‘কলকাতা ডার্বি’ নিয়ে আমি বেশি আবেগতাড়িত নই, জানালেন সন্দেশ জিঙ্ঘান

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর মাত্র চারদিন। তারপরেই আইএসএলে প্রথম কলকাতা ডার্বিতে মুখরিত হবে গোয়ার তিলক ময়দান। তার আগেই দুই শিবিরে দেখা যাচ্ছে কঠিন সংকল্পের ছবি।

দুটি শিবিরে আরও একটি বিষয়ে মিল রয়েছে। সেটি হল, শুক্রবারের ম্যাচ নিয়ে বেশি না ভাবা। অতীতেও দেখা গিয়েছে যে দলই বেশি চিন্তা করেছে এই ম্যাচ নিয়ে তাদের মাঠে পারফরম্যান্সে সেই প্রভাব পড়েছে।

মোহনবাগানের রক্ষণভাগের স্তম্ভ কেরলের সন্দেশ জিঙ্ঘান যেমন এটিকে-মোহনবাগান মিডিয়া প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, ‘‘আমি ভাল করেই জানি কলকাতা ডার্বি বিশ্বের অন্যতম সেরা ডার্বি। এই ধরনের ম্যাচে সবাই ভাল খেলতে চায়, কারণ আমি গল্প শুনেছি এই ম্যাচে ভাল খেললে সারা বছর টেনশন মুক্ত থাকা যায়। তবুও আমি কলকাতা ডার্বি নিয়ে বেশি আবেগতাড়িত নই, কেননা ট্রফি জিততে গেলে সব ম্যাচকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।’’

প্রায় তিনমাস পরে তিনি মাঠে নেমেছিলেন গত ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে। খুব যে ভাল খেলেননি, সেটিও জানিয়েছেন। তাঁর মন্তব্য, ‘‘এতদিন পরে মাঠে নামলাম, তাই একটু টেনশন ছিল, কারণ চোটের পরে মাঠে নামলে একটা ভয় থাকে। তবুও দলের বাকিরা আমাকে সাহস দিয়েছে।’’

প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে তাঁকে এবার দলে নেওয়া হয়েছে। মোট পাঁচবছরের চুক্তি, সেই কারণে সন্দেশকে নিয়ে বহু ভরসা সমর্থকদের মনে। তিনি এসব জানেন, আর সেটি অবগত বলেই সদম্ভে এও বলছেন, ‘‘আমিও চাইব সমর্থকদের ভরসার বজায় রাখতে। কিন্তু ওই একটা ম্যাচ ধরে নিয়ে বসে থাকলে হবে না, আমরা চাই খেতাব জিততে, সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে হবে।’’

মোহনবাগান দলে বঙ্গসন্তানদের আধিক্য, সেই কারণেই প্রবীর, শুভাশিসদের মুখ থেকে শুনেছেন ডার্বি ম্যাচের গুরুত্ব। তিনি পরিষ্কার বলেছেন, ‘‘আমার কাছে সব ম্যাচই সমান, হ্যাঁ, এটা ঠিক ভারতীয় ফুটবলে কলকাতা ডার্বির যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। এই ম্যাচ খেলাও গর্বের ব্যাপার। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য মাঠে নামা, জেতা ও তিন পয়েন্ট ঘরে তোলা।’’

দলে চোট বলতে সুসাইরাজের রয়েছে, তিনি খেলতে পারবেন না। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামবেন শুভাশিস বসু, সেন্ট্রাল ডিফেন্সে থাকবেন সন্দেশ। তাঁর ওপর বাড়তি চাপ এটা মানতে নারাজ ভারতের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার। দীর্ঘকায় ফুটবলারের ব্যাখ্যা, ‘‘কোচ আমাদের সকলকে নিজেদের কাজ বুঝিয়ে দেন, কার কী দায়িত্ব মাঠে নেমে, তাই আমরা খোলা মনে খেলতে পারি। সেক্ষেত্রে আমার ওপর কোনও চাপ নেই।’’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More