বিশ্বকাপ জয়ে ধোনির ছক্কা ভোলেননি যুবরাজ, গম্ভীর চান ওই ছক্কা নিয়ে মাতামাতি বন্ধ হোক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় ক্রিকেটে ঘুরেফিরে আসছে বিশ্বজয়ের সেই দিন।

২ এপ্রিল, ২০১১। সেবার ২৮ বছর পরে ভারত ফের ওয়ান ডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেই দিন যেন মিলে গেল শুক্রবার। ওই বিশ্বসেরা হওয়ার দশম বর্ষ পূর্তি হল। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচে নুয়ান কুলোশেখরার বলে লং অনের ওপর দিয়ে ছয় মেরেছিলেন এম এস ধোনি। সেটাই ইতিহাস হয়ে যায়।

ওই শটেই বাজিমাত, ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম রঙিন হয়ে উঠেছিল। সেই দিনটিকে স্মরণ করতে গিয়ে সিরিজের সেরা যুবরাজ সিং সেই জার্সি পরে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ওই মেগা টুর্নামেন্টে যুবি নয় ম্যাচে ৩৬২ রান করার পাশাপাশি মোট ১৫টি উইকেটও পেয়েছিলেন।

পুরো টুর্নামেন্টে একাধিক ছয় মেরেছিলেন যুবি। কিন্তু ধোনির ওই ওভার বাউন্ডারিই ইতিহাস হয়ে যায়। সেই কারণেই যুবরাজ ভিডিওতে বলেছেন, ‘‘পুরো টুর্নামেন্টে একাধিক ক্রিকেটার ম্যাচ জিতিয়েছিল, যেগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এও ঠিক যে, মাহি যেটা করেছিল সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না, কারণ ওই ছয়টাই আমাদের জয়ের কিনারাতে পৌঁছে দেয়।’’

যুবির আরও বক্তব্য, ‘‘ম্যাচ জিততে যে কারোরই ভাল লাগে, কিন্তু ফাইনাল ম্যাচ জয়ের আনন্দ প্রকাশ করা যাবে না, এক অন্য অনুভূতি রয়েছে। আমরা হয়তো সিঙ্গলস নিয়ে ম্যাচটি জিততে পারতাম, কিন্তু মাহি ছয় মেরে আমাদের চ্যাম্পিয়নের স্বাদ এনে দিয়েছিল। তাই ওই ছক্কা ভোলা যাবে না।’’

যুবরাজ ধোনির ওই ছয় নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখালেও সেই দলের আরও এক নামী সদস্য গৌতম গম্ভীর অত কৃতিত্ব দিতে নারাজ। গম্ভীর দেশের এক নামী সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, ‘‘আমি জানি না কেন ম্যাচে ওই ছয় নিয়ে বেশি কথা হয়। একটা ছয়ে যদি ভারত সেবার চ্যাম্পিয়ন হতো, তা হলে তো যুবি একসময় ছ বলে ছ’টা ওভার বাউন্ডারি মেরেছিল, তা হলে তো সেবার ভারত ছয়বার চ্যাম্পিয়ন হতে পারত।’’

গম্ভীর যে ধোনির ওই ছক্কা নিয়ে মাতামাতি চান না, সেটি আকারে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অনেকেই ওই বিশ্বকাপ জয়কে বিশেষ কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান, কিন্তু সেবার দলের প্রতিটি সদস্য অবদান রেখেছিল। এমনকি একটি অনুষ্ঠানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও বলেছিলেন, ফাইনাল ম্যাচে গম্ভীরের ইনিংসই পার্থক্য গড়ে দেয়।

যুবরাজ আবার পাশাপাশি এও জানান, ‘‘সেবার আমরা শচীন তেন্ডুলকারের জন্যই জিততে চেয়েছিলাম। কারণ শচীন পাজি এতদিন ধরে দেশের জন্য ক্রিকেট খেলছে, তাঁকে বড় পুরস্কার দেব, সেটি আমরা সবাই মিলে ঠিক করেছিলাম। তাই সেবার কাপ জিতে আমাদের খুব আনন্দ হয়েছিল।’’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More