এক বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে ভেঙে দেওয়া হল হাত-পা, মালদহে শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

শুক্রবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে মর্নিংওয়াক করতে বেরিয়েছিলেন মহিষবাথানি এলাকার বাসিন্দা ওই বিজেপি নেতা। সে সময়ই অতর্কিতে তাঁর উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: এক বিজেপি নেতাকে উলঙ্গ করে পিটিয়ে দু’ পা ও হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুরাতন মালদহে। রেহাই পাননি তাঁর স্ত্রীও। মারধর করা হয়েছে তাঁকেও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাসকদলের নেতৃত্ব।

শুক্রবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে মর্নিংওয়াক করতে বেরিয়েছিলেন মহিষবাথানি এলাকার বাসিন্দা ওই বিজেপি নেতা। সে সময়ই অতর্কিতে তাঁর উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মারধর করতে করতে তাঁর জামা প্যান্ট ছিঁড়ে দেয়। হাত ও পায়ের উপর লাঠি দিয়ে বেপরোয়া আঘাত করা হয়। তাঁর এক হাত ও দুই পা ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে মারাত্মক জখম হন তাঁর স্ত্রীও। মুখে মারাত্মক আঘাত লাগে তাঁর। ভেঙে যায় দাঁত। তাঁদের আর্তনাদ শুনে এলাকার মানুষ ছুটে এলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

ওই বিজেপি নেতার ছেলে, ২৯ নম্বর জেলা পরিষদের বিজেপি সংখ্যালঘু যুব মোর্চার সভাপতি মোজ্জামেল হকের অভিযোগ, মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী জাহাঙ্গির আলমের নেতৃত্বে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তিনি বলেন, “নির্বাচন আসতেই রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করছে তৃণমূল। আমরা বিজেপি করি বলে বারবার আমাদের নিশানা করে মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী জাহাঙ্গির আলম। আজ তার নেতৃত্বে আমার বাবা মা’র ওপর হামলা চালানো হল।”

যদিও ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা। এলাকায় তৃণমূলের মুখপাত্র জয়দেব মণ্ডল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ সত্যি নয়। তবুও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”

এই ঘটনায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মোজ্জামেল হক।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More