৩৬ নয়, ১৮-র তারুণ্য নিয়ে দৌড়ে চলেছেন ‘বার্থ ডে বয়’ ক্রিশ্চিয়ানো

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি অনন্য, ব্যতিক্রমীও। তিনি বাকিদের থেকে আলাদা। তিনি যা করেন, বাকিরা তা পারেন না। তিনি অকুতোভয়, তিনি প্রাণশক্তিতে ঠাসা এক মহাতারকা।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের বয়সই বাড়ে, কিন্তু জীবনের প্রাণশক্তিতে সেই তরুণই থেকে যান। প্রতিদিন অন্যকে টপকে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ থেকে। শুধুই কী অন্যদের, নিজেকে হারানোর চ্যালেঞ্জ থাকে না?

একবার রোনাল্ডোই বলেছিলেন, ‘‘আমি নিজের সঙ্গে লড়াই করতে ভালবাসি। অন্যের সঙ্গে লড়াই করলে হৃদয় ব্যথিত হয়, পারলে নিজের সঙ্গে লড়ো, দেখবে ছাপিয়ে যাওয়ার আরও চেষ্টা থাকবে।’’

রোনাল্ডোরা যত না বড় ফুটবলার, ততই বড় মনোবিদও। তাঁদের কথাগুলি দার্শনিকের মতো শোনায়। না হলে জন্মদিনের দিনে রোনাল্ডোর প্রাক্তন সতীর্থ রিও ফার্দিনান্দ একটি টুইট পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রশ্নকর্তা সবাইকে জিজ্ঞাসা করছেন, আপনার মতে সর্বকালের সেরা ফুটবল ব্যক্তিত্ব কে? সবাই বলছেন, মারাদোনা, কেউ বা পেলে, কারোর ভোট অন্যজনের দিকে।

রোনাল্ডোকে প্রশ্ন করতেই তিনি বলে দেন, কে আবার আমি! সেই যেন মহম্মদ আলি ফিরলেন রোনাল্ডোর রূপ ধরে। আই অ্যাম দ্য গ্রেটেস্ট- সেই উক্তির রিটেক হল রোনাল্ডোর হাত ধরে।

রোনাল্ডো কত গোল করলেন, কতগুলি গোলের পাস দিলেন, এগুলি আর বিচার্য নয়। তিনি যেভাবে এখনও হরিণের মতো ছোটেন, স্পট জাম্প দেন, নয়া প্রজন্মের কাছেও তিনি সত্যিকারের রোলমডেল।

১৯৮৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম। আজ আরও এক বছর বয়স বাড়ল। কিন্তু ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে আজও অনবদ্য তিনি। আজও তাঁর দেহের ভাষা বুঝিয়ে দেয়, প্রতিটি দিন নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন।

জীবনে চলার পথে কত বিতর্ক হয়েছে, কতই না সাফল্য এসেছে, তবুও তিনি অচঞ্চল। হয়তো তিনি দেশকে বিশ্বসেরা করতে পারেননি, কিন্তু ইউসেবিওদের উত্তরসূরীও না হয় সেই ট্র্যাজিক নায়কদের দলেই থেকে গেলেন।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More