কুম্বলে থেকে আজাজ, ক্রিকেটের বদল হলেও ধারাভাষ্যের হটসিটে বিশেষ দিনে তিনিই

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিকেটের বিবর্তন ঘটেছে, দু’দশক আগে যে ক্রিকেট ছিল, তার কিছুটা বদল তো হয়েইছে। প্রযুক্তি এসে সকলের কাজ কঠিন করেছে, সহজও করেছে। ‘বেনিফিট অব ডাউট’ বলে শব্দটাই ক্লিশে হয়ে গিয়েছে।

১৯৯৯ সালে অনিল কুম্বলে যেদিন দিল্লির ফিরোজ শা কোটলার বুকে পারফেক্ট টেন হিসেবে ইনিংসে ১০ উইকেট পেয়েছিলেন, সেদিনও প্রযুক্তির ব্যবহার এত সচল ছিল না। তারপর আধুনিক ক্রিকেটে নানা ধরনের ক্যামেরা বসে আম্পায়ারদের কাজ সহজ করলেও ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিনই করেছে। তাদের ক্ষেত্রে ভুলচুকের কোনও জায়গা নেই।

কোটলায় যেদিন কুম্বলের ইতিহাস ঘটেছিল, সেদিনও তিনি ছিলেন ধারাভাষ্যে। ওই মুহূর্তের বিশ্লেষণ করেছিলেন সুনীল গাভাসকার। শনিবারও ওয়াংখেড়েতে নিজের শহরে ধারাভাষ্য বক্সে তিনি জ্বলজ্বল করছেন, সেই সানিই আজাজ প্যাটেলের দশ উইকেট নেওয়ার মুহূর্ত ব্যাখ্যা করেছেন। সানি মানেই ইতিহাস, তিনি অত্যন্ত বাগ্মী, কথা বললে সবাই শোনেন, তাঁর কথা বলার কায়দা বাকিদের কাছে প্রেরণা, দৃষ্টান্তও।

সবাই বদলে গেলেও সানি একই রয়েছেন, সেই একই ক্যারিশমা। এখনও কত পরিশ্রম করেন সারাদিনে, তারপরেও প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর লিটলমাস্টার। আজাজের বোলিং বিশ্লেষণ করে সানির উপলব্ধি, এত ভাল রিস্ট স্পিনার তিনি বহুদিন পরে দেখলেন।

যদিও সেবার কুম্বলের বোলিং ম্যাজিকে ভারতীয় দল বিপক্ষ পাকিস্তানকে টেস্টে ২১২ রানে হারিয়েছিল। এবার মুম্বইতে সেই অবস্থা নেই আজাজ প্যাটেলের দলের। তিনি দশ উইকেট নিলেও ম্যাচে চালকের আসনে ভারতই, আজাজের এই ঐতিহাসিক বোলিংয়ের কোনও মূল্যই থাকবে না, যদি তাঁর দল হেরে যায়, আর সেটাই ঘটতে চলেছে এ ম্যাচে। কারণ কিউই দলকে ৬২ রানে অলআউট করে দিয়েছেন অশ্বিন, সিরাজরা।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.