জয়ের হ্যাটট্রিকে শীর্ষে কোহলিরা, কেকেআরের ফের হারে সামনে এল বহু প্রশ্ন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের হার কেকেআরের, পাশাপাশি জয়ের হ্যাটট্রিক বিরাট কোহলিদের। এটাই রবিবাসরীয় ম্যাচের ক্যাচলাইন।

চলতি আইপিএলে ২০০ রান কম হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে যে দল তা তোলে, তাদের জয় ছাড়া আর কোনও পথ থাকে না। সেটাই হল ম্যাচে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ২০৪/৪-র রানের জবাবে কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৬৬/৮-র বেশি করতে পারেনি। ইয়ন মরগ্যানদের হার ৩৮ রানে। লিগ টেবলের শীর্ষে কোহলিরা। আইপিএলে এই প্রথম টানা তিনটি ম্যাচ জিতল আরসিবি, এটিও ইতিহাস চিপক স্টেডিয়ামে।

লক্ষ্য ছিল পাহাড়প্রমাণ ২০৫। সেই রান তুলতে গেলে যা মুনশিয়ানার দরকার ছিল, সেটি করে দেখাতে পারেনি কলকাতা দল। ওপেনিং জুটি রানা ও গিল বড় রান পাননি, তারপরেও দরকার ছিল বড় একটা পার্টনারশিপ, সেটিও হয়ে ওঠেনি বেঙ্গালুরুর দুরন্ত বোলিংয়ের কারণে।

কেকেআরের পক্ষে চারজন দুই অঙ্কের রানে পৌঁছলেও একটা হাফসেঞ্চুরি দরকার ছিল যে কোনও ব্যাটসম্যানের। সেটিও হয়নি, মরগ্যান (২৯), রাসেল (৩১), শাকিব (২৬) ও রাহুল ত্রিপাঠি ২৫ রান করলেও কার্তিক ব্যর্থ। হরভজন শেষ দিকে টানতে পারেননি। আর আন্দ্রে রাসেল কবে ভাল খেলবেন, সেই নিয়ে মনে হয় হাত গোনার সময় এসেছে। তাঁর দুর্বলতা সবাই জেনে গিয়েছেন, সেই কারণে উঠতি বোলাররাও তাঁর উইকেট নিয়ে চলে যাচ্ছে অনায়াসে।

অন্যদিকে আরসিবি দলের ম্যাক্সওয়েল (৪৯ বলে ৭৮), তারপর এবি ডিভিলিয়ার্স (৩৪ বলে ৭৬)। মিলে স্বপ্নের ইনিংস খেলেছেন। ম্যাক্স ৪৯ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেছেন, মেরেছেন তিনটি ছয় ও নয়টি বাউন্ডারি। পাশে ডি’ভিলিয়ার্সের ইনিংসে রয়েছে একই সংখ্যক চার ও ছক্কা।

শুরুটা একদম মনের মত করেছিল কেকেআর। দ্বিতীয় ওভারেই বরুণ চক্রবর্তী ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি এবং রজত পতিদারকে। অদ্ভুত কারণে বরুণ চক্রবর্তীকে সেই সময় আক্রমণ থেকে সরিয়ে নিয়ে বড়সড় ভুল করেন মর্গ্যান।

তারপরেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন ম্যাক্সওয়েল। মাত্র ২৮ বলে হাফসেঞ্চুরি করে যান তিনি। ৯/২ হয়ে যাওয়ার পরে দেবদূত পাডিক্কলের সঙ্গে ৮৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে কেকেআরকে ব্যাকফুটে ফেলে দেন।

পাল্লিকাল আউট হয়ে যাওয়ার পর চিপকে শুরু হয় ম্যাক্সওয়েল-এবিডির তান্ডব। দু-জন একের পর এক বোলারকে ওড়াতে থাকেন। প্যাট কামিন্স শেষে জাতীয় দলের সতীর্থকে আউট করলেও আরসিবির বড় রান ওঠা কার্যত তখন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে।

ম্যাক্সওয়েল ফিরে যাওয়ার পর যেন আরো মারকুটে হয়ে ওঠেন এবিডি। মাত্র ২৭ বলে ফিফটি করে যান এদিন। শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের ওভারে ২২ রান নিয়ে দলকে ডাবল সেঞ্চুরি পার করে দেন। অন্যপ্রান্তে জেমিসন ৪ বলে ১১ রানে নটআউট থাকেন।

মরগ্যানের অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তিনি বোলিং পরিবর্তন ঠিক করতে পারেননি। গৌতম গম্ভীরের মতো প্রাক্তন নাইট অধিনায়ক জানিয়েছেন, মরগ্যান বিদেশী বলে রক্ষে পাবে, অন্য কোনও ভারতীয় নেতা থাকলে এদিনই উৎখাত হয়ে যেত!

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More