মোবাইল লোকেশন দেখে বিহার থেকে উদ্ধার করে আনা হল সুন্দরবনের ছয় তরুণীকে

অভিযোগ, লকডাউনে তীব্র অভাবের সময় ভিন রাজ্যে বিয়েবাড়িতে নাচের কাজের টোপ দিয়ে ডায়মন্ডহারবার থানা এলাকার তরুণীদের বিহারের ইস্ট চম্পারণে নিয়ে যায় সুন্দরবন এলাকার এক মহিলা। 

দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিহারের চম্পারণ থেকে ছয় তরুণীকে উদ্ধার করল ডায়মন্ডহারবার মহিলা থানার পুলিশ।

অভিযোগ, লকডাউনে তীব্র অভাবের সময় ভিন রাজ্যে বিয়েবাড়িতে নাচের কাজের টোপ দিয়ে ডায়মন্ডহারবার থানা এলাকার তিন তরুণীকে বিহারের ইস্ট চম্পারণে নিয়ে যায় সুন্দরবন এলাকার এক মহিলা।  বিহারে নিয়ে যাওয়ার আগে ওই তরুণীদের অগ্রিম দু’হাজার টাকা করে দেওয়া হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রাপ্য টাকা তাদেরকে পরে আর দেওয়া হয়নি। এমনকী তিনমাস ধরে ওই তরুণীদের ঘরের মধ্যে আটকে তাদের উপর চলে পাশবিক অত্যাচার। নির্যাতিতা তরুণীরা লুকিয়ে ফোনের মাধ্যমে পরিবারের লোকজনকে জানালে পরিবারের লোকজন ডায়মন্ডহারবার থানায় গত পয়লা জানুয়ারি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ।

৭ জানুয়ারি আটকে পড়া তরুণীদের মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন দেখে বিহারের চম্পারণে যায় পুলিশ। ডায়মন্ডহারবার মহিলা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক অমৃতা দাসের নেতৃত্বে ছ’জনের একটি টিম তরুণীদের উদ্ধারে অভিযান চালায়। ইস্ট চম্পারণের কুন্দওয়ার চেইনপুরের এক তালা বন্ধ ঘরের মধ্যে থেকে তিন তরুণী- সহ অন্য আরও তিন তরুনীকে উদ্ধার করে মহিলা থানার পুলিশ।

অমৃতা দাস বলেন, ‘‘অভিযোগ পাওয়ার পর ওই তিনজন তরুণীকে উদ্ধারের জন্য বিহারে গেছিলাম আমরা। কিন্তু সেখানে পৌঁছে সুন্দরবনের আরও তিন তরুণীর হদিশ পাই। তাদেরও উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। অবশ্য এখন কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।’’

পাচারচক্রের মূল পান্ডা ও তার সাগরেদদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More