রয় কৃষ্ণের হুঙ্কার শুরু, বিদেশীদের ‘কলকাতা ডার্বি’র গুরুত্ব বোঝাচ্ছেন নেতা অরিন্দম

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেঞ্চুরির ডার্বি, ১৯২১ সালে প্রথম কলকাতার দুই প্রধান দল মুখোমুখি হয়েছিল। সেই শুরু, ১০০ বছর পরেও ওই চিরন্তন লড়াইয়ের মাদকতা যায়নি। সমর্থকরাই বাঁচিয়ে রেখেছেন ডার্বি ম্যাচকে।

শনিবার আইএসএলে এটিকে-মোহনবাগান এবং এসসি ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচ ঘিরে পারদ চড়ছে। এবারের শুরুটা ভাল করেছে সবুজ মেরুন দল, বরং পয়েন্ট নষ্ট করে লাল হলুদ দল চাপে রয়েছে।

দুই দলের দুই অধিনায়কের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব দিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য ও বিপক্ষ দলের নেতা রয় কৃষ্ণ তাল ঠুকছেন। সব থেকে বড় বিষয়, রয় কৃষ্ণের কাছেও যেমন কঠিন চ্যালেঞ্জ বাকি বিদেশীদের ম্যাচের গুরুত্ব বোঝানো। তেমনি অরিন্দমও একই কথা বলেছেন।

দুই দল মিলিয়ে এমন কিছু এদেশীয় ও বিদেশী ফুটবলার রয়েছেন, যাঁরা প্রথম ডার্বিতে নামবেন। তাই আলাদা করে বোঝাতে হচ্ছে সেই ফুটবলারদের।

দলের মিডিয়া টিমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অরিন্দম বলেছেন, ‘‘ডার্বি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং নিঃসন্দেহে বিশেষ একটি খেলা। আমাদের দলে অনেকেই এই ম্যাচের গুরুত্ব জানে, কিন্তু একাধিক বিদেশী রয়েছে, যারা জানে না। তাদের বলতে হচ্ছে, সমর্থকদের আবেগের কথা বোঝাতে হচ্ছে, সেদিক থেকে চ্যালেঞ্জের বলা যায়।’’

প্রথম ম্যাচে একেবারেই নজর কাড়তে পারেননি ড্যানিয়েল চিমা। অথচ তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি। এই ডার্বি থেকেই তিনি ঘুরে দাঁড়াতে চান। চিমা বলেছেন, ‘‘আমার মনে প্রথম যে শব্দটি আসছে, সেটা হল যুদ্ধ। এই যুদ্ধে জিততে আমি আমার সবটা দিতে প্রস্তুত। আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে এই গেমটি খেলব, কারণ আমি এখন জানি, এটি সবচেয়ে বড় খেলা।’’

এদিকে, গত বছর ডার্বিতে গোল পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণ। এই বছরও তিনি গোল করে দলকে জেতাতে মুখিয়ে রয়েছেন। ফিজির তারকা স্ট্রাইকার বলেও দিয়েছেন, ‘‘আমার এখন একটা লক্ষ্য। আর সেটা হল দলকে ডার্বি জেতানো। তা আমি গোল নিজে করি বা গোল করতে অন্যদের সাহায্য করি, সেটা বড় বিষয় নয়। জয়টাই আসল। তবে এই ম্যাচে আমি অবশ্যই গোল করে দলকে জেতাতে চাইব। প্রতিটি ম্যাচে নিজের গোল সংখ্যা বাড়াতে চাই আমি।’’

এ দিকে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে হুগো বৌমাস ও রয় কৃষ্ণ জুটি ভালে ফুটবল খেলে দলকে তাতিয়ে দিয়েছিলেন। ডার্বিতে আরও ভাল ফুটবল সমর্থকদের উপহার দিতে চান হাবাসের দলের স্তম্ভ। তিনি বলেওছেন, ‘হুগো হল প্লে-মেকার। প্রচুর সুযোগ তৈরি করে। আগের ম্যাচে জোড়া গোলও করেছে। ওর সঙ্গে খেলা উপভোগ করছি। আশা করছি ভবিষ্যতে আমাদের যুগলবন্দি আরও জমে যাবে।’’

এমনকি লাল হলুদের রক্ষণের উদ্দেশে হাবাসের দলের প্রাণভোমরা বলেছেন, ‘‘এবার ইস্টবেঙ্গলের চাপ আরও বেশি থাকবে, আমাকে আটকালেই হবে না, আমাদের দলে অনেকেই রয়েছে, যারা গোল করে দলকে জেতাতে পারে, তাই ওদের সতর্ক থাকতে হবে।’’

 

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.