দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে চায়না মাঞ্জায় লেগে বাইক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত ময়দানের তরুণ কোচ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বকর্মা (Biswakarma) পুজোর আগে থেকেই পুলিশ (Police) প্রশাসনের তরফ থেকে বলে দেওয়া হয়েছিল, ঘুড়ির সূতোয় চায়না মাঞ্জা (China Manja) সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ। এই মাঞ্জা মানুষের প্রাণহানির কারণ হতে পারে।

প্রাণহানি না হলেও ময়দানের তরুণ কোচ রাজদীপ নন্দী (Rajdip Nandy) চিনের মাঞ্জা দেওয়া সূতোতে জড়িয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সন্ধ্যার দিকে। রাজদীপের দল এরিয়ানের এদিন প্রিমিয়ার লিগের খেলা না থাকলেও তিনি ময়দানে অন্য দলের ম্যাচ দেখতে এসেছিলেন।

রাজদীপের বাবা রঘু নন্দী ময়দানের পোড়খাওয়া কোচ। তাঁরও অভ্যাস নিজের দলের খেলা না থাকলেও বারো মাস মাঠে পড়ে থাকা, এবং নতুন তারকাদের সন্ধান করা। সেই গুণ পেয়েছেন রাজদীপও। রঘুর পুত্র এরিয়ানের কোচ হলেও অন্য দলের খেলা নিয়মিত দেখেন।

আরও পড়ুন: মোহনবাগান গোলভাসি, হাফ ডজন হজম করল এএফসি কাপে

বুধবার ময়দান থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর বাইক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেইসময় ঘুড়িতে ব্যবহার করা চিনের মাঞ্জা দেওয়া সূতো হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছিল, দ্রুত গাড়ি চালাচ্ছিলেন রাজদীপ। মাথায় হেলমেট থাকলেও তাঁর চোয়ালে এমনভাবে সূতো পেঁচিয়ে যায়, তিনি তৎক্ষণাৎ গাড়ি নিয়ে পড়ে যান। মারাত্মক আহত হন এই ঘটনায়। সঙ্গে সঙ্গে পথচারী ও পুলিশের তৎপরতায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

রাজদীপ প্রতিদিনের মতোই হাওড়া কদমতলায় তাঁর বাড়িতে ফিরছিলেন। তাঁর এই পথ দুর্ঘটনার খবর জানাজানি হতেই ময়দানে তাঁর পরিচিত মানুষেরা তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। এমনকি বাবা রঘু নন্দীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন।

এর আগের লিগের ম্যাচে এই রাজদীপই এরিয়ানের কোচ হয়ে রঘুর মহামেডানকে লিগের ম্যাচে হারিয়েছিলেন বারাসত স্টেডিয়ামে। কোচ হিসেবে রাজদীপের আদর্শ বাবা রঘুই। বাবার কোচিং দক্ষতা কিছুটা হলেও পেয়েছেন রাজদীপ। তিনি কর্মরত হাওড়া পৌরসভায়। চাকরি ও কোচিং দুটিতেই ভারসাম্য রেখে চলেন। এদিন অবশ্য কলকাতা মাঠ থেকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি ফিরছিলেন, সেইসময়ই বিপত্তি।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More