কোভিড টেস্টের জন্য হাসপাতালে দীর্ঘ লাইন, রোগীদের সঙ্গেই সরব হলেন জলপাইগুড়ির সাংসদ

শনিবার সকাল থেকে কোভিড টেস্ট করাতে এসে দুপুর পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ। সময়মতো পরিষেবা না পেয়ে ক্ষোভে ফুটছিলেন তাঁরা। এ সময় বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামীর শরীর অসুস্থ থাকায় তাঁকে নিয়ে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আসেন সাংসদ ডাক্তার জয়ন্তকুমার রায়। তাদেরও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: কোভিড টেস্ট করাতে এসে দীর্ঘক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হল বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি এবং জলপাইগুড়ি‌র সাংসদকে। লাইনে দাড়িয়ে রইলেন সাধারণ মানুষও। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসপাতালের বিরুদ্ধে অব্যবস্থার অভিযোগ করলেন সাংসদ।

শনিবার সকাল থেকে কোভিড টেস্ট করাতে এসে দুপুর পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ। সময়মতো পরিষেবা না পেয়ে ক্ষোভে ফুটছিলেন তাঁরা। এ সময় বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামীর শরীর অসুস্থ থাকায় তাঁকে নিয়ে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আসেন সাংসদ ডাক্তার জয়ন্তকুমার রায়। তাদেরও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

রুমি দাস ও পিনাকী কর্মকার বলেন, ‘‘আমরা করোনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে এসেছি। সকাল আটটা থেকে প্রায় বেলা দেড়টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকেও আমাদের করোনা‌র অ্যান্টিজেন টেস্ট করাতে পারিনি। চিকিৎসক ও নার্স থেকে শুরু করে কেউ আমাদের সঠিকভাবে সহায়তা করেননি।’’

জলপাইগুড়ি‌র বিজেপি সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, ‘‘আমাদের সংগঠনের জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামীকে নিয়ে করোনা‌র অ্যান্টিজেন টেস্ট করানোর জন্য হাসপাতালে এসেছি‌লাম। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মানুষ সঠিক সময়ে হাসপাতালে‌ করোনা‌র অ্যান্টিজেন টেস্ট করাতে পারছেন না বলে অভিযোগ করছেন। এই ঘটনা‌ প্রমাণ করছে রাজ‍্যের স্বাস্থ্য পরিসেবা ঠিক কতটা বেহাল। আমরা কোভিড শুরু হওয়ার আগে থেকে অনেকভাবে বলেছিলাম কীভাবে হাসপাতালে ম্যানেজমেন্ট দিতে হবে। কিন্তু সে কথায় কর্ণপাত করেনি এঁরা।’’

বিজেপি সাংসদের আনা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি ডাক্তার সুশান্ত রায় বলেন, ‘‘অভিযোগ করা খুব সহজ। কিন্তু আমরা কীভাবে কোভিড ম্যানেজমেন্ট দিচ্ছি তা আমরাই জানি। এতদিন ধরে কোভিড চলছে কেউ একবার খোঁজ নিতে আসেননি। কোভিডের পরিষেবা দিতে গিয়ে আমাদের প্রচুর স্বাস্থ্যকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের খোঁজ কেউ রেখেছেন কি?’’

বিজেপি সুত্রে জানা গেছে পরে হাসপাতালেই জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামীর কোভিড টেস্ট হয়েছে। রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More