চিকিৎসার গাফিলতিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগে চাঞ্চল্য ক্যানিং হাসপাতালে

অভিযোগ, সোমবার সকালে শিশুটিকে তাঁর পরিবারের লোকজন যখন দেখতে যান, তখন তাঁদের নজরে পড়ে শিশুর মুখ থেকে অক্সিজেন খুলে রাখা হয়েছে। কর্তব্যরত নার্সকে ডেকে অক্সিজেন লাগানোর কথা বলেন প্রসূতির শাশুড়ি বাসন্তী রানা। বাসন্তী দেবীর অভিযোগ, সেই সময় কর্তব্যরত নার্স তাঁকে গিয়ে অক্সিজেন লাগিয়ে দিতে বলেন। তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেন। পরে সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ হাসপাতাল থেকে তাঁদের জানানো হয় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সদ্যজাত শিশুর মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। চিকিৎসার গাফিলতিতেই এমন ঘটনা ঘটছে বলে পরিজনদের অভিযোগ।

প্রত্যন্ত সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের পাঠানখালি গ্রামের বাসিন্দা বন্দনা রানা। প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় রবিবার ভোরে গোসাবা ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন ডাক্তাররা। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ওই দিন বিকাল নাগাদ একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন ওই প্রসূতি। সদ্যজাত শিশুপুত্র অপুষ্টি হওয়ায় তাকে কলকাতার কোনও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানান।

এরপর সদ্যজাত ওই শিশুটিকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটি তখনও সুস্থ ছিল বলে দাবি তাঁর পরিবার পরিজনদের।

অভিযোগ, সোমবার সকালে শিশুটিকে তাঁর পরিবারের লোকজন যখন দেখতে যান, তখন তাঁদের নজরে পড়ে শিশুর মুখ থেকে অক্সিজেন খুলে রাখা হয়েছে। কর্তব্যরত নার্সকে ডেকে অক্সিজেন লাগানোর কথা বলেন প্রসূতির শাশুড়ি বাসন্তী রানা। বাসন্তী দেবীর অভিযোগ, সেই সময় কর্তব্যরত নার্স তাঁকে গিয়ে অক্সিজেন লাগিয়ে দিতে বলেন। তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেন। পরে সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ হাসপাতাল থেকে তাঁদের জানানো হয় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

বাসন্তী দেবী বলেন, “কর্তব্যরত নার্সের গাফিলতিতে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। সময়মতো কলকাতায় স্থানান্তরিত করলে শিশুটি বেঁচে যেত।” মৃত ওই শিশুর ঠাকুরমা বাসন্তী রানা কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলে কর্তব্যরত নার্সের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁরা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন শিশুটিকে সময় মতো কলকাতার হাসপাতালে রেফার করা হল না তাও দেখা হচ্ছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More