বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ভাবনা শুরু করে দিল টিম কোহলি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নয়া লক্ষ্যের জন্য পথ ঠিক করে ফেললেন ভারত দলনায়ক বিরাট কোহলি। আগে বলা হতো, টস হারলে সে ম্যাচ ভারত জিততে পারে না, তা যে ঠিক নয়, সেটা দেখালেন কোহলিরা।

মোতেরায় গোলাপি বলের টেস্টেও টস হেরে জিতেছিল ভারত। সিরিজের চতুর্থ টেস্টেও টস হেরে এল জয়। টস হেরে ম্যাচ জয় অভ্যাসে পরিণত করে গেল টিম বিরাট।

এবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নজর বিরাটের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘২০২০ সালের শুরুতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের কথা শুনলেই অবিশ্বাস্য মনে হত। এবার আমাদের সে কাজটা করতে হবে যত্নের সঙ্গে, কারণ আমরা কঠিন কাজটিতে সফল হতে পারলাম।’’
জো রুটের ইংল্যান্ড বধের পালা শেষ। এবার কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার নকশা তৈরিতে মন বিরাটের।

সিরিজ ৩-১ জিতলেও চিপকে প্রথম টেস্ট হারের যন্ত্রণা অবশ্য বিরাটের মনে এখনও টাটকা। সিরিজ শেষে তৃপ্ত ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘‘চিপকে টস হার ম্যাচ হারের অবশ্যই কারণ। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় কারণ নয়। কারণ প্রথম ম্যাচে আমরা কোনও বিভাগেই দাঁড়াতে পারিনি। বিশেষ করে বোলিং ও ফিল্ডিং খুবই সাদামাটা হয়েছিল।’’

কোহলির আরও বক্তব্য, ‘‘অস্ট্রেলিয়ায় জিতে আসার পর সেই হার হজম করতে পারিনি। আর তাই চেন্নাইতেই দ্বিতীয় টেস্টে ওদের হারিয়ে দারুণ আনন্দ পেয়েছিলাম। তবে একই সঙ্গে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও ছিল দায়িত্ব। সেটা গত দুটো টেস্টে করতে পেরেছি বলেই আমরা সিরিজ জিতলাম।’’ তৃপ্তির সঙ্গে জানান ভারতীয় দলের নেতা।

অস্ট্রেলিয়া সফরেও পিছিয়ে থেকে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারত। এবার ঘরের মাঠেও। দেশের মাটিতে ২৩টি টেস্ট জিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন নেতা স্টিভ ওয়াকে ছাড়িয়ে গেলেন বিরাট। মার্ক ওয়ার দাদা অধিনায়ক হিসাবে ২২টি টেস্ট জিতেছিলেন ঘরের মাঠে। বিরাট জিতলেন ২৩ টেস্ট। এখন তাঁর সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রেম স্মিথ ও অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং। ঘরের মাঠে স্মিথ ও পন্টিং যথাক্রমে ৩০ ও ২৯ টেস্ট জিতেছিলেন।

বিরাটের কথায়, ‘‘চেন্নাই টেস্টে রোহিতের আক্রমণাত্মক ইনিংসের জন্য ম্যাচ আমাদের দখলে চলে আসে। শুধু তাই নয়, সেই ইনিংস সিরিজের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। আর অশ্বিন তো পুরো সিরিজে ব্যাটে-বলে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে। ও আমার দলের সম্পদ। ঋষভ পন্থ, ওয়াশিংটন সুন্দর ও মহম্মদ সিরাজকে নিয়ে আমি সবচেয়ে বেশি আশাবাদী। ওদের লড়াকু মনোভাব মুগ্ধ করেছে। ওদের পারফরম্যান্স বুঝিয়ে দিয়েছে যে আমাদের রিজার্ভ বেঞ্চও খুবই শক্তিশালী।’’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More