‘অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে আমাকে খেলতে দেওয়া হোক’, কাতর আবেদন জকোভিচের

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে আর বাধা নেই নোভাক জকোভিচের। কিন্তু তবুও অনেক জটিলতা রয়েছে। আদালত জোকারের পক্ষে রায় দিলেও আয়োজকরা পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি। কারণ অস্ট্রেলিয়া প্রশাসন এখনও নিজেদের হার মানতে নারাজ।

সোমবার বিকেলে টুইটারে জোকার লিখেছেন, ‘‘বিচারপতি আমার ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ করায় আমি কৃতজ্ঞ। এই ক’দিন ধরে যাই ঘটুক না কেন, আমি অস্ট্রেলিয়াতেই থাকতে চাই। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে যাতে খেলতে পারি, সেই লক্ষ্যেই মনোনিবেশ করছি। এই দেশে আমি এসেছি একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে অংশ নিতে। ভক্তদের সামনে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। আমাকে দয়া করে কোর্টে নামতে দেওয়া হোক।’’

গত সপ্তাহে বুধবার অস্ট্রেলিয়ায় পা দেন জকোভিচ। তার পর থেকেই চলছে নাটক। সোমবার প্রথম দফার শুনানির পর অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। কিন্তু আদালত তাঁকে অবিলম্বে ডিটেনশন শিবির থেকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেও আবার রটে যায়, পুলিশ নাকি গ্রেপ্তার করেছে জোকারকে। আর তার পর টেনিস বিশ্বে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে অবশ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, জকোভিচকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

করোনা টিকা নেননি জকোভিচ। এই কারণে অস্ট্রেলিয়া প্রশাসন তাঁকে দেশে প্রবেশ করতে দেয়নি। বিমানবন্দরে আটক করে রাখা হয়। গর্জে ওঠেন জকোভিচের সমর্থকরা। তাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন নানা শহরে। বলা হয়, ‘‘কেউ নিজে স্বাধীনভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতেই পারে, তারজন্য তাঁকে জোর করা উচিত নয়। জকোভিচ কোনও ভুল করেননি।’’

আদালতের রায়ে জোকারের পক্ষে যায়। তাঁকে গ্র্যান্ডস্লামে নামার অনুমতি দেওয়া হয়। সার্বিয়ান টেনিস কিংবদন্তির পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেস কনফারেন্স করে জানানো হয়েছে, একটা ষড়যন্ত্রকে বানচাল করে দিয়েছে তামাম জকোভিচের ফ্যানেরা। এমনভাবে তাঁর প্রতি ভালবাসা দেখানো হবে, তিনি নিজেও বুঝতে পারেননি। এমনকি তাঁর পরিবারের সদস্যরাও জকোভিচের সমর্থনে মানুষের এই ভালবাসা ভুলবেন না কোনওদিনই।

 

 

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.