তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তাল ধুপগুড়ি, পাথরের আঘাতে জখম পুলিশ আধিকারিক

ধুপগুড়ির ঝাড় আলতা-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে তেতে ওঠে এলাকা। অভিযোগ, ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য বিজেপির কর্মী সমর্থকরা ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেন তৃণমূল কর্মীরা। বচসাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। এক পুলিশ আধিকারিক-সহ জখম হন দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন।

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ধূপগুড়ি। এলোপাথাড়ি ছোড়া ঢিল লাগল পুলিশ আধিকারিকের চোখে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে।

ধুপগুড়ির ঝাড় আলতা-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে তেতে ওঠে এলাকা। অভিযোগ, ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য বিজেপির কর্মী সমর্থকরা ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেন তৃণমূল কর্মীরা। বচসাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। এক পুলিশ আধিকারিক-সহ জখম হন দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে হাতাহাতির মধ্যে বিজেপির কর্মীরা অফিসের গেটের সামনে চলে আসেন। এরপর পুলিশকর্মীরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের গেট আটকে দেয়। তখন গেটের সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। বিক্ষোভ চলাকালীনই তারা ইট পাথর ছুড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। আচমকাই একটি পাথর এসে পড়ে পুলিশের এসআই সরোজ প্রধানের মুখে। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে উদ্ধার করে ধূপগুড়ি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর সহকর্মীরা। সেখানকার ডাক্তাররা প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই পুলিশ আধিকারিককে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করে দেন। পরে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে ওই পুলিশ আধিকারিককে।

খবর পেয়ে ধুপগুড়ি থানা থেকে আরও বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পুলিশকর্মীরা। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, সাতদফা দাবিতে এই ডেপুটেশনের কর্মসূচি তাঁরা আগেই ঘোষণা করেছিলেন। আজ এই ডেপুটেশন দিতে এলে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা লাঠি হাতে তাঁর বাধা দেয়। বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বাধা ভেঙে এগোতে গেলে মারধর শুরু করে তারা।

অন্যদিকে তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, রাজ্যজুড়েই অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিজেপি। নানা জায়গায় নানাভাবে এলাকাকে অশান্ত করছে তারা। এ দিনও অস্ত্র নিয়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা ডেপুটেশন দিতে এসেছিল। বাধা পেয়ে তারা পাথর ছোড়ে। এক পুলিশ আধিকারিকের গুরুতর চোট লেগেছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More