ফের ভারতের ‘সিন্ধু’লাভ, পদক নিশ্চিত করে সোনার স্বপ্নের পথে পুসারেলা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আহা কী দেখিলাম! পি ভি সিন্ধুর খেলা দেখে অস্ফূটে বেরিয়ে আসে এমন কথাই। বড় তারকা তাঁরাই হন, যিনি বড় মঞ্চে নিজের যোগ্যতার সুবিচার করেন।

পুসারেলা ভেঙ্কটপতি সিন্ধু সেটাই প্রমাণ করলেন। টোকিও অলিম্পিকের ব্যাডমিন্টন কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের আকেন ইয়ামাগুচিকে ২১-১৩, ২২-২০ সেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন। আর সেইসঙ্গে ভারতের তৃতীয় পদক এল স্বপ্নের রাণীর হাত ধরে। তিনি ভারতকে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করলেন। সিন্ধু যা খেলেছেন, তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।

চলতি অলিম্পিকের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষায় নেমেছিলেন পি ভি সিন্ধু। একটা সময় পর্যন্ত বিশ্বের এক নম্বর মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা ছিলেন তিনি। ইয়ামাগুচি ছিলেন ৫ নম্বরে। সিন্ধু সাতে। মাত্র পাঁচ ফুট এক ইঞ্চির উচ্চতা নিয়েও দুরন্ত রিফ্লেক্স এবং কোর্ট কভারেজ তার অন্যতম শক্তি তাঁর ভরসা ছিল। সিন্ধুর বিরুদ্ধে খেলেছেন মোট ১৮ বার। সিন্ধু জিতেছেন ১১ বার। ইয়ামাগুচির জয় সাতটি। এবারও তিনি হার মানলেন সিন্ধুর কাছে।

উচ্চতা, শক্তিতে ভারতীয় তারকা সিন্ধু এগিয়ে থাকলেও, ইয়ামাগুচি ম্যাচের রং বদলে ওস্তাদ। কিন্তু সিন্ধু এদিন ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ বজায় রেখেছিলেন। সেই কারণে ইয়ামাগুচিকে টক্কর দিয়েছেন শুরু থেকেই। দারুণ রিফ্লেক্স, সার্ভ, ভলিতে বিপক্ষকে ধরাশায়ী করেছেন হায়দরাবাদী।

শেষ আটের হার্ডল টপকাতে টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ বাছাই সিন্ধুকে সাকুল্যে ঘাম ঝরাতে হয় ৫৬ মিনিট। মাত্র ২৩ মিনিটেই প্রথম গেম ২১-১৩ ব্যবধানে জিতে নেন সিন্ধু। তবে দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুকে কড়া টক্কর দেন ইয়ামাগুচি। যদিও শেষমেশ সিন্ধু ৩৩ মিনিটে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ২২-২০ ব্যবধানে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.