ভোর ছ’টা থেকে শুরু হয়েছে পুণ্যস্নান, গঙ্গাসাগরে শেষ মুহূর্তের ভিড়ের অপেক্ষায় মেলায় আসা দোকানিরা

বৃহস্পতিবার ভোর ছ’টা থেকে শুরু হয়েছে মহালগ্ন। চলবে শুক্রবার ভোর ছ’টা পর্যন্ত। এই মহালগ্নে সাগরে ডুব দেওয়ার জন্য বুধবার থেকেই ভিড় আস্তে আস্তে বাড়ছে মেলায়। গতকালই সাড়ে সাত লক্ষ মানুষ মেলায় এসেছেন বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই ভিড় বাড়বে আরও।

নকিবউদ্দিন গাজি, গঙ্গাসাগর: কোভিডের বাধা রয়েছে। তাই এবার ই-স্নানের নতুন কনসেপ্ট। ভিড়ও অন্য বছরের তুলনায় অনেকই কম। তবুও, মকর সংক্রান্তিতে জমজমাট গঙ্গাসাগর। পুণ্যতিথিতে সাগরসঙ্গমে পুণ্যস্নানের লোভ সামলাতে পারেননি এমন মানুষের সংখ্যাটা নেহাত নগন্য নয়। করোনা ভীতি উপেক্ষা করে সাগর সঙ্গমে ভীড় জমানো এই সমস্ত মানুষদের কথা ভেবে সতর্ক প্রশাসন। মহামারী রুখতে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাইকে প্রচার চলছে অনর্গল।

বৃহস্পতিবার ভোর ছ’টা থেকে শুরু হয়েছে মহালগ্ন। চলবে শুক্রবার ভোর ছ’টা পর্যন্ত। এই মহালগ্নে সাগরে ডুব দেওয়ার জন্য বুধবার থেকেই ভিড় আস্তে আস্তে বাড়ছে মেলায়। গতকালই সাড়ে সাত লক্ষ মানুষ মেলায় এসেছেন বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই ভিড় বাড়বে আরও। তবে তা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই কম। বিস্তীর্ণ মেলা চত্বরে যেখানে অন্যান্য বছর তিন ধারণের জায়গা থাকে না, সেখানে এবার অনেকটাই ফাঁকা ফাঁকা।

জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানান, এদিন সাগরে এসে ডুব দেওয়ার পাশাপাশি ই-স্নানও করেছেন বহু মানুষ। তাঁদের সংখ্যাটাও প্রায় চার লাখ।

করোনা আবহে এবার পুণ্যস্নান নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর অবস্থা সামলাতে জলপথে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কোস্ট গার্ড, এনডিআরএফ, ওয়াটার উইংস সহ মোট ৫ টি নিরাপত্তা সংস্থা। সমুদ্রতটে আড়াই হাজার পুলিশ কর্মী নিরাপত্তা রক্ষী, স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন রয়েছে পরিষেবা প্রদানের জন্য। কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর জন্য রয়েছে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সও। ইতিমধ্যেই মেলাপ্রাঙ্গনে অসুস্থ হয়ে পড়া বেশ কিছু মানুষকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মেলাপ্রাঙ্গনে ভিড়ের ঘাটতিতে মন খারাপ পসরা সাজিয়ে বসা দোকানিদের। বছরের এই সময়টার দিকে তাকিয়ে থাকেন এলাকার ছোটখাট বাবসায়ীরা। গঙ্গাসাগর মেলার সময় এলেই হরেক জিনিস নিয়ে তাঁরা উপস্থিত হন। বিকিকিনিও চলে দেদার। তবে এবার মেলায় তেমন ভিড় নেই। তাই লক্ষ্মীলাভে বাধার মুখ। তবে আজ মেলার শেষদিন। ভিড়ও উপচে পড়ার কথা। তাই শেষ মুহূর্তের অপেক্ষায় মেলায় আসা ব্যবসায়ীরা। যদি শিকে ছেঁড়ে।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More