন, সেটি না বললেও কোচ চিন্তিত, তা বলেছেনও।

টুর্নামেন্ট শুরুর তিনদিন আগে হাবাস বলছেন, ‘‘সত্যি বলতে আমি যতটা চেয়েছিলাম, সেরকম সময়ই পেলাম না নিজেদের মধ্যে সমঝোতা গড়ো তোলার। এর কারণ অবশ্য করোনাভাইরাস পরিস্থিতি, এতে আমাদের কারোরই হাত ছিল না।’’

সেই কারণেই এটিকে-মোহনবাগান কোচের বক্তব্য, ‘‘ আমি এগুলিকে অজুহাত হিসেবে দিতে চাইছি না। কেননা সব দলেরই কমবেশি এরকম হয়েছে।’’ তিনি বেশি চিন্তিত কোভিড অবস্থায় দলের ফুটবলাররা খেলবেন ফাঁকা গ্যালারির সামনে। হাবাস বলেছেন, ‘‘নিউ নর্ম্যালে কোনও দর্শক স্টেডিয়ামে থাকতে পারবে না। দর্শকশূন্য মাঠ ফুটবলারদের মনোবলে ব্যাপক আঘাত করবে। এতেও কিছুই করার নেই, যা নিয়ম, সেটি পালন করেই চলতে হবে।’’

গত মরসুমে হাবাসের হাত ধরেই চ্যাম্পিয়ন হয় এটিকে। আর আই লিগে মোহনবাগানকে খেতাব এনে দেন কিবু, যিনি এবার কেরল দলের কোচ। এই দলটি আবার গতবার হাবাসের দলকে দুইবারই লিগে হারায়। সেই প্রসঙ্গে বর্তমান মোহনবাগান কোচের ব্যাখ্যা, ‘‘আমরা দুটি ম্যাচ হেরেছি ঠিকই কিন্তু আমরাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ফুটবলে অতীত রেকর্ডের কোনও মূল্য নেই, এবার নতুনভাবে সব শুরু হবে।’’

এও ঠিক, গতবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ছিল এটিকে দলের। সেই নিয়ে তারা অভিযোগ জানিয়েছিল, কিন্তু ম্যাচের ফলের কোনও অন্যথা হয়নি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More