সাতবছরের ক্যানসার আক্রান্ত শিশুর জন্য অর্থসাহায্য রোনাল্ডো ও জর্জিনার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় শিশুদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর মহানুভবতার বহু নজির রয়েছে। তিনি যেমন দু’হাতে অর্থ উপার্জন করেন, তেমনি আবার সেটি কল্যাণকর কাজে নিয়োগও করেন।

আর্তসামাজিক নানা কাজে নিজেকে যুক্ত রাখেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। অসহায়দের পাশে থাকেন সবসময়। নিজের অতীত ভোলেননি বলেই তিনি দারিদ্রতা দেখতে পারেন না। দূর্ভিক্ষ পীড়িত মানুষদের জন্য তাঁর মন কাঁদে।

রোনাল্ডোর সাম্প্রতিক এক সাহায্যের কথা চাউর হয়েছে। তিনি নিজে করেননি, কোনওভাবে তাঁর এই মহৎ কার্য দাবানলের মতো ছড়িয়ে গিয়েছে। ক্যানসারে আক্রান্ত ছোট্ট এক পর্তুগিজ শিশুর চিকিৎসার জন্য অর্থসাহায্য করেছেন রোনাল্ডো ও তাঁর বান্ধবী জর্জিনা রডরিগেজ।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সাত বছর বয়সী পর্তুগিজ শিশু টমাস বিরল নিউরোব্লাস্টোমা ক্যানসারে আক্রান্ত। গত বছরের অক্টোবরে টমাসের ক্যানসার আবারও ফিরে আসে। ফলে শিশুটির মা–বাবা অস্ত্রোপচারের জন্য অর্থসাহায্যের আর্তি জানান। জানা যায়, সেই আর্তি শুনে এগিয়ে এসেছেন খোদ পর্তুগিজ মহাতারকা ও তাঁর বান্ধবী। টমাসের চিকিৎসার ব্যয়ভারের একাংশ বহন করবেন সিআর সেভেন। জর্জিনার বোন ইভানা এই নিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি খবর পোস্ট করেছেন।

সেভ দ্য চিলড্রেন, ইউনিসেফ ও ওয়ার্ল্ডভিশনের দূত রোনাল্ডো করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর নিজের মুখপাত্র জোসে মেন্দেসের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ১০ লাখ পাউন্ড দান করেছিলেন। এর আগে ২০১৩ সালে উয়েফা টিম অব দ্য ইয়ারে জায়গা পাওয়ার সুবাদে পাওয়া ৮৯ হাজার পাউন্ড দান করেছিলেন রেডক্রসে। তিনি এমনিতেই মানবতার প্রতীক।

ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে ইভানা টমাসের মা–বাবার একটা বার্তা পোস্ট করেছেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘‘আর্তমানবতার জন্য যাঁরা এগিয়ে এসেছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ। জর্জিনা ও ক্রিশ্চিয়ানো, আপনাদের অজস্র ধন্যবাদ, আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য, সাহায্য করার জন্য। টমাস যাতে চিকিৎসা পেতে পারে, এ জন্য আপনাদের এই সহায়তা আমরা কোনওদিনই ভুলব না।’’ প্রসঙ্গত, টমাসকে এখন বার্সেলোনার বিখ্যাত ডি’হেব্রন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More