মাছ-ভাতের সঙ্গে এবার রসগোল্লাও, পাঁচ টাকায় ডিম-ভাতকে টেক্কা দিতে হাতিয়ার বাড়াচ্ছে বিজেপি

আয়োজকরা বলছেন রসগোল্লা বাংলার গর্ব। তাই তাকে তুলে ধরা মানেই বাঙালিকে মর্যাদা দেওয়া। এবার থেকে তাই রসোগোল্লা পাতে দেওয়া হবে। একটি পয়সাও লাগবে না।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর : মাছ-ভাত জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির জীবনের সঙ্গে। তাই বিনে পয়সায় মাছ-ভাত খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছে বিজেপি। এবার নিয়ে আসা হল রসগোল্লাও। এটাও যে বাঙালিরই।

মুখ্যমন্ত্রীর পাঁচ টাকার ডিমভাত কর্মসূচিকে টেক্কা দিতে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় শুরু হয়েছে বিজেপির উদ্যোগে বিনা পয়সায় মাছ-ভাত খাওয়ানোর পালা। বৃহস্পতিবার থেকে বিজেপির এই ‘মাছে ভাতে বাঙলি’ কর্মসূচিতে যোগ হল আদি ও অকৃত্তিম রসগোল্লা। আলুভাজা ডাল মাছের ঝোল চাটনি। সবশেষে রসগোল্লা।

আয়োজকরা বলছেন রসগোল্লা বাংলার গর্ব। তাই তাকে তুলে ধরা মানেই বাঙালিকে মর্যাদা দেওয়া। এবার থেকে তাই রসোগোল্লা পাতে দেওয়া হবে। একটি পয়সাও লাগবে না। পেটপুরে খাওয়ার পর মিস্টিমুখ। বিজেপি নেতা কনিষ্ক পণ্ডা বলেন, “পাঁচ টাকায় ডিমভাত খাওয়াচ্ছেন দিদি। ফুল ডিম থেকে এখন হাফ ডিমে এসেছে। আর দু’দিন পরেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

আরেক নেতা বিদেশ পাত্র বলেন, “ডিম মানে বাঙালির সংস্কৃতিতে অশুভ। আর মাছ হল শুভ। যখন বাড়ির ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে যায় বা অন্য শুভকাজে বের হয় তখন বাড়ির দরজার মুখে মাছ রাখার সংস্কৃতি। সেটাই বাংলার ঘরে ঘরে রেওয়াজ রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে শুভর বিরুদ্ধে অশুভর লড়াইয়ের ডাক দিল বিজেপি এই মাছে ভাতে বাঙালি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।”

আজ এগরার জাগুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হল মাছে ভাতে বাঙালির অনুষ্ঠান। এলাকার বহু মানুষ পংক্তিভোজে অংশ নেন। বিজেপির কটাক্ষের জবাবে তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ গিরি বলেন, “আম আদমির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছেন পাঁচ টাকার ডিমভাত। রোজই কোথাও না কোথাও মানুষ এর সুফল পাচ্ছেন। এমন একদিনের ভূরিভোজ, তারপর তিনদিন না খেয়ে থাকতে হলে মানুষের লাভটা কোথায় এটা বুঝতে হবে।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More