মোহনবাগানের প্রাক্তন তারকাদের বার্তায় আন্দোলনে অক্সিজেন পেলেন সমর্থকরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্দোলনেও দিশা দেখাতে হয়। প্রতিবাদ (Protest) নীরবও হতে পারে, আবার আন্দোলন হতে পারে সোচ্চারভাবেও। দুম করে রাস্তায় বসে পড়লাম, কুশপুতুল দাহ হল, তার মানেই প্রতিবাদে কাজ হবে, তা নয়, বরং শানিত আক্রমণের পথ ধরেই বিপ্লব দীর্ঘস্থায়ী হয়।

মোহনবাগান ফ্যান (Mohun bagan Fan) ক্লাব বহুদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছে, রিমুভ এটিকে (Remove ATK), সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন তূষের আগুনের মতো জ্বলছে যে কোনদিন তা দাবানলের আকার নেবে, কেউ জানে না।

তার মধ্যেই সোমবার কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক তাঁবুতে (CSJC) বর্ষণমুখর দিনে সমবেত হলেন মেরিনার্স ফোরামের সদস্যরা। তাঁরা কোভিড বিধি মেনে একটি গঠনমূলক প্রতিবাদ দেখাল সাম্প্রতিক নানা কর্মকান্ড নিয়ে। তারা সরাসরি জানায়নি, মোহনবাগানের নামের আগে এটিকে নাম সরাতেই হবে। কিন্তু ওই সংগঠন বুঝিয়ে দিয়েছে, মোহনবাগান ক্লাব একটি প্রতিষ্ঠান, তাকে অপমান করা মানে তাদের অপমান করা। সেই কারণেই এটিকে কর্তাদের বুঝিয়ে দেওয়া ভবিষ্যতে এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে গেলে তাঁদেরও সম্মান দেখানো জরুরী।

শুধু তাই নয়, উজবেকিস্তানের নাসাফ এফসি-র বিরুদ্ধে ইন্টার জোনাল সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলার আগে এই সাংবাদিক বৈঠক তাৎপর্যবাহীও। কারণ উজবেকিস্তানের ওই ক্লাব খেলার আগে নানা প্রোমোতে এটিকে মোহনবাগান নয়, তারা লিখছে শুধুমাত্র মোহনবাগান নামটিই। তারা সম্মান জানালেও ঘরে কেন এই নামী ক্লাবকে অসম্মানিত হতে হবে, সেটাই তারা তুলে ধরেছেন তাঁদের বক্তব্যে।

‘মনা তো আমাকে ধরে ইন্ডিয়া ক্যাপ্টেন হয়েছিল’, ফের অনুজকে তীব্র আক্রমণ সুভাষের

পাশাপাশি এই ফ্যান ক্লাবের শক্তি বৃদ্ধি করেছেন সবুজ মেরুনের কিংবদন্তিরা। কে নেই তালিকায়? বদ্রু বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সুব্রত ভট্টাচার্য, আবার মানস ভট্টাচার্য থেকে প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।

ওই নামী প্রাক্তনরা বক্তব্যে তুলে ধরেছেন ক্লাবের নানা গরিমার কথা। সেমিফাইনাল ম্যাচে প্রিয় দলকে সমর্থনের পাশে ক্লাবের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখাতেও তাঁরা ব্রতী। সবাইয়ের ভিডিও বার্তায় মন্তব্য, ‘‘মোহনবাগান আমাদের কাছে মহান বাগান। এটি আমাদের কাছে মাতৃসম। এই ক্লাবকে ভালবাসতে গেলে ইতিহাস আগে জানতে হবে, তবেই পাশাপাশি থাকা যাবে।’’

এটিকে-র কর্তা উৎসব পারেখের ইতিহাস বিকৃত মন্তব্য নিয়ে যেমন আলোচনা হয়েছে। তেমনি ক্লাব সভাপতি টুটু বসুর বিরুদ্ধে অন্যায় আক্রমণের প্রতিবাদও জানিয়েছেন ফোরামের সদস্যরা। তারা এটাই জানিয়েছেন, টুটু বসুর মোহনবাগানের পিছনে অবদান ভুলে যাওয়া মানে ক্লাবের ইতিহাসকেও ভুলে যাওয়া, তাই সমালোচনা করতে হবে সবকিছু জেনে, গঠনমূলকভাবে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More