মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন সিলিন্ডার তল্লাশির পরে পাওয়া গেল ধোনিদের হোটেলে!‌

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এমন অনেক নানা ঘটনা ঘটে, যেটা একেবারেই অনভিপ্রেত, কেউই সেটি আন্দাজও করতে পারে না। ঠিক এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে আনোয়ার আনসারি নামে এক যুবকের জীবনে। তিনি দিল্লিতে থাকেন।

তাঁর বাবা করোনা আক্রান্ত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিল্লির এক সরকারী হাসপাতালে ভর্তি। আনোয়ারের বাবার অক্সিজেন লাগবে, আর সেটি খুব দ্রুত তাঁকে দিতে হবে। সেই কারণেই বেঙ্গালুরুতে থাকা পরিচিতের কাছে অক্সিজেন চেয়েছিলেন ওই যুবক। সেই আত্মীয় সেটি বেঙ্গালুরু থেকে ইন্ডিগো বিমানে পাঠান দিল্লিগামী বিমানে।

বিমানবন্দরে আনোয়ার অনেক খোঁজার পরেও সেই অক্সিজেন সিলিন্ডারটি পাননি। তিনি বেঙ্গালুরুতে ওই ব্যক্তিকে ফোন করলে তিনিও জানান পাঠিয়ে দিয়েছেন নিয়ম মেনেই। কিন্তু ওই যুবক না পেয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জানাতে তারা সব মিলিয়ে দেখেও দিশেহারা হয়ে যান।

পরে দেখা যায়, ওই সময় দিল্লিতে এসে পৌঁছায় চেন্নাই সুপার কিংস দলও। এবং আনোয়ারের বাবার ওই পোর্টেবল অক্সিজেন সিলিন্ডারটি একটি ব্যাগে ছিল, সেটি বুঝতে না পেরে কার্গো সেটি চেন্নাই দলের হোটেলে পাঠিয়ে দেয়। এতেই হয় বিপত্তি।

ইন্ডিগোর তরফে জানানো হয়, তারা পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানতে পারে, অন্য একটি এয়ারলাইন পোর্টার যাত্রীর ব্যাগেজের সঙ্গে অক্সিজেন কনসেনট্রেটরটি গুলিয়ে গিয়ে চলে গিয়েছে। পরে চেন্নাইয়ের সেই প্লেয়ার এয়ারলাইন্স কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে অক্সিজেন কনসেনট্রেটরটি ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পরে সেটি সঠিক গন্তব্যে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলেই জানা গিয়েছে।

যদিও যুবকের বাবার আপদকালীন ছিল ওই অক্সিজেন। এই ঝামেলার কারণে নষ্ট হয় প্রায় ৩৬ ঘন্টা। পরে পুলিশ গিয়ে তল্লাশি করে এম এস ধোনিদের হোটেল থেকে সেটি উদ্ধার করে। দলের ক্রিকেটাররা চাটার্ড বিমানে এলেও তাদের লাগেজ আসে সাধারণদের সঙ্গে অন্য এক বিমানে। তাতেই অন্য লাগেজের সঙ্গে ওটি গুলিয়ে ধোনিদের হোটেলে চলে গিয়েছিল। পরে যুবক সেই হোটেলে গিয়ে নিজেই নিয়ে আসেন। ইন্ডিগোর তরফেও এই ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More