ওয়াশিংটন একদিন কিংবদন্তি হবে, ছেলের জন্য গর্বিত: সুন্দরের বাবা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অস্ট্রেলিয়া সফরে টি ২০ দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও লাল বলের ক্রিকেট যে তাঁর খেলা হবে তা কোনও দিন ভাবেননি ওয়াশিংটন সুন্দর। কিন্তু দলে চোট আঘাতের সমস্যা বাড়তে থাকায় বাধ্য হয়েই তাঁকে নেওয়া হয় দলে। আর ব্রিসবেনে শেষ টেস্টে সুযোগ পেয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। একদিকে যেমন বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়েছেন, অন্যদিকে তেমনই ব্যাট হাতে দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন। আর তাই দেশে ফেরার পরে বীরের সম্মান পেয়েছেন তিনি। ওয়াশিংটনের এই কৃতিত্বে গর্বিত তাঁর বাবা। তিনি একদিন কিংবদন্তি হবেন বলেই মনে করেন এম সুন্দর।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এম সুন্দর জানিয়েছেন, “ওয়াশিংটন সুন্দর, রবিচন্দ্রণ অশ্বিন, টি নটরাজন ও টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যে খুব গর্বিত। ওয়াশিংটন একজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান। তাই যে সুযোগ সুন্দর পেয়েছে সেটা সে কাজে লাগিয়েছে।”

সুন্দরের বাবা আরও বলেন, “এটা খুবই স্পেশ্যাল পারফরম্যান্স। ওয়াশিংটন একদিন কিংবদন্তি হয়ে উঠবে। ও খুবই কুশলী ও কঠোর পরিশ্রমী ক্রিকেটার। সব সময় নিয়ম মেনে চলে। আমি ভগবানের কাছে আশা করছি ভারতীয় দলে ওর একটা দীর্ঘকালীন জায়গা হবে।”

ওয়াশিংটন সুন্দরের বোন শৈলজা সুন্দর জানিয়েছেন, দাদার বোলিংয়ের থেকে ব্যাটিংয়ের অনেক বেশি অনুরাগী তিনি। শৈলজা বলেন, “আমরা ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে খেলতে খুব ভালবাসি। ওর বোলিংয়ের থেকে অনেক বেশি আমি ওর ব্যাটিং ভালবাসি। একটা ম্যাচে আমরা ওর দু’রকমের ব্যাটিং দেখলাম।”

প্র্যাকটিসে যেতে না দিলে নাকি বাড়িতে হুলুস্থুল বাঁধিয়ে দিত ওয়াশিংটন সুন্দর। সেই কথা জানালেন তাঁর মা। সেই প্রসঙ্গে তাঁর মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠে মাঠে যেত ওয়াশিংটন। তারপরে স্কুলে যেত সে। তারপরে বিকেলে অনেকক্ষণ প্র্যাকটিস করার পরে বাড়ি ফিরে নিজের হোমওয়ার্ক করে ফেলত সুন্দর। বৃষ্টি হলেও ক্রিকেট খেলতে চাইত সুন্দর। নিজের বন্ধুদের ও বাবাকে নিয়ে মাঠে যেত সুন্দর। সেটা যেতে না দিলে ও বাড়িতে হুলুস্থুল বাঁধিয়ে দিত।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More